অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে আন্দোলনে নেমেছে নোয়াখালী মহিলা কলেজের ছাত্রীরা

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট:
হোস্টেলের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে আন্দোলনে নেমেছে নোয়াখালী সরকারী মহিলা কলেজের অবস্থান কারী হোস্টেলের ছাত্রীরা। হোস্টেলের নিয়ম পরিবর্তন, গেষ্ট ছাত্রীর নামে বহু ছাত্রীকে হোস্টেলে থাকার ব্যবস্থা করে লক্ষ লক্ষ টাকা কামানোর অভিযোগ, অতিরিক্ত সিট বিল, খাওয়ার বিলসহ নানান অনিয়ম ও দুর্নীতির সহ নানা বিষয়ে অভিযোগে তুলে ১২ দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে হোস্টেলের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও আন্দোলন করে। শিক্ষার্থীরা জানান পার্শ্ববর্তী কলেজের চেয়ে এ কলেজে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে নেওয়া হচ্ছে। বাজারের নামে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া হোস্টেলের খাত থেকে অধ্যক্ষের বাসার কর্মচারী আমেনা বেগমের বেতন দেওয়া সহ নানান বিষয়ে অভিযোগ উঠে আসে। নাম প্রকাশে কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, হোস্টেলের শিক্ষার্থীদের খাবারের টাকা থেকে প্রতি মাসে অধ্যক্ষ, উপাধক্ষ ও হোস্টেল সুপার বিশেষ সম্মানী নিয়ে থাকেন। অথচ মেয়েদেরকে বাজার করতে দেওয়া হয় না। তারা খাবার বিল, সিট বিল কমানো ও প্রতি রুমে ৪ জনের বেশি দেওয়া যাবে না বলে দাবি জানান এবং মেট্রনের আচরন নিয়েও প্রশ্ন তুলেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী সরকারী মহিলা কলেজের হোস্টেল সুপার সালাউদ্দিন ছাত্রীদের আন্দোলনের কথা সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি যেহেতু হোস্টেলের দায়িত্ব আছি অবশ্যই কিছু সম্মানী নিয়ে থাকি। অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়ে সে জানান এটা অনেক আগ থেকে এনিয়ম চালু হয়ে আসছে। কলেজ যেহেতু বন্ধ ছিল আমরা বিষয়টি সমাধা করব। কলেজের উপাধক্ষ প্রফেসর রুহুল আমিন জানান অতিরিক্ত টাকা ও সম্মানী নেওয়ার বিষয়ে অস্বিকার করে বলেন, আমরা ছাত্রীদের সাথে বসে বিষয়টি সমাধান করছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কলেজের অধ্যক্ষ আখতারী বেগম ছাত্রীদের আন্দোলনের কথা সত্যতা স্বীকার করে বলেন, উপরের ক্লাসের কিছু সিনিয়র শিক্ষার্থী জুনিয়রদেরকে নিয়ে আন্দোলনে নেমেছে এবং তাদের দাবি দাওয়া পেশ করছে। তিনি জানান অনেক আগ থেকে এ নিয়ম চালু আছে। তবে তিনি বিভিন্ন অনিয়ম ও সম্মানী ভাতা নেওয়ার বিষয়ে অস্বিকার করেন। তবুও আমি হোস্টেল সুপারের সাথে বসে ছাত্রীদের বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিব কি করা যায়। সম্প্রতি ইতিপূর্বে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্তে আসে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এভাবে চলছে কলেজের অবস্থা।

Share Button

সর্বশেষ আপডেট



» নোয়াখালীতে এনএসআইয়ের তথ্যে এবার ভূয়া এমবিবিএস ডাক্তার আটক

» নোয়াখালীতে নতুন করে আরো ৩০ জনের করোনা শনাক্ত

» চাটখিলে এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যানের পক্ষে মাস্ক বিতরন করলেন মেয়র প্রার্থী বেলায়েত

» চাটখিলে যুবদল নেতা পুলিশের হাতে আটক

» ডিবি পরিছয়ে তুলে নেয়া বেগমগঞ্জের যুবদল নেতা টিটুর খোঁজ ৬ দিনেও মেলেনী

» রামগঞ্জে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী গিয়াস উদ্দিন গ্রেফতার

» সোনাইমুড়ীতে মদ্যপ অবস্থায় ২ কিশোর আটক

» নোয়াখালীতে এনএসআই জব্দ করেছে সরকারী অবৈধ ৩০ মেট্রিকটন চাল

» নোয়াখালীতে সীমান্তে মানুষ হত্যা ও ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে নাগরিক পরিষদ

» রামগঞ্জে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রের উদ্ভোধন করেন ড.অানোয়ার খান এমপি

ফেইসবুকে প্রিয় নোয়াখালী

সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]
Desing & Developed BY Trust soft bd
,

অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে আন্দোলনে নেমেছে নোয়াখালী মহিলা কলেজের ছাত্রীরা

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট:
হোস্টেলের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে আন্দোলনে নেমেছে নোয়াখালী সরকারী মহিলা কলেজের অবস্থান কারী হোস্টেলের ছাত্রীরা। হোস্টেলের নিয়ম পরিবর্তন, গেষ্ট ছাত্রীর নামে বহু ছাত্রীকে হোস্টেলে থাকার ব্যবস্থা করে লক্ষ লক্ষ টাকা কামানোর অভিযোগ, অতিরিক্ত সিট বিল, খাওয়ার বিলসহ নানান অনিয়ম ও দুর্নীতির সহ নানা বিষয়ে অভিযোগে তুলে ১২ দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে হোস্টেলের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও আন্দোলন করে। শিক্ষার্থীরা জানান পার্শ্ববর্তী কলেজের চেয়ে এ কলেজে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে নেওয়া হচ্ছে। বাজারের নামে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া হোস্টেলের খাত থেকে অধ্যক্ষের বাসার কর্মচারী আমেনা বেগমের বেতন দেওয়া সহ নানান বিষয়ে অভিযোগ উঠে আসে। নাম প্রকাশে কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, হোস্টেলের শিক্ষার্থীদের খাবারের টাকা থেকে প্রতি মাসে অধ্যক্ষ, উপাধক্ষ ও হোস্টেল সুপার বিশেষ সম্মানী নিয়ে থাকেন। অথচ মেয়েদেরকে বাজার করতে দেওয়া হয় না। তারা খাবার বিল, সিট বিল কমানো ও প্রতি রুমে ৪ জনের বেশি দেওয়া যাবে না বলে দাবি জানান এবং মেট্রনের আচরন নিয়েও প্রশ্ন তুলেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী সরকারী মহিলা কলেজের হোস্টেল সুপার সালাউদ্দিন ছাত্রীদের আন্দোলনের কথা সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি যেহেতু হোস্টেলের দায়িত্ব আছি অবশ্যই কিছু সম্মানী নিয়ে থাকি। অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়ে সে জানান এটা অনেক আগ থেকে এনিয়ম চালু হয়ে আসছে। কলেজ যেহেতু বন্ধ ছিল আমরা বিষয়টি সমাধা করব। কলেজের উপাধক্ষ প্রফেসর রুহুল আমিন জানান অতিরিক্ত টাকা ও সম্মানী নেওয়ার বিষয়ে অস্বিকার করে বলেন, আমরা ছাত্রীদের সাথে বসে বিষয়টি সমাধান করছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কলেজের অধ্যক্ষ আখতারী বেগম ছাত্রীদের আন্দোলনের কথা সত্যতা স্বীকার করে বলেন, উপরের ক্লাসের কিছু সিনিয়র শিক্ষার্থী জুনিয়রদেরকে নিয়ে আন্দোলনে নেমেছে এবং তাদের দাবি দাওয়া পেশ করছে। তিনি জানান অনেক আগ থেকে এ নিয়ম চালু আছে। তবে তিনি বিভিন্ন অনিয়ম ও সম্মানী ভাতা নেওয়ার বিষয়ে অস্বিকার করেন। তবুও আমি হোস্টেল সুপারের সাথে বসে ছাত্রীদের বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিব কি করা যায়। সম্প্রতি ইতিপূর্বে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্তে আসে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এভাবে চলছে কলেজের অবস্থা।

Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



web-ad

সর্বশেষ আপডেট





সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]

Developed BY Trustsoftbd