আনসারী হুজুরের জানাজা থেকে মহিলা ডাক্তারের চেম্বার।। অতি আবেগি বুদ্ধিজীবি চেতনার বিষ্ফোরন

 

গোলাম রহমান দূর্জয়।।
ব্রাক্ষ্মনবাড়িয়া’র সাম্প্রতিক ঘটনা নিয়ে কথা বলতে চাইনি কারন আমি সব বিষয়ে মন্তব্য করিনা। আর আমার মতো নগন্য মানুষের মন্তব্য করা না করায় কারো যায় আসেনা।
তারপরও আজ কিছু অতি আবেগি মানুষের পোষ্ট দেখে স্থির থাকতে পারলামনা। আমার খুব কষ্ট হয় ভাবতে যে আমাদের দেশে এতো বিবেক বর্জিত আবেগের জন্ম হয় কিভাবে?
ব্রাম্মনবাড়িয়া বাংলাদেশের কোন বিচ্ছিন্ন জনপদ নয়। ৬৪ জেলার প্রতিটা জেলায় ভালো এবং খারাপ মানুষ দুই ই বসবাস করে। যে বা যারা অপরাধ করে আমরা সেই অপরাধ এবং অপরাধিকে ঘৃনা করি প্রতিবাদ করি তাই বলে বিশেষ জেলাকে যেমন কটাক্ষ করা ঠিকনা তেমনি আমার জেলায় কোন অপরাধ সংঘঠিত হলে কেউ প্রতিবাদ করলে আমি মানতে পারবোনা তাওনা।
আমার বাম পাও গতে মাসে বাথরুমের কমেটে ব্যাথা পেলাম একই পায়ে এমাসে পোঁড়া উঠলো এবং প্রায় ই এ পাওটাই বেশি আঘাত প্রাপ্ত হয় তার মানে কি এই পাওটাকে অস্বীকার করবো বা ট্রল করবো। তবে হ্যাঁ পায়ের মধ্য সংঘঠিত ব্যাথা প্রতিরোধে যথাযথ ব্যাবস্থা নেবো এবং ব্যাথাকে তিরস্কার করারর অধিকার আমি রাখি।

যাই হউক প্রসঙ্গে আসি
প্রথিতযশা আলেমে দিন হজরত মাওলানা যোবায়ের আহম্মদ আনসারি একজন বুজুর্গ আলেমে দিন ছিলেন। তিনি ছিলেন হাজারো ভক্ত অনুরাগী তাওহীদি জনতার কলিজার টুকরা। তার মৃত্যুতে মানুষ আবেগ তাড়িত হয়েছিলো।
আর আবেগ তাড়িত হয়ে প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে লক্ষ লোকের সমাগম করে জানাজার নামাজ আদায় করেছিলো। মানুষ অত্যান্ত শ্রদ্ধা আর আবেগ নিয়ে তার প্রিয় আলেমকে শেষ বিদায় জানাতে এসেছিল।

ঠিক যে সময়ে মসজিদে গিয়ে ফরজে আইন ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়া অনিশ্চিত হয়ে গেছে দেশের সেই দুঃসময়ে (জানাজা) ফরজে কেফায়ার নামাজের জন্য জন সমাগম করে এতবড় ভুল করাটা কতটা সমীচিন হলো এবং যৌক্তিক হলো এই প্রশ্ন দেশের একজন সচেতন নাগরিক করতেই পারে।
আর তার প্রশ্নের জবাবে আপনি হাট বাজারের জনসমাগম এর মতো সস্তা উদাহরন টানবেন আবার বলবেন
“তিনি আলেমদের নিয়ে চুলকাচ্ছেন তিনি নাস্তিক”এই শিক্ষা আপনি কই পেলেন?
সামান্য আবেগ কে প্রাধান্য দিয়ে হাজার হাজার লোক একত্রিত না হয়ে ঘরে বসে এক খতম কোরআন তেলোয়াত করে প্রিয় এই আলেমের জন্য দোয়া করলে উনার প্রতি কি আপনার হক্ব আদায় হতোনা?
আপনি কি বুঝাতে চান ইসলাম বাস্তবতা বর্জিত জ্ঞানবিজ্ঞান হীন ধর্ম? ইসলামে এ ধরনের জাতীয় মহামারীর ব্যাপারে কোন নির্দেশনা নেই?
যে সময়ে জনসমাগম এড়িয়ে চলা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব সেই সময়ে
হয়ত আপনি একজন অতি আবেগি দায়িত্বকান্ড জ্ঞানহীন বলে এমনটা করছেন!

আবার যে বা যারা যোবায়ের আনসারী হুজুরের জানাজায় হঠাৎ জনসমাগমের ব্যাপারে অতিরিক্ত ট্রল করে একেবারে তুচ্ছ তাচ্ছিল্যের মাধ্যমে ইসলাম ধর্ম, ব্রাম্মনবাড়িয়া জেলা এবং ব্যাক্তি (মানে যোবায়ের আনসারী হুজুর) কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করছেন আপনি এই শিক্ষা কই পেলেন? আপনার কি ধারনা ইসলামে দূর্যোগকালীন মাসআলা নেই? আপনার কি ধারনা ইসলাম- ধর্মান্ধতা ও গোঁড়ামি কে সমর্থন করে?
আবার আপনি বিশেষ জেলা নিয়ে ট্রল করবেন জেলা কি বলেছে এসব করতে? জেলার প্রশাসন কি এসব বিষয়ে দায়িত্বহীন ছিলো? বিনা ঘোষনায় যখন মানুষ আসছিলো তখন প্রশাসন বাধা দিলে সেখানে কি ঘটনা ঘটতো আপনি কি জানেন? আর যোবায়ের আনসারীর ই বা এখানে কি দোষ ছিলো? মাদ্রাসা বা আলেম সমাজের ই বা কি দোষ ছিলো? তারাতো মাইকিং করে বলেছে জানাজায় না আসতে। একেবারে আপনি যেনতেন করে ঢালাও ভাবে আলেম সমাজ তথা আপনার ভাষায় কাঠ মোল্লাদের ঘাড়ে সব দোষ চাপিয়ে নিজেকে সুশীল প্রমানের চেষ্টা কি প্রতিবাদের যথাযথ ভাষা হতে পারে?

অতপর একজন মহিলা ডাক্তার তার চেম্বার থেকে (লক্ষ লোকের সমাগমে জানাজায় যাওয়া হুজুরের বউ সন্দেহে) একজন রোগীকে বের করে দিছেন এমন একটি খবর ফেইজবুকে দেখে ঘটনার গভীরে না গিয়ে আবেগের ঠেলায় আপনি লাফাচ্ছেন আপনি ওই ডাক্তারের গোষ্ঠি উদ্ধার করছেন?
লক্ষ লোকের সমাগম থেকে ঘরে ফেরা(সন্দেহে) একজন লোকের স্ত্রীকে বিনা প্রোটেকশনে ভিজিট করার ব্যাপারে অনীহা প্রকাশ করার অধিকার ব্যাক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে একজন ডাক্তার রাখে তাই বলে আপনি এটা বোঝাবেন ঐ ডাক্তার ইসলাম বিদ্বেসী ওই ডাক্তার যোবায়ের হুজুরের বিরোধী ওই ডাক্তার আলেম সমাজের বিরোধী এটা তো সমর্থন যোগ্যনা। ডাক্তার কি আসলে আলেম সমাজের বিরোধী বা ইসলামের বিরোধী কিংবা জানাজার বিরোধী?
নাকি তিনি এই বিপজ্জনক জনসমাগমের বিষয়ে ব্যাক্তিগত নিরাপত্তার প্রশ্নে আতংকিত?
অতপর আপনি ঘটনার অপব্যাখ্যা দিয়ে গুজব ছড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেম উত্বপ্ত করে দুঃসময়ে চিকিৎসক সমাজের সাথে ধর্মপ্রান মানুষকে মুখোমুখি দাড় করিয়ে আসলে কি বুঝাতে ছেয়েছেন?
যদি প্রকৃত অর্থে ঐ ডাক্তার অন্যায় ভাবে ব্যাক্তিগত অহংকার থেকে একজন আলেমকে (শুধুমাত্র জানাজায় গিয়েছে সন্দেহে) অসম্মান করে থাকেন তবে এটা নিঃসন্দেহে অমানবিক কাজ এবং ঐ ডাক্তারের বর্বর চিন্তা আর নীতিহিন শিক্ষার ফসল। যা আপনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম উত্তপ্ত না করে সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জন অথবা উর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে জানাতে পারতেন। তা না করে আপনি উত্তপ্ত আগুনে কেরোসিন ঢেলে দিয়ে দূর্যোগ কবলিত জাতীর কি উপকার করতে চাইছেন বলুন ?
নাকি হাজারো আলেম উলামার পূর্ণভূমি ব্রাম্মনবাড়িয়া তুষের আগুনে জললে আপনি খুশি!
বলেন?
সুতরাং কোন কিছু ফেইজবুকে পেলাম আর খুচরা জনপ্রিয়তার জন্য ঘটনার গভীরে না গিয়ে কপি মেরে দিলাম এটাতো দায়িত্বশীল ব্যাক্তির আচরন হতে পারেনা।
আপনি যদি সত্যিকার দেশ প্রেমীক হয়ে থাকেন সত্যিকার ধর্মানুরাগি হয়ে থাকেন বা মানবতার সেবক হয়ে থাকেন তাহলে প্রথমে ভাবতে হবে আপনার এই এক্টিভিটিজ কি আসলে দেশ ধর্ম বা মানুষের কাজে লাগছে নাকি পরিবেশ অশান্ত হচ্ছে।

লেখকঃ
সাবেক সভাপতি
প্রেসক্লাব কার্যনির্বাহী সংসদ

সোনাইমুড়ি। নোয়াখালী

Share Button

সর্বশেষ আপডেট



» রামগঞ্জে সরকারী সম্পত্তি জবর-দখল নিয়ে দুই গ্রুপ মুখোমুখি

» রামগঞ্জে বখাটে চাচার হাতধরে পালিয়েছে প্রবাসীর স্ত্রী মুন্নী

» সুবর্নচর ওয়াপদা যুবদলের সভাপতি হতে চান সৈকত

» বেগমগঞ্জে মানব পাচারকারী দলের নারী সদস্য আটক

» অসহায় মেয়ের নিজ খরছে বিয়ে দিলেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন

» রামগঞ্জে সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন

» করোনাতে চাটখিল ও সোনাইমুড়ীতে ২জনের মৃত্যু

» রামগঞ্জে কিশোরীকে ধর্ষণ শেষে হত্যা, হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

» রামগঞ্জে ইডেনের ছাত্রী অন্তসত্তা গৃহবধু আয়নাকে হত্যার অভিযোগে স্বামী গ্রেফতার

» বেগমগঞ্জে বরকত উল্যাহ বুলুর বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ফেইসবুকে প্রিয় নোয়াখালী

সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]
Desing & Developed BY Trust soft bd
,

আনসারী হুজুরের জানাজা থেকে মহিলা ডাক্তারের চেম্বার।। অতি আবেগি বুদ্ধিজীবি চেতনার বিষ্ফোরন

 

গোলাম রহমান দূর্জয়।।
ব্রাক্ষ্মনবাড়িয়া’র সাম্প্রতিক ঘটনা নিয়ে কথা বলতে চাইনি কারন আমি সব বিষয়ে মন্তব্য করিনা। আর আমার মতো নগন্য মানুষের মন্তব্য করা না করায় কারো যায় আসেনা।
তারপরও আজ কিছু অতি আবেগি মানুষের পোষ্ট দেখে স্থির থাকতে পারলামনা। আমার খুব কষ্ট হয় ভাবতে যে আমাদের দেশে এতো বিবেক বর্জিত আবেগের জন্ম হয় কিভাবে?
ব্রাম্মনবাড়িয়া বাংলাদেশের কোন বিচ্ছিন্ন জনপদ নয়। ৬৪ জেলার প্রতিটা জেলায় ভালো এবং খারাপ মানুষ দুই ই বসবাস করে। যে বা যারা অপরাধ করে আমরা সেই অপরাধ এবং অপরাধিকে ঘৃনা করি প্রতিবাদ করি তাই বলে বিশেষ জেলাকে যেমন কটাক্ষ করা ঠিকনা তেমনি আমার জেলায় কোন অপরাধ সংঘঠিত হলে কেউ প্রতিবাদ করলে আমি মানতে পারবোনা তাওনা।
আমার বাম পাও গতে মাসে বাথরুমের কমেটে ব্যাথা পেলাম একই পায়ে এমাসে পোঁড়া উঠলো এবং প্রায় ই এ পাওটাই বেশি আঘাত প্রাপ্ত হয় তার মানে কি এই পাওটাকে অস্বীকার করবো বা ট্রল করবো। তবে হ্যাঁ পায়ের মধ্য সংঘঠিত ব্যাথা প্রতিরোধে যথাযথ ব্যাবস্থা নেবো এবং ব্যাথাকে তিরস্কার করারর অধিকার আমি রাখি।

যাই হউক প্রসঙ্গে আসি
প্রথিতযশা আলেমে দিন হজরত মাওলানা যোবায়ের আহম্মদ আনসারি একজন বুজুর্গ আলেমে দিন ছিলেন। তিনি ছিলেন হাজারো ভক্ত অনুরাগী তাওহীদি জনতার কলিজার টুকরা। তার মৃত্যুতে মানুষ আবেগ তাড়িত হয়েছিলো।
আর আবেগ তাড়িত হয়ে প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে লক্ষ লোকের সমাগম করে জানাজার নামাজ আদায় করেছিলো। মানুষ অত্যান্ত শ্রদ্ধা আর আবেগ নিয়ে তার প্রিয় আলেমকে শেষ বিদায় জানাতে এসেছিল।

ঠিক যে সময়ে মসজিদে গিয়ে ফরজে আইন ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়া অনিশ্চিত হয়ে গেছে দেশের সেই দুঃসময়ে (জানাজা) ফরজে কেফায়ার নামাজের জন্য জন সমাগম করে এতবড় ভুল করাটা কতটা সমীচিন হলো এবং যৌক্তিক হলো এই প্রশ্ন দেশের একজন সচেতন নাগরিক করতেই পারে।
আর তার প্রশ্নের জবাবে আপনি হাট বাজারের জনসমাগম এর মতো সস্তা উদাহরন টানবেন আবার বলবেন
“তিনি আলেমদের নিয়ে চুলকাচ্ছেন তিনি নাস্তিক”এই শিক্ষা আপনি কই পেলেন?
সামান্য আবেগ কে প্রাধান্য দিয়ে হাজার হাজার লোক একত্রিত না হয়ে ঘরে বসে এক খতম কোরআন তেলোয়াত করে প্রিয় এই আলেমের জন্য দোয়া করলে উনার প্রতি কি আপনার হক্ব আদায় হতোনা?
আপনি কি বুঝাতে চান ইসলাম বাস্তবতা বর্জিত জ্ঞানবিজ্ঞান হীন ধর্ম? ইসলামে এ ধরনের জাতীয় মহামারীর ব্যাপারে কোন নির্দেশনা নেই?
যে সময়ে জনসমাগম এড়িয়ে চলা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব সেই সময়ে
হয়ত আপনি একজন অতি আবেগি দায়িত্বকান্ড জ্ঞানহীন বলে এমনটা করছেন!

আবার যে বা যারা যোবায়ের আনসারী হুজুরের জানাজায় হঠাৎ জনসমাগমের ব্যাপারে অতিরিক্ত ট্রল করে একেবারে তুচ্ছ তাচ্ছিল্যের মাধ্যমে ইসলাম ধর্ম, ব্রাম্মনবাড়িয়া জেলা এবং ব্যাক্তি (মানে যোবায়ের আনসারী হুজুর) কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করছেন আপনি এই শিক্ষা কই পেলেন? আপনার কি ধারনা ইসলামে দূর্যোগকালীন মাসআলা নেই? আপনার কি ধারনা ইসলাম- ধর্মান্ধতা ও গোঁড়ামি কে সমর্থন করে?
আবার আপনি বিশেষ জেলা নিয়ে ট্রল করবেন জেলা কি বলেছে এসব করতে? জেলার প্রশাসন কি এসব বিষয়ে দায়িত্বহীন ছিলো? বিনা ঘোষনায় যখন মানুষ আসছিলো তখন প্রশাসন বাধা দিলে সেখানে কি ঘটনা ঘটতো আপনি কি জানেন? আর যোবায়ের আনসারীর ই বা এখানে কি দোষ ছিলো? মাদ্রাসা বা আলেম সমাজের ই বা কি দোষ ছিলো? তারাতো মাইকিং করে বলেছে জানাজায় না আসতে। একেবারে আপনি যেনতেন করে ঢালাও ভাবে আলেম সমাজ তথা আপনার ভাষায় কাঠ মোল্লাদের ঘাড়ে সব দোষ চাপিয়ে নিজেকে সুশীল প্রমানের চেষ্টা কি প্রতিবাদের যথাযথ ভাষা হতে পারে?

অতপর একজন মহিলা ডাক্তার তার চেম্বার থেকে (লক্ষ লোকের সমাগমে জানাজায় যাওয়া হুজুরের বউ সন্দেহে) একজন রোগীকে বের করে দিছেন এমন একটি খবর ফেইজবুকে দেখে ঘটনার গভীরে না গিয়ে আবেগের ঠেলায় আপনি লাফাচ্ছেন আপনি ওই ডাক্তারের গোষ্ঠি উদ্ধার করছেন?
লক্ষ লোকের সমাগম থেকে ঘরে ফেরা(সন্দেহে) একজন লোকের স্ত্রীকে বিনা প্রোটেকশনে ভিজিট করার ব্যাপারে অনীহা প্রকাশ করার অধিকার ব্যাক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে একজন ডাক্তার রাখে তাই বলে আপনি এটা বোঝাবেন ঐ ডাক্তার ইসলাম বিদ্বেসী ওই ডাক্তার যোবায়ের হুজুরের বিরোধী ওই ডাক্তার আলেম সমাজের বিরোধী এটা তো সমর্থন যোগ্যনা। ডাক্তার কি আসলে আলেম সমাজের বিরোধী বা ইসলামের বিরোধী কিংবা জানাজার বিরোধী?
নাকি তিনি এই বিপজ্জনক জনসমাগমের বিষয়ে ব্যাক্তিগত নিরাপত্তার প্রশ্নে আতংকিত?
অতপর আপনি ঘটনার অপব্যাখ্যা দিয়ে গুজব ছড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেম উত্বপ্ত করে দুঃসময়ে চিকিৎসক সমাজের সাথে ধর্মপ্রান মানুষকে মুখোমুখি দাড় করিয়ে আসলে কি বুঝাতে ছেয়েছেন?
যদি প্রকৃত অর্থে ঐ ডাক্তার অন্যায় ভাবে ব্যাক্তিগত অহংকার থেকে একজন আলেমকে (শুধুমাত্র জানাজায় গিয়েছে সন্দেহে) অসম্মান করে থাকেন তবে এটা নিঃসন্দেহে অমানবিক কাজ এবং ঐ ডাক্তারের বর্বর চিন্তা আর নীতিহিন শিক্ষার ফসল। যা আপনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম উত্তপ্ত না করে সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জন অথবা উর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে জানাতে পারতেন। তা না করে আপনি উত্তপ্ত আগুনে কেরোসিন ঢেলে দিয়ে দূর্যোগ কবলিত জাতীর কি উপকার করতে চাইছেন বলুন ?
নাকি হাজারো আলেম উলামার পূর্ণভূমি ব্রাম্মনবাড়িয়া তুষের আগুনে জললে আপনি খুশি!
বলেন?
সুতরাং কোন কিছু ফেইজবুকে পেলাম আর খুচরা জনপ্রিয়তার জন্য ঘটনার গভীরে না গিয়ে কপি মেরে দিলাম এটাতো দায়িত্বশীল ব্যাক্তির আচরন হতে পারেনা।
আপনি যদি সত্যিকার দেশ প্রেমীক হয়ে থাকেন সত্যিকার ধর্মানুরাগি হয়ে থাকেন বা মানবতার সেবক হয়ে থাকেন তাহলে প্রথমে ভাবতে হবে আপনার এই এক্টিভিটিজ কি আসলে দেশ ধর্ম বা মানুষের কাজে লাগছে নাকি পরিবেশ অশান্ত হচ্ছে।

লেখকঃ
সাবেক সভাপতি
প্রেসক্লাব কার্যনির্বাহী সংসদ

সোনাইমুড়ি। নোয়াখালী

Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



web-ad

সর্বশেষ আপডেট





সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]

Developed BY Trustsoftbd