ADS170638-2

ন্যায় বিচারে সংশয় নয় বরং নিরাপত্তা নিয়ে সংঙ্কিত!

ইমাম হোসেন রাজন

দেশের প্রচলিত আইনানুযায়ী যে কোন অপরাধের সুষ্ট বিচার সম্ভব এবং সুষ্ট ভাবে ন্যায় বিচার কার্যকর করতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে রয়েছে বিচার বিভাগ। নিজেদের পক্ষে ন্যায় বিচার পেয়ে মন্তব্য প্রকাশ করছেন কেউ কেউ। কিন্তু বিষয়টা তেমন জটিল কিছুই না, জটিলতা বাঁধে তখনই যখন কোন এলাকা বা গ্রাম-অঞ্চলের ছোট খাটো বিষয়ে পাড়াপ্রতিবেশির সাথে মনবিরোধ হলে সেটার জেদ তুলতে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে রাজনীতির পরিচিতি কে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন এবং রাজনীতির মারপেছে জড়িয়ে দেওয়া। উঠতি তরুনদের অধিকাংশই রাজনীতিকদের সাথে নিজেদের পরিচিতি মজান শুধু মাত্র নিজেদের একটা দলীয় পরিচিতি পেশি শক্তি প্রয়োগে অনুমোদন পাওয়ার জন্য। উঠতি এসব তরুনদের পাতানো ধাবার ফাঁদে পা দিচ্ছেন রাজনীতিকরাও। অনুসারীদের এমন উদ্ভট চলাফেরায় কতজন নেতা তার অনুসারীদের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখেন নাকি অনুসারীদের ধৌয়া তুলসীপাতা মনে করে তাদের সব কথা যাচাই-বাচাই ছাড়াই বিশ্বাস করে নিজেদের গাঢ়ে কামড় বসান সে প্রশ্ন রেখেই গেলাম? উদারহণ স্বরুপ বলতে গেলে, গেলে বুধবার নোয়াখালী চাটখিল উপজেলাধীন একটি গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী পরিবারের দু’পক্ষের সংঘর্ষ বাঁধে এতে আহত হয় ৩জন। ঘটনার উত্তেজনার খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ দ্রুত পৌছায়। কিন্তু ঘটনাটি রাজনীতিকদের অনুসারীদের সাথে ঘটায় সেটার প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে একজন ওয়ারেন্টভুক্ত পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীর অনুসারী বলে চালিয়ে দেন। পুলিশও কোন তথ্য প্রমানাদি ছাড়াই তাদের ধৌয়া তুলসীপাতা ভেবে বিশ্বাস করে নেন। পরে অবশ্য যা ঘটেছে সেদিকে না ই গেলাম। পুলিশ অথবা তাদের রাজনৈতিক নেতারা কেউ হয়তো এখনো জানেন না গত বছরের পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই সংঘর্ষটা বাঁধে তাদের, এবং সেই ধাবার কামড় থাবায় পড়বেন নেতা নিজেই। যাই হোক নেতাদের উচিৎ অনুসারীদের যথাযথ ভাবে পরিচালন করা এবং তাদের অর্জিত সম্মান কর্মীদের হাতে তুলে না দেওয়া। অনন্ত নিশ্চিত ভাবে বলতে পারি অধিকাংশ নেতাই জানেন না কর্মীরা তাদের নেতার নাম কোথায় কিভাবে ব্যবহার করে পদস্খলন করছেন, কিভাব তিলে তিলে গড়ে তোলা সম্মান কর্মী রিক্সার ভাড়া কম দিয়ে ওমুক নেতার লোক বলে হুমকী দিয়ে বিলিন করছে! জনগণ রাজনীতিকদের সম্মান দেয় কেননা সেটা তার অর্জন কিন্তু রক্ষা তার নিজেকেই করতে হবে সেটা এখন অনেকেই ভাবেন না। ঘটনার শেষের দিকে যাই, এদিকে হামলাকারীরা একে প্রভাবশালী অন্যদিকে রাজনীতির পরিচিতি। তারপরেও ঘটনাটি সামাধান করতে দু’পক্ষের অভিভাবকগণ খুবই সচেষ্ট।কিন্তু কোন এক অলৌকিক কারনে সমাধানে বসছে না কেউই। জানা গেলো ভূতের বাতাস! নিরাপত্তাহীনতা কারণ সমাধানে বসলেও সেটা যে হস্তক্ষেপ হবে না সেটা যেমন অনিশ্চিত তেমনি পুনরায় হামলা চালাবে না সেটা দায়-ভার নিবেন কে? এভাবে প্রস্তাবক মধ্যস্থতার মাধ্যমে বার্তা আসছে যাচ্ছে। দু’জনই নির্বাচন করলেন থানায় নিরাপদ এমন অবস্থায়, কারণ সেখানে বহিরাগতরা হামলা চালানোর সাহস পাবে না। কিন্তু ভূত তো ভূতই..! ঐ যে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে নতুন ধাবার চালে হামলাকারীরা,তারা পুলিশের কাছে সন্ত্রাসীদের অনুসারী বলে অভিযোগ করেছে সেদিকে পুলিশ কতদূর এগিয়েছে?পুলিশ হয়তো ভুলে গেছে দু’পক্ষের জটলা বাঁধলে এমন হাজারো অভিযোগ আসে সেদিকে না কান দেওয়া। এতো প্রশ্নের উত্তর জানি দেওয়া কঠিন কিন্তু করেই গেলাম। জানা গেলো ভূক্তভোগী এবার উর্ধতন রাজনৈতিক নেতাদের কাছে স্বয়ং যাবেন বিস্তারিত জানিয়ে তাদের থেকে বসার গ্রিন সিগনাল পেলেই বসবেন। কিন্তু এরই মাঝে হামলাকারীদের হুন্ডাগিরি থামানোর ব্যবস্থা করা খুবই প্রয়োজন কারনে বহিরাগতদের হুন্ডাগিরিতে ফ ফ শব্দে ভীত হয়ে আছে এলাকাবাসী চারদিকে থমথমে অবস্থা। এবার বিচারের পরবর্তী অবস্থান, দু’পক্ষ সমাধানে বসলো কিন্তু এখানে ন্যায় বিচার পেয়ে ভুক্তভোগী সাময়িক আনন্দিত হলেও কিছুদিন পর পুনরায় ভিন্ন অযুহাতে হামলা চালাবে না সেই নিরাপত্তাটাও খুবই প্রয়োজন। কারন হাসলাকারীরা যেমন প্রভাবশালী তেমনি রাজনীতিকদের অনুসারী পরিচিতি, অবৈধ ক্ষমতা দখলে পেশি শক্তি প্রয়োগে অপচেষ্টা চালানো। যাই হোক মূলকথা হলো কাউকে ধৌয়া তুলসীপাতা না ভেবে দোষ-গুণ বিবেচনা করে ন্যায় বিচার করা যেমনি জরুরী ঠিক তেমনি ভাবে পরিবারটির ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার বিষয়ে সজাগ থাকা। শুরু তাই নয় রাজনীতিকদের কর্তব্য অনুসারীরা যেন তাদের নেতাকে নিজেদের হাতের অস্ত্র হিসেবে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ব্যবহার করতে না পারে সেদিকে নজর রাখা। তবেই প্রতিষ্ঠিত হবে একটি সুষ্ট ও নিরাপদ সমাজ ব্যবস্থা। সেটা নিশ্চিত করতে পারেন কেবল স্থানীয় রাজনীতির কান্ডারীগণ। তাদের দিকে তাকে একটি অসহায় সমাজ ব্যবস্থা।

লেখক: ইমাম হোসেন রাজন ,সাংবাদিক

Share Button

সর্বশেষ আপডেট



» সুবর্ণচরে পানি সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ১ জনের মৃত্যু

» সোনাইমুড়ীতে একুশে পরিবহনের ধাক্কায় ৩ মোটর বাইক আরোহী নিহত

» চৌমুহনীতে অগ্নিকান্ডে অর্ধশতাধিক দোকান পুড়ে ছাই, শত কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতির আশংকা

» পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফেলতি মুছাপুর রেগুলেটর বন্ধ: জলাবদ্ধতায় কৃষকের মাথায় হাত

» চাটখিলের কৃতি সন্তান ড. আজাদ বুলবুলের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন

» সোনাইমুড়ীতে স্কুল ছাত্রী অপহরণের পর ধর্ষণের ঘটনায় ইউপি সদস্য আটক

» সেনবাগে ১টি কুকুরের কামড়ে আহত ১৭

» বিআরটিসির এস্টেট অফিসার হিসেবে যোগদান করলেন কোম্পানীগঞ্জের কৃতি সন্তান আজগর

» রামগঞ্জের শাহাদাত হোসেন সেলিম সহ ৪ এলডিপি নেতা বিএনপিতে ফিরছেন

» অবশেষে ধান ক্ষেত থেকে উদ্ধার হওয়া লাশের পরিচয় মিলেছে

ফেইসবুকে প্রিয় নোয়াখালী

add pn
সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]
Desing & Developed BY Trust soft bd
ADS170638-2
,

ন্যায় বিচারে সংশয় নয় বরং নিরাপত্তা নিয়ে সংঙ্কিত!

ইমাম হোসেন রাজন

দেশের প্রচলিত আইনানুযায়ী যে কোন অপরাধের সুষ্ট বিচার সম্ভব এবং সুষ্ট ভাবে ন্যায় বিচার কার্যকর করতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে রয়েছে বিচার বিভাগ। নিজেদের পক্ষে ন্যায় বিচার পেয়ে মন্তব্য প্রকাশ করছেন কেউ কেউ। কিন্তু বিষয়টা তেমন জটিল কিছুই না, জটিলতা বাঁধে তখনই যখন কোন এলাকা বা গ্রাম-অঞ্চলের ছোট খাটো বিষয়ে পাড়াপ্রতিবেশির সাথে মনবিরোধ হলে সেটার জেদ তুলতে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে রাজনীতির পরিচিতি কে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন এবং রাজনীতির মারপেছে জড়িয়ে দেওয়া। উঠতি তরুনদের অধিকাংশই রাজনীতিকদের সাথে নিজেদের পরিচিতি মজান শুধু মাত্র নিজেদের একটা দলীয় পরিচিতি পেশি শক্তি প্রয়োগে অনুমোদন পাওয়ার জন্য। উঠতি এসব তরুনদের পাতানো ধাবার ফাঁদে পা দিচ্ছেন রাজনীতিকরাও। অনুসারীদের এমন উদ্ভট চলাফেরায় কতজন নেতা তার অনুসারীদের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখেন নাকি অনুসারীদের ধৌয়া তুলসীপাতা মনে করে তাদের সব কথা যাচাই-বাচাই ছাড়াই বিশ্বাস করে নিজেদের গাঢ়ে কামড় বসান সে প্রশ্ন রেখেই গেলাম? উদারহণ স্বরুপ বলতে গেলে, গেলে বুধবার নোয়াখালী চাটখিল উপজেলাধীন একটি গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী পরিবারের দু’পক্ষের সংঘর্ষ বাঁধে এতে আহত হয় ৩জন। ঘটনার উত্তেজনার খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ দ্রুত পৌছায়। কিন্তু ঘটনাটি রাজনীতিকদের অনুসারীদের সাথে ঘটায় সেটার প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে একজন ওয়ারেন্টভুক্ত পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীর অনুসারী বলে চালিয়ে দেন। পুলিশও কোন তথ্য প্রমানাদি ছাড়াই তাদের ধৌয়া তুলসীপাতা ভেবে বিশ্বাস করে নেন। পরে অবশ্য যা ঘটেছে সেদিকে না ই গেলাম। পুলিশ অথবা তাদের রাজনৈতিক নেতারা কেউ হয়তো এখনো জানেন না গত বছরের পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই সংঘর্ষটা বাঁধে তাদের, এবং সেই ধাবার কামড় থাবায় পড়বেন নেতা নিজেই। যাই হোক নেতাদের উচিৎ অনুসারীদের যথাযথ ভাবে পরিচালন করা এবং তাদের অর্জিত সম্মান কর্মীদের হাতে তুলে না দেওয়া। অনন্ত নিশ্চিত ভাবে বলতে পারি অধিকাংশ নেতাই জানেন না কর্মীরা তাদের নেতার নাম কোথায় কিভাবে ব্যবহার করে পদস্খলন করছেন, কিভাব তিলে তিলে গড়ে তোলা সম্মান কর্মী রিক্সার ভাড়া কম দিয়ে ওমুক নেতার লোক বলে হুমকী দিয়ে বিলিন করছে! জনগণ রাজনীতিকদের সম্মান দেয় কেননা সেটা তার অর্জন কিন্তু রক্ষা তার নিজেকেই করতে হবে সেটা এখন অনেকেই ভাবেন না। ঘটনার শেষের দিকে যাই, এদিকে হামলাকারীরা একে প্রভাবশালী অন্যদিকে রাজনীতির পরিচিতি। তারপরেও ঘটনাটি সামাধান করতে দু’পক্ষের অভিভাবকগণ খুবই সচেষ্ট।কিন্তু কোন এক অলৌকিক কারনে সমাধানে বসছে না কেউই। জানা গেলো ভূতের বাতাস! নিরাপত্তাহীনতা কারণ সমাধানে বসলেও সেটা যে হস্তক্ষেপ হবে না সেটা যেমন অনিশ্চিত তেমনি পুনরায় হামলা চালাবে না সেটা দায়-ভার নিবেন কে? এভাবে প্রস্তাবক মধ্যস্থতার মাধ্যমে বার্তা আসছে যাচ্ছে। দু’জনই নির্বাচন করলেন থানায় নিরাপদ এমন অবস্থায়, কারণ সেখানে বহিরাগতরা হামলা চালানোর সাহস পাবে না। কিন্তু ভূত তো ভূতই..! ঐ যে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে নতুন ধাবার চালে হামলাকারীরা,তারা পুলিশের কাছে সন্ত্রাসীদের অনুসারী বলে অভিযোগ করেছে সেদিকে পুলিশ কতদূর এগিয়েছে?পুলিশ হয়তো ভুলে গেছে দু’পক্ষের জটলা বাঁধলে এমন হাজারো অভিযোগ আসে সেদিকে না কান দেওয়া। এতো প্রশ্নের উত্তর জানি দেওয়া কঠিন কিন্তু করেই গেলাম। জানা গেলো ভূক্তভোগী এবার উর্ধতন রাজনৈতিক নেতাদের কাছে স্বয়ং যাবেন বিস্তারিত জানিয়ে তাদের থেকে বসার গ্রিন সিগনাল পেলেই বসবেন। কিন্তু এরই মাঝে হামলাকারীদের হুন্ডাগিরি থামানোর ব্যবস্থা করা খুবই প্রয়োজন কারনে বহিরাগতদের হুন্ডাগিরিতে ফ ফ শব্দে ভীত হয়ে আছে এলাকাবাসী চারদিকে থমথমে অবস্থা। এবার বিচারের পরবর্তী অবস্থান, দু’পক্ষ সমাধানে বসলো কিন্তু এখানে ন্যায় বিচার পেয়ে ভুক্তভোগী সাময়িক আনন্দিত হলেও কিছুদিন পর পুনরায় ভিন্ন অযুহাতে হামলা চালাবে না সেই নিরাপত্তাটাও খুবই প্রয়োজন। কারন হাসলাকারীরা যেমন প্রভাবশালী তেমনি রাজনীতিকদের অনুসারী পরিচিতি, অবৈধ ক্ষমতা দখলে পেশি শক্তি প্রয়োগে অপচেষ্টা চালানো। যাই হোক মূলকথা হলো কাউকে ধৌয়া তুলসীপাতা না ভেবে দোষ-গুণ বিবেচনা করে ন্যায় বিচার করা যেমনি জরুরী ঠিক তেমনি ভাবে পরিবারটির ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার বিষয়ে সজাগ থাকা। শুরু তাই নয় রাজনীতিকদের কর্তব্য অনুসারীরা যেন তাদের নেতাকে নিজেদের হাতের অস্ত্র হিসেবে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ব্যবহার করতে না পারে সেদিকে নজর রাখা। তবেই প্রতিষ্ঠিত হবে একটি সুষ্ট ও নিরাপদ সমাজ ব্যবস্থা। সেটা নিশ্চিত করতে পারেন কেবল স্থানীয় রাজনীতির কান্ডারীগণ। তাদের দিকে তাকে একটি অসহায় সমাজ ব্যবস্থা।

লেখক: ইমাম হোসেন রাজন ,সাংবাদিক

Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



web-ad

সর্বশেষ আপডেট





সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]

Developed BY Trustsoftbd