রামগঞ্জে চেয়ারম্যানের অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ


আবু তাহেেরঃ
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ৯নং ভোলাকোট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বশির আহম্মদ মানিকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে সদস্যদের অনান্থা প্রস্তাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা গত ২৮ আগষ্ট তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল এবং অভিযোগের সত্যতা পেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহনের জন্য উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের নিকট প্রেরন করেছেন।
সূত্রে জানা যায়,ভোলাকোট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বশির আহম্মদ মানিকের বিরুদ্ধে একই পরিষদের ১২জন সদস্যের মধ্যে ১০জন সদস্য ক্ষমতার অপব্যবহার,কর্তব্যে অবহেলা,দূনর্ীতি, ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে সরকারী টাকা আত্নসাৎ ও কুশাসনের অভিযোগে তুলে ৩ আগষ্ট রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপ্তি চাকমা বরাবর লিখিত ভাবে অনাস্থা প্রস্তাব করেন। উক্ত অভিযোগের আলোকে নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসারকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসাবে মনোনীত করেন। তদন্ত কর্মকর্তা ২৫ আগষ্ট স্বশরীরে পরিষদে উপস্থিত হয়ে সচিব সাকের হোসেন ও সদস্যদের উপস্থিতিতে তদন্তকার্য পরিচালনা করে। চেয়ারম্যান মেসার্স ফাহাদ ব্রিকস লাইসেন্স বাবত ২৩হাজার টাকা নিয়ে সরকারী কোষাগারে ৫ হাজার টাকা জমা দেখান। এভাবে ১২টি ইটভাটার থেকে ট্রেড লাইসেন্স বাবত ১১লক্ষ ২৮ হাজার টাকার স্থলে ৪লক্ষ ৪৩হাজার ৩শত টাকা সরকারী কোষাগারে জমা দেন। নাম্বার প্লেট বাবত ১১লক্ষ ২০ হাজার টাকার একটাকাও সরকারী কোষাগারে জমা দেয়নি। বিধি বর্হিভুতভাবে চেয়ারম্যান নিজে ও ২জন সদস্য দিয়ে ২০২০-২১ অর্থবছরে এলজিএসপির ১৫টি প্রকল্প কমিটি গঠন করেন। এছাড়াও ইউপি মেম্বারদের ভাতা দীর্ঘদিন পর্যন্ত বকেয়া রেখে চেয়ারম্যান বশির আহম্মেদ মানিক সব টাকা একাই লুটপাটের মাধ্যমে আত্নসাত করেন। আর্থিকসহ বিভিন্ন অনিয়ম পেয়ে তদন্ত কর্মকর্তা বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করে ২৭ আগষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকট তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।
ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সাকের হোসেন জানান, চেয়ারম্যান লাইসেন্স বাবত টাকা আদায়ের বই নিজের কাছে রেখে টাকা আদায় করতেন। পরবর্তিতে মুড়ি কপি অনুযায়ী যে টাকা দিতেন আমি তা ব্যাংকে জমা দিতাম। তিনি যে লাইসেন্সের গ্রাহক কপিতে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে মুড়ি কপিতে কম লিখতেন তা আমার জানা ছিল না। সরকারী প্রকল্প বাস্তবায়নে বিধিমোতাবেক সভা গুলো হয়নি এটা সত্য।
তদন্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় অফিসার হিমাংসু বনিক জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনাস্থা প্রস্তাবের আবেদনের অভিযোগ গুলির কয়েকটি অভিযোগ তদন্তের জন্য আমাকে মনোনীত করেন। আমি আগষ্ট তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে সরকারী বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থ গ্রহনের জন্য উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে ।

Share Button

সর্বশেষ আপডেট



» চাটখিলের রামনারায়নপুরে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

» আবারও দক্ষিণ আফ্রিকায় ডাকাতের গুলিতে নোয়াখালীর যুবক খুন

» রামগঞ্জে কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বিধবার উপর হামলা

» এএসপি পদোন্নতিতে লিটনকে চাটখিলে সংবর্ধনা

» বেগমগঞ্জে মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীকে বলৎকার, ২ কিশোর আটক

» চাটখিল ও সোনাইমুড়ীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও অনুদান দিলেন জাহাঙ্গীর আলম 

» ধর্ষকদের জন্য আ’লীগের দরজা চিরতরে বন্ধ:ওবায়দুল কাদের

» বাহরাইনে সড়ক দূর্ঘটনায় সেনবাগের হিরন নিহত

» চাটখিলে ধর্ষক শরীফের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে জনতার মানববন্ধন

» গুলি ফুটিয়ে ভয় দেখিয়ে আরেক নারীকে ধর্ষন যুবলীগ নেতা শরীফের

ফেইসবুকে প্রিয় নোয়াখালী

সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]
Desing & Developed BY Trust soft bd
,

রামগঞ্জে চেয়ারম্যানের অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ


আবু তাহেেরঃ
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ৯নং ভোলাকোট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বশির আহম্মদ মানিকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে সদস্যদের অনান্থা প্রস্তাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা গত ২৮ আগষ্ট তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল এবং অভিযোগের সত্যতা পেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহনের জন্য উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের নিকট প্রেরন করেছেন।
সূত্রে জানা যায়,ভোলাকোট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বশির আহম্মদ মানিকের বিরুদ্ধে একই পরিষদের ১২জন সদস্যের মধ্যে ১০জন সদস্য ক্ষমতার অপব্যবহার,কর্তব্যে অবহেলা,দূনর্ীতি, ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে সরকারী টাকা আত্নসাৎ ও কুশাসনের অভিযোগে তুলে ৩ আগষ্ট রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপ্তি চাকমা বরাবর লিখিত ভাবে অনাস্থা প্রস্তাব করেন। উক্ত অভিযোগের আলোকে নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসারকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসাবে মনোনীত করেন। তদন্ত কর্মকর্তা ২৫ আগষ্ট স্বশরীরে পরিষদে উপস্থিত হয়ে সচিব সাকের হোসেন ও সদস্যদের উপস্থিতিতে তদন্তকার্য পরিচালনা করে। চেয়ারম্যান মেসার্স ফাহাদ ব্রিকস লাইসেন্স বাবত ২৩হাজার টাকা নিয়ে সরকারী কোষাগারে ৫ হাজার টাকা জমা দেখান। এভাবে ১২টি ইটভাটার থেকে ট্রেড লাইসেন্স বাবত ১১লক্ষ ২৮ হাজার টাকার স্থলে ৪লক্ষ ৪৩হাজার ৩শত টাকা সরকারী কোষাগারে জমা দেন। নাম্বার প্লেট বাবত ১১লক্ষ ২০ হাজার টাকার একটাকাও সরকারী কোষাগারে জমা দেয়নি। বিধি বর্হিভুতভাবে চেয়ারম্যান নিজে ও ২জন সদস্য দিয়ে ২০২০-২১ অর্থবছরে এলজিএসপির ১৫টি প্রকল্প কমিটি গঠন করেন। এছাড়াও ইউপি মেম্বারদের ভাতা দীর্ঘদিন পর্যন্ত বকেয়া রেখে চেয়ারম্যান বশির আহম্মেদ মানিক সব টাকা একাই লুটপাটের মাধ্যমে আত্নসাত করেন। আর্থিকসহ বিভিন্ন অনিয়ম পেয়ে তদন্ত কর্মকর্তা বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করে ২৭ আগষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকট তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।
ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সাকের হোসেন জানান, চেয়ারম্যান লাইসেন্স বাবত টাকা আদায়ের বই নিজের কাছে রেখে টাকা আদায় করতেন। পরবর্তিতে মুড়ি কপি অনুযায়ী যে টাকা দিতেন আমি তা ব্যাংকে জমা দিতাম। তিনি যে লাইসেন্সের গ্রাহক কপিতে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে মুড়ি কপিতে কম লিখতেন তা আমার জানা ছিল না। সরকারী প্রকল্প বাস্তবায়নে বিধিমোতাবেক সভা গুলো হয়নি এটা সত্য।
তদন্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় অফিসার হিমাংসু বনিক জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনাস্থা প্রস্তাবের আবেদনের অভিযোগ গুলির কয়েকটি অভিযোগ তদন্তের জন্য আমাকে মনোনীত করেন। আমি আগষ্ট তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে সরকারী বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থ গ্রহনের জন্য উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে ।

Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



web-ad

সর্বশেষ আপডেট





সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]

Developed BY Trustsoftbd