গৃহবধুকে বর্বর নির্যাতনের মুল হোতা যুবলীগ নেতা দেলোয়ারের নাম এজাহারে নেই! প্রতিবাদের ঝড়

আকবর হোসেন সোহাগঃ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে কু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মধ্যযুগীয় কায়দায় স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে নিজ ঘরে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় রোববার রাত ১টায় নয়জন কে বিবাদী করে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় পৃথক ২ টি মামলা দায়ের করেন নির্যাতিতা ।একটি নারী ও শিশু নিযার্তন অপরটি আইসিটি আইনে।পুলিশ রোববার রাত ১১ টায় এলাকার মোহর আলী মুন্সি বাড়ির মৃত আঃ রহিমের ছেলে রহমত উল্লা (৪০) কে গ্রেফতার করে ।এর আগে বিকেলে একলাশপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকার হারাধন ভুইয়া বাড়ির শেখ আহমদ দুলালের ছেলে আঃ রহিম (২০) কে গ্রেফতার করে পুলিশ।রাতে প্রধান আসামী বাদলকে ঢাকা কামরাঙ্গীর এবং দেলোয়ারকে অস্ত্রসহ নারায়নগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। এ নিয়ে গ্রেফতারের সংখ্যা দঁাড়াল ৪ জনে।এদিকে ঘটনার প্রধান হোতা যুবলীগ নেতা দেলোয়ারকে মামলার এজাহার থেকে বাদ দেয়ায় সর্বত্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।অপর দিকে গ্রেফতার কৃত আবদুর রহিম ও রহমত উল্যাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।তাদের ২ জনকে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে বলে বেগমগঞ্জ থানা সূত্রে জানাগেছে।
উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকার নূর ইসলাম মিয়ার মেয়ের সাথে স্বামীর মনমালিন্য ছিলো দীর্ঘদিন। এ সুযোগে স্থানীয় বাদল ও দেলোয়ারের নেতৃত্বে এলাকার, রহিম, কালাম ও তাদের সহযোগীরা ওই মহিলাকে কু প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে ওই গৃহবধুর স্বামী শশুর বাড়িতে আসে। তারা ঘরে অবস্থান করা কালে স্বামীসহ গৃহবধুকে আটক করে অভিযুক্তরা ব্যাপক নির্যাতন চালায়। তারা স্বামীকে বেঁধে রেখে অবৈধ সম্পর্কের কথা বলে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করে। এ সময় তার বিবস্ত্র নির্যাতনের নগ্ন ভিডিও ধারন করে রাখে নির্যাতনকারীরা।তার পর থেকে পুরো পরিবার কে অবরুদ্ধ করে তারা।এক পর্যায়ে তাদের বাড়ি ঘর ছাড়তে বাধ্য করে। ঘটনার ৩২ দিন পর ৪ অক্টোবর রোববার ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিবস্ত্র নির্যাতনের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হলে সর্বত্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়। টনক নড়ে স্থানীয় প্রশাসনের। দিনভর পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় । নির্যাতনকারীরা সরকারি দলের হওয়ায় ভয়ে কেউ কথা বলতে রাজি হচ্ছেনা । তাই ঘটনার ৩২ দিন অতিবাহিত হলেও ভুক্তভোগি পরিবার এ ঘটনায় থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করতে পারেনি। ভয়ে ভিকটিম তার ভাইয়ের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয়।গত রোববার সর্বত্র প্রতিবাদের মুখে পুলিশের সহযোগীতায় নির্যাতিতা বাদী হয়ে রাত ১ টায় পৃথক ২ টি মামলা দায়ের করে।
মামলার আসামীরা হচ্ছেনÑ ১) মধ্যম একলাস পুরের রহমত উল্যার ছেলে বাদল(২২), ২)জয়কৃষ্ণ পুরের শেখ আহমদের ছেলে রহিম(২০), ৩)খালপাড় এলাকার জুলফিকার আলীর ছেলে আবদুল কালাম(২২),৪)মধ্যম একলাশ পুরের আমিন উল্যার ছেলে ইস্রাফিল হোসেন(২০), ৫)পূর্ব একলাস পুরের লোকমান মিয়ার ছেলে সাজু (২১),৬)একই গ্রামের নেয়ামত উল্যার ছেলে শামছুদ্দিন সুমন(৩৯)৭) খালপাড়ের আবদুল জলিলের ছেলে আবদুর রব ওরফে চৌধুরী(৪৮), ৮) একইগ্রামের মৃত মোস্তফা মিয়ার ছেলে আরিফ (১৮) ৯) একই গ্রামের মৃত আবদুল করিমের ছেলে রহমত উল্যা(৪১)।
বাদী তার এজাহারে উল্লেখ করেন, ঘটনার রাতে অভিযুক্তরা তার ঘরের ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ তার স্বামীকে মারধর করে বেধেঁ ফেলে।তাকে পাশের রুমে নিয়ে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে তার পরনের কাপড় খুলে ধর্ষণের চেস্টা চালায়।বাদীকে উলঙ্গ করে মোবাইলে ভিডিওচিত্র ধারণ করে এবং শরীরের লজ্জাস্থানে হাত দেয়।পরবর্তীতে অভিযুক্তরা মোবাইল ফোনে কু প্রস্তাব দেয় এতে রাজি না হওয়ায় ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়।মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ২০০০ এর ২২ ধারামতে রুজ্জু হয়।

,কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বর্বর নিযার্তন
এদিকে ভিকটিম জানান, আমাকে মোবাইল ফোনে কুপ্রস্তাব দেয়া হয় ও পরবতর্ীতে দেলোয়ার আমাকে ইয়াবা ব্যবসা করতে বলে এতে ব্যর্থ হয়ে আমার উপর নির্যাতন চালানো হয় এবং ভিডিও ফেসবুকে ছেড়ে দেয়া হয়।আমার চিৎকার আশপাশের সবাই শুনলেও কেউ ভয়ে এগিয়ে আসেনি।তারা আমাকে হুমকি দিয়ে ভিটে বাড়ী ছাড়া করে।নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন জানান, গৃহবধুকে নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা।ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে এবং নির্যাতিতা পরিবারকে আইনি সহযোগীতা দিতে জেলা পুলিশের ৫টি ইউনিট মাঠে কাজ করছে বলেও তিনি জানান। বেগমগঞ্জ মডেল ওসি থানার ওসি হারুনুর রশিদ জানান,গ্রেফতারকৃত রহমত উল্যা ও আবদুর রহিমকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ।তাদের প্রত্যেককে ৭দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।
নিন্দার ঝড়
এদিকে এ বর্বর নির্যাতনের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ দেশব্যাপী প্রতিবাদের ঝড় উঠে।নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আলাউদ্দিন,সাধারন সম্পাদক নিজাম উদ্দিন ফারুক,সহকারী সাধারন সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা বোরহান উদ্দিন, নায়েবে আমির এছাক খন্দকার,নোয়াখালী শহর নায়েবে আমির মাওলানা মোঃ ইউছুফ,বেগমগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মোঃ দেলোয়ার হোসেন,একলাশপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির গিয়াস উদ্দিন মেম্বার এঘটানর তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত শাস্তির দাবী জানান।এদিকে যুবদলের জেলা সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমন ,জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আজগর উদ্দিন দুখু,সাধারন সম্পাদক আবু হাসান নোমান, এঘটনার তীব্র নিন্দা জানান।অপর দিকে নোয়াখালী প্রেসক্লাব ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে নিরাপদ সড়ক চাই,নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি,ছাত্র অধিকার পরিষদ,এনআরডিএস সহ ৮/১০ টি সামাজিক সংঘঠন মানববন্ধন ও সমাবেশ করে।তারা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।

Share Button

সর্বশেষ আপডেট



» চাটখিলের রামনারায়নপুরে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

» আবারও দক্ষিণ আফ্রিকায় ডাকাতের গুলিতে নোয়াখালীর যুবক খুন

» রামগঞ্জে কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বিধবার উপর হামলা

» এএসপি পদোন্নতিতে লিটনকে চাটখিলে সংবর্ধনা

» বেগমগঞ্জে মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীকে বলৎকার, ২ কিশোর আটক

» চাটখিল ও সোনাইমুড়ীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও অনুদান দিলেন জাহাঙ্গীর আলম 

» ধর্ষকদের জন্য আ’লীগের দরজা চিরতরে বন্ধ:ওবায়দুল কাদের

» বাহরাইনে সড়ক দূর্ঘটনায় সেনবাগের হিরন নিহত

» চাটখিলে ধর্ষক শরীফের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে জনতার মানববন্ধন

» গুলি ফুটিয়ে ভয় দেখিয়ে আরেক নারীকে ধর্ষন যুবলীগ নেতা শরীফের

ফেইসবুকে প্রিয় নোয়াখালী

সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]
Desing & Developed BY Trust soft bd
,

গৃহবধুকে বর্বর নির্যাতনের মুল হোতা যুবলীগ নেতা দেলোয়ারের নাম এজাহারে নেই! প্রতিবাদের ঝড়

আকবর হোসেন সোহাগঃ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে কু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মধ্যযুগীয় কায়দায় স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে নিজ ঘরে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় রোববার রাত ১টায় নয়জন কে বিবাদী করে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় পৃথক ২ টি মামলা দায়ের করেন নির্যাতিতা ।একটি নারী ও শিশু নিযার্তন অপরটি আইসিটি আইনে।পুলিশ রোববার রাত ১১ টায় এলাকার মোহর আলী মুন্সি বাড়ির মৃত আঃ রহিমের ছেলে রহমত উল্লা (৪০) কে গ্রেফতার করে ।এর আগে বিকেলে একলাশপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকার হারাধন ভুইয়া বাড়ির শেখ আহমদ দুলালের ছেলে আঃ রহিম (২০) কে গ্রেফতার করে পুলিশ।রাতে প্রধান আসামী বাদলকে ঢাকা কামরাঙ্গীর এবং দেলোয়ারকে অস্ত্রসহ নারায়নগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। এ নিয়ে গ্রেফতারের সংখ্যা দঁাড়াল ৪ জনে।এদিকে ঘটনার প্রধান হোতা যুবলীগ নেতা দেলোয়ারকে মামলার এজাহার থেকে বাদ দেয়ায় সর্বত্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।অপর দিকে গ্রেফতার কৃত আবদুর রহিম ও রহমত উল্যাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।তাদের ২ জনকে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে বলে বেগমগঞ্জ থানা সূত্রে জানাগেছে।
উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকার নূর ইসলাম মিয়ার মেয়ের সাথে স্বামীর মনমালিন্য ছিলো দীর্ঘদিন। এ সুযোগে স্থানীয় বাদল ও দেলোয়ারের নেতৃত্বে এলাকার, রহিম, কালাম ও তাদের সহযোগীরা ওই মহিলাকে কু প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে ওই গৃহবধুর স্বামী শশুর বাড়িতে আসে। তারা ঘরে অবস্থান করা কালে স্বামীসহ গৃহবধুকে আটক করে অভিযুক্তরা ব্যাপক নির্যাতন চালায়। তারা স্বামীকে বেঁধে রেখে অবৈধ সম্পর্কের কথা বলে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করে। এ সময় তার বিবস্ত্র নির্যাতনের নগ্ন ভিডিও ধারন করে রাখে নির্যাতনকারীরা।তার পর থেকে পুরো পরিবার কে অবরুদ্ধ করে তারা।এক পর্যায়ে তাদের বাড়ি ঘর ছাড়তে বাধ্য করে। ঘটনার ৩২ দিন পর ৪ অক্টোবর রোববার ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিবস্ত্র নির্যাতনের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হলে সর্বত্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়। টনক নড়ে স্থানীয় প্রশাসনের। দিনভর পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় । নির্যাতনকারীরা সরকারি দলের হওয়ায় ভয়ে কেউ কথা বলতে রাজি হচ্ছেনা । তাই ঘটনার ৩২ দিন অতিবাহিত হলেও ভুক্তভোগি পরিবার এ ঘটনায় থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করতে পারেনি। ভয়ে ভিকটিম তার ভাইয়ের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয়।গত রোববার সর্বত্র প্রতিবাদের মুখে পুলিশের সহযোগীতায় নির্যাতিতা বাদী হয়ে রাত ১ টায় পৃথক ২ টি মামলা দায়ের করে।
মামলার আসামীরা হচ্ছেনÑ ১) মধ্যম একলাস পুরের রহমত উল্যার ছেলে বাদল(২২), ২)জয়কৃষ্ণ পুরের শেখ আহমদের ছেলে রহিম(২০), ৩)খালপাড় এলাকার জুলফিকার আলীর ছেলে আবদুল কালাম(২২),৪)মধ্যম একলাশ পুরের আমিন উল্যার ছেলে ইস্রাফিল হোসেন(২০), ৫)পূর্ব একলাস পুরের লোকমান মিয়ার ছেলে সাজু (২১),৬)একই গ্রামের নেয়ামত উল্যার ছেলে শামছুদ্দিন সুমন(৩৯)৭) খালপাড়ের আবদুল জলিলের ছেলে আবদুর রব ওরফে চৌধুরী(৪৮), ৮) একইগ্রামের মৃত মোস্তফা মিয়ার ছেলে আরিফ (১৮) ৯) একই গ্রামের মৃত আবদুল করিমের ছেলে রহমত উল্যা(৪১)।
বাদী তার এজাহারে উল্লেখ করেন, ঘটনার রাতে অভিযুক্তরা তার ঘরের ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ তার স্বামীকে মারধর করে বেধেঁ ফেলে।তাকে পাশের রুমে নিয়ে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে তার পরনের কাপড় খুলে ধর্ষণের চেস্টা চালায়।বাদীকে উলঙ্গ করে মোবাইলে ভিডিওচিত্র ধারণ করে এবং শরীরের লজ্জাস্থানে হাত দেয়।পরবর্তীতে অভিযুক্তরা মোবাইল ফোনে কু প্রস্তাব দেয় এতে রাজি না হওয়ায় ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়।মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ২০০০ এর ২২ ধারামতে রুজ্জু হয়।

,কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বর্বর নিযার্তন
এদিকে ভিকটিম জানান, আমাকে মোবাইল ফোনে কুপ্রস্তাব দেয়া হয় ও পরবতর্ীতে দেলোয়ার আমাকে ইয়াবা ব্যবসা করতে বলে এতে ব্যর্থ হয়ে আমার উপর নির্যাতন চালানো হয় এবং ভিডিও ফেসবুকে ছেড়ে দেয়া হয়।আমার চিৎকার আশপাশের সবাই শুনলেও কেউ ভয়ে এগিয়ে আসেনি।তারা আমাকে হুমকি দিয়ে ভিটে বাড়ী ছাড়া করে।নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন জানান, গৃহবধুকে নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা।ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে এবং নির্যাতিতা পরিবারকে আইনি সহযোগীতা দিতে জেলা পুলিশের ৫টি ইউনিট মাঠে কাজ করছে বলেও তিনি জানান। বেগমগঞ্জ মডেল ওসি থানার ওসি হারুনুর রশিদ জানান,গ্রেফতারকৃত রহমত উল্যা ও আবদুর রহিমকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ।তাদের প্রত্যেককে ৭দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।
নিন্দার ঝড়
এদিকে এ বর্বর নির্যাতনের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ দেশব্যাপী প্রতিবাদের ঝড় উঠে।নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আলাউদ্দিন,সাধারন সম্পাদক নিজাম উদ্দিন ফারুক,সহকারী সাধারন সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা বোরহান উদ্দিন, নায়েবে আমির এছাক খন্দকার,নোয়াখালী শহর নায়েবে আমির মাওলানা মোঃ ইউছুফ,বেগমগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মোঃ দেলোয়ার হোসেন,একলাশপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির গিয়াস উদ্দিন মেম্বার এঘটানর তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত শাস্তির দাবী জানান।এদিকে যুবদলের জেলা সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমন ,জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আজগর উদ্দিন দুখু,সাধারন সম্পাদক আবু হাসান নোমান, এঘটনার তীব্র নিন্দা জানান।অপর দিকে নোয়াখালী প্রেসক্লাব ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে নিরাপদ সড়ক চাই,নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি,ছাত্র অধিকার পরিষদ,এনআরডিএস সহ ৮/১০ টি সামাজিক সংঘঠন মানববন্ধন ও সমাবেশ করে।তারা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।

Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



web-ad

সর্বশেষ আপডেট





সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]

Developed BY Trustsoftbd