মুক্তমতঃ প্রহসনের লকডাউন ও আমাদের ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট

গোলাম রহমান দুর্জয়ঃ
সারা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে হঠাৎ চেপে বসা জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে সরকার ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কমিটি গঠন করে। সরকারের মন্ত্রী-আমলারা যতই এক্সপার্ট কিংবা চাপাবাজ হোক না কেন জাতীয় দুর্যোগে ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কমিটির সুপারিশে দুর্যোগ মোকাবেলায় বড় বড় সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণ করা হয়।

যদিও প্রথাগতভাবে আমাদের দেশের সরকারগুলো পরিচালিত হয় জগাখিচুড়ী মার্কা মন্ত্রিপরিষদ দিয়ে।
যেমন ইতিহাসে বিভাগ থেকে পাস করা লোক স্বাস্থ্যমন্ত্রী কিংবা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্র বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী হতে কোন বাধা নেই।
তদুপরি ও যেহেতু জাতীয় দুর্যোগ মানুষের জীবন মরণের প্রশ্ন তোলে সেহেতু এই দুর্যোগ মোকাবেলায় জগাখিচুড়ী মন্ত্রিপরিষদের মত জনগণের সাথে তামাশা না করাই উত্তম। অন্তত এই সময়ের জন্য স্ব-স্ব বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি করা জরুরি ছিল।।

কিন্তু তা না করে সুবিধাভোগী পরগাছা সিন্ডিকেটের পরামর্শে চলছে আমাদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম।
ক্ষণে ক্ষণে বদলে যাচ্ছে আমাদের দেশের লকডাউন চরিত্র।
এটা বন্ধ ওটা খোলা, ওটা বন্ধ এটা খোলার সিদ্ধান্ত জনগণের মাথায় চাপিয়ে গুটি কয়েক শ্রেণীর পুঁজির পুটলি ভারী করে বাকিদের অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া ছাড়া আমাদের লকডাউন থেকে বিশেষ কোন সুবিধা অন্তত তারা পায়নি যাদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে লকডাউন দেওয়া হয়েছে।

পরিবহন ও গণপরিবহন বিষয়ে সরকারের দ্বৈত আচরণ অনভিজ্ঞ ও অপরিপক্ক সিদ্ধান্তের ফসল। কল-কারখানা , অফিস-আদালত , ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ খোলার সিদ্ধান্তের ব্যাপারেও একই নিয়ম প্রতিফলিত হয়েছে।
আমরা গত একটি বছর ধরে দেখে আসছি লকডাউন মানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে , গরিবের রিকশার প্যাডেল চলবেনা, ধান কাটার শ্রমিকরা এক জেলা থেকে আরেক জেলায় যেতে পারবেনা , মন্ত্রী-আমলারা সচিবালয়ে না গিয়ে বাসভবনে বসে বসে ভার্চুয়াল অফিস পরিচালনা করবে ,
কিন্তু রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ ,ভোটের আনুষ্ঠানিকতা আর নেতাদের গাড়িবহর ঠিকঠাক চলবে, দান অনুদান ও ত্রাণ বিতরণের নামে রাজনৈতিক স্ট্যান্ডবাজির জনসমাগম চলবে।

গণপরিবহন চালু থাকলে করোনা ছড়িয়ে যাবে, কিন্তু লোকাল বাসে একজনের জায়গায় তিনজন গাদাগাদি করে বারবার গাড়ি চেঞ্জ করে ভেঙ্গে ভেঙ্গে তিন ডাবল ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে পৌছালে করোনা ক্লান্ত হয়ে রাস্তায় মরে যাবে!
সবকিছু খোলা থাকবে ফেরি বন্ধ থাকবে , আবার ফেরি খুলবে , বিশাল জনসমষ্টির চাপ প্রতিরোধে সেখানে থাকবে না কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই জাতীয় পরামর্শ কেবল অর্বাচীন বিশেষজ্ঞরাই দিতে পারে।

এইসব বিষয়ে জনগণের কোন দায় নাই এমনটি ভাবার সুযোগ নেই। কিন্তু জনসাধারণকে সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিচালনা করার দায় রাষ্ট্র এড়িয়ে যেতে পারে না।

আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই দুর্যোগ থেকে উত্তরণের জন্য যথেষ্ট আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু বাংলাদেশের সরকার ও প্রশাসনের প্রথাগত বৃত্ত থেকে বের না হয়ে গতানুগতিক ও সনাতন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা দিয়ে অন্ততপক্ষে করোনাকালীন দুঃসময় সঠিকভাবে মোকাবেলা করা সম্ভব না।

নিঃসন্দেহে এই দুর্যোগে বিশেষ শ্রেণীর সুবিধাভোগী গোষ্ঠী ব্যতীত দেশের প্রতিটি সেক্টরের সম্মূখ যোদ্ধারা আন্তরিকভাবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু দুর্বল ব্যবস্থাপনা দিয়ে কাঙ্খিত সফলতা অর্জন অসম্ভব প্রায়।

কোন প্রতিষ্ঠান খুলবে কোন প্রতিষ্ঠান বন্ধ হবে , করোনাকালীন লকডাউনে কিকি বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন করতে হবে , এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ প্যানেল ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে একটি জাতীয় কমিটির মাধ্যমে স্বাধীনভাবে কাজ করলে সব বিষয় সহজ হয়ে যেত।
কিন্তু আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে অবলোকন করেছি আমাদের সরকার ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট এর জন্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে এজাতীয় কোন কমিটি করতে পারেনি।
বরং আমরা দেখেছি এই জাতীয় দুর্যোগ কে পুঁজি করে একশ্রেণীর আমলা ও ব্যবসায়ী শ্রেণি কিংবা রাজনীতিবিদরা রীতিমতো ব্যবসায় নেমেছিল।

করোনার প্রথম ঢেউ থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা আমরা কাজে লাগাতে পারিনি, আমরা পারিনি দুর্যোগ মোকাবেলায় সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে।
যদিও এই দুর্যোগ আমাদের একার নয় সারা পৃথিবীর ,
যদিও এই দুর্যোগ মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছে পৃথিবীর মহা শক্তিধর রাষ্ট্র সমূহ সেই তুলনায় (স্রষ্টা প্রদত্ত বিশেষ মেহেরবানীতে) আমরা বেশ ভালোই আছি।
তারপরও বলবো আমাদের প্রপার ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট পলিসি এপ্লাই করলে আমরা আরো অনেক ভালো থাকতাম।

লেখক
যুগ্ন মহাসচিব
জাতীয় সাংবাদিক ফেডারেশন।

Share Button

সর্বশেষ আপডেট



» চাটখিলে জমি আছে ঘর নেই, প্রতিবন্ধী কার্ড আছে কিন্তু ভাতা নেই!

» সোনাইমুড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একই পরিবারের ৪জনের মৃত্যু

» ঢাকাস্থ নোয়াখালী জার্নালিস্ট ফোরাম’র নির্বাচন প্রস্তুতি কমিটি

» হাতিয়ার ভাসানচর থেকে পালাতে গিয়ে আটক ১৮ রোহিঙ্গা

» বেগমগন্জে ১০ টাকার জন্য রিকশা চালককে কুপিয়ে হত্যা

» লক্ষ্মীপুরে ডেঙ্গু জ্বরে যুবক সাইফুলের মৃত্যু

» নোয়াখালী সদরে মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণে গোলাগুলি,গুলিবিদ্ধ-১

» দক্ষিণ আফ্রিকায় ফেনীর যুবককের মৃত্যু

» চাটখিলে রামনারায়নপুর স্কুলের শিক্ষকের স্মরনে সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

» বন্ধুর সাথে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূ, গ্রেফতার-১

ফেইসবুকে প্রিয় নোয়াখালী

সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল kanon.press@gmail.com
Desing & Developed BY Trust soft bd
,

মুক্তমতঃ প্রহসনের লকডাউন ও আমাদের ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট

গোলাম রহমান দুর্জয়ঃ
সারা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে হঠাৎ চেপে বসা জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে সরকার ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কমিটি গঠন করে। সরকারের মন্ত্রী-আমলারা যতই এক্সপার্ট কিংবা চাপাবাজ হোক না কেন জাতীয় দুর্যোগে ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কমিটির সুপারিশে দুর্যোগ মোকাবেলায় বড় বড় সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণ করা হয়।

যদিও প্রথাগতভাবে আমাদের দেশের সরকারগুলো পরিচালিত হয় জগাখিচুড়ী মার্কা মন্ত্রিপরিষদ দিয়ে।
যেমন ইতিহাসে বিভাগ থেকে পাস করা লোক স্বাস্থ্যমন্ত্রী কিংবা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্র বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী হতে কোন বাধা নেই।
তদুপরি ও যেহেতু জাতীয় দুর্যোগ মানুষের জীবন মরণের প্রশ্ন তোলে সেহেতু এই দুর্যোগ মোকাবেলায় জগাখিচুড়ী মন্ত্রিপরিষদের মত জনগণের সাথে তামাশা না করাই উত্তম। অন্তত এই সময়ের জন্য স্ব-স্ব বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি করা জরুরি ছিল।।

কিন্তু তা না করে সুবিধাভোগী পরগাছা সিন্ডিকেটের পরামর্শে চলছে আমাদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম।
ক্ষণে ক্ষণে বদলে যাচ্ছে আমাদের দেশের লকডাউন চরিত্র।
এটা বন্ধ ওটা খোলা, ওটা বন্ধ এটা খোলার সিদ্ধান্ত জনগণের মাথায় চাপিয়ে গুটি কয়েক শ্রেণীর পুঁজির পুটলি ভারী করে বাকিদের অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া ছাড়া আমাদের লকডাউন থেকে বিশেষ কোন সুবিধা অন্তত তারা পায়নি যাদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে লকডাউন দেওয়া হয়েছে।

পরিবহন ও গণপরিবহন বিষয়ে সরকারের দ্বৈত আচরণ অনভিজ্ঞ ও অপরিপক্ক সিদ্ধান্তের ফসল। কল-কারখানা , অফিস-আদালত , ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ খোলার সিদ্ধান্তের ব্যাপারেও একই নিয়ম প্রতিফলিত হয়েছে।
আমরা গত একটি বছর ধরে দেখে আসছি লকডাউন মানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে , গরিবের রিকশার প্যাডেল চলবেনা, ধান কাটার শ্রমিকরা এক জেলা থেকে আরেক জেলায় যেতে পারবেনা , মন্ত্রী-আমলারা সচিবালয়ে না গিয়ে বাসভবনে বসে বসে ভার্চুয়াল অফিস পরিচালনা করবে ,
কিন্তু রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ ,ভোটের আনুষ্ঠানিকতা আর নেতাদের গাড়িবহর ঠিকঠাক চলবে, দান অনুদান ও ত্রাণ বিতরণের নামে রাজনৈতিক স্ট্যান্ডবাজির জনসমাগম চলবে।

গণপরিবহন চালু থাকলে করোনা ছড়িয়ে যাবে, কিন্তু লোকাল বাসে একজনের জায়গায় তিনজন গাদাগাদি করে বারবার গাড়ি চেঞ্জ করে ভেঙ্গে ভেঙ্গে তিন ডাবল ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে পৌছালে করোনা ক্লান্ত হয়ে রাস্তায় মরে যাবে!
সবকিছু খোলা থাকবে ফেরি বন্ধ থাকবে , আবার ফেরি খুলবে , বিশাল জনসমষ্টির চাপ প্রতিরোধে সেখানে থাকবে না কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই জাতীয় পরামর্শ কেবল অর্বাচীন বিশেষজ্ঞরাই দিতে পারে।

এইসব বিষয়ে জনগণের কোন দায় নাই এমনটি ভাবার সুযোগ নেই। কিন্তু জনসাধারণকে সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিচালনা করার দায় রাষ্ট্র এড়িয়ে যেতে পারে না।

আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই দুর্যোগ থেকে উত্তরণের জন্য যথেষ্ট আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু বাংলাদেশের সরকার ও প্রশাসনের প্রথাগত বৃত্ত থেকে বের না হয়ে গতানুগতিক ও সনাতন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা দিয়ে অন্ততপক্ষে করোনাকালীন দুঃসময় সঠিকভাবে মোকাবেলা করা সম্ভব না।

নিঃসন্দেহে এই দুর্যোগে বিশেষ শ্রেণীর সুবিধাভোগী গোষ্ঠী ব্যতীত দেশের প্রতিটি সেক্টরের সম্মূখ যোদ্ধারা আন্তরিকভাবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু দুর্বল ব্যবস্থাপনা দিয়ে কাঙ্খিত সফলতা অর্জন অসম্ভব প্রায়।

কোন প্রতিষ্ঠান খুলবে কোন প্রতিষ্ঠান বন্ধ হবে , করোনাকালীন লকডাউনে কিকি বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন করতে হবে , এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ প্যানেল ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে একটি জাতীয় কমিটির মাধ্যমে স্বাধীনভাবে কাজ করলে সব বিষয় সহজ হয়ে যেত।
কিন্তু আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে অবলোকন করেছি আমাদের সরকার ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট এর জন্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে এজাতীয় কোন কমিটি করতে পারেনি।
বরং আমরা দেখেছি এই জাতীয় দুর্যোগ কে পুঁজি করে একশ্রেণীর আমলা ও ব্যবসায়ী শ্রেণি কিংবা রাজনীতিবিদরা রীতিমতো ব্যবসায় নেমেছিল।

করোনার প্রথম ঢেউ থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা আমরা কাজে লাগাতে পারিনি, আমরা পারিনি দুর্যোগ মোকাবেলায় সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে।
যদিও এই দুর্যোগ আমাদের একার নয় সারা পৃথিবীর ,
যদিও এই দুর্যোগ মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছে পৃথিবীর মহা শক্তিধর রাষ্ট্র সমূহ সেই তুলনায় (স্রষ্টা প্রদত্ত বিশেষ মেহেরবানীতে) আমরা বেশ ভালোই আছি।
তারপরও বলবো আমাদের প্রপার ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট পলিসি এপ্লাই করলে আমরা আরো অনেক ভালো থাকতাম।

লেখক
যুগ্ন মহাসচিব
জাতীয় সাংবাদিক ফেডারেশন।

Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



web-ad

সর্বশেষ আপডেট





সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল kanon.press@gmail.com

Developed BY Trustsoftbd