ADS170638-2

রোহিঙ্গা ও আমাদের ভবিষ্যৎ-হাবিবুর রহমান

একটা ইস্যু নিপাতের জন্য আরেকটা ইস্যুর সৃষ্টি করতে হয় না হয় নিজ থেকে ইস্যু তৈরি হয়।প্রতি দিন অনেক ঘটনা ঘটে আর চাপা পড়ে পরের ঘটনাতে।কিন্তু কিছু ইস্যু ভুলে গেলে কখনো কখনো পুরো জাতিকে খেসারত দিতে হয়।তেমনি রোহিঙ্গা ইস্যু ভুলে গেলে আমাদের ভুগতে হবে মাথা পচা মাছের মত।পচা মাথা নিয়ে বাচতে হবে আমৃত্যু।রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে যখন পৃথিবীর মোটা মোটা দেশ গুলো ভাবছে না।তখন কিন্তু আমাদের মাথা ব্যাথার অন্ত নাই।করুণার দৃষ্টিকোণ থেকে হোক আর মুসলিম হিসেবে হোক মানবতার হাত তুলেছি ভারতের মত মহা রাষ্ট্রের আগে।মানচিত্রে তাকালে পৃথিবীর বড় বড় দেশ গুলো দেখলে বাংলাদেশটাকে পিপড়ার আদলে গড়া মনে হয়।ভুমির দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান পৃথিবীর ৯৮ তম। মানচিত্রে দেখতে যেমন,ঠিক তেমনি পিপড়ার মতই বসবাস এ দেশটাতে।সামান্য দেশে কেউ বলে ১৬ কোটি আবার কেউ কেউ বলে ২০ কোটি মানুষের বসবাস। জনসংখ্যার দিক দিয়ে নবম তম অবস্থানে আছে আমাদের এ দেশ।এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটার প্রায় ২৯০০ লোকের।যা পৃথিবীতে বিরল বললে চলে। এখানে সমস্যার অন্ত নাই, মৌলিক চাহিদা গুলো ও পুরনে এ দেশ মাঝে মাঝে অক্ষম হয়ে পড়ে। কিছু কিছু মৌলিক চাহিদা অপূর্ন্যতায় থেকে যায় এ দেশে। তারপর ও যে স্রোত আসছে তাতে অস্থায়ী ভাবে জায়গা দেওয়ার কথা ভাবা যায় কিন্তু স্থায়ি ভাবে কোন অঞ্চলের ভুমি অধিগ্রহণ করে বসবাসের যায়গা করলে ঘাড়ে ঘোড়া নিয়ে চলার মত হবে। কথা হল,ওদের হাতে ওদের ভবিষ্যৎ হারিয়ে আমরা কি আমাদের স্থায়ী ভবিষ্যৎ&nbsp; বিলিন করে দিচ্ছি না&apos;ত?কোথায় যেন একটা রির্পোট দেখলাম <br> মিয়ানমার দৈনিক ৩০০ রোহিঙ্গা ফেরত নিবে বলে প্রস্তাব দিয়েছে।জানিনা কথাটা কতটুকু সত্যি মিথ্যা।&nbsp; যদি এমন হয় ভেবে দেখেন আমাদের ভবিষ্যৎ কি? আদো&nbsp; কোন কালে শেষ হবে কি এ রোহিঙ্গা?আর এ কারনেই, বিশেষ করে যেখানে ওদের স্থায়ি ক্যাম্প করা হবে।সেখানের জনজীবন এর উপর বিস্তর প্রভাব পড়বে।এদের অবস্থান নেই বললেই চলে,এরা কাজের জন্য বের হবে ( ইতিমধ্যে অনেকেই বের হয়েছে,আর&nbsp; হচ্ছে) মানুষ রোহিঙ্গা বলে কাজ দিতে চাইবে না,ফলে ওরা চুরি,ডাকাতি,ভাড়ায় মানুষ খুন করবে। এমনকি সমাজের সব হেন কাজে লিপ্ত হবে।ফলে সমাজে নানা ধরনের বিশৃঙ্খলা শুরু হবে।যেটা না বললেই নয়,এই অল্প দামের ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করতে নিবার্চনে জুড়ি থাকবেনা।নির্বাচনের আগে এদের ভাড়া করে অল্প পয়সায় নগ্ন ব্যবহার করবে।কারণ এরা ছিটমহল বাসি না,এরা জন্ম থেকে জন্ম যুদ্ধ দেখে আসছে আর&nbsp; করে আসছে। এরা রক্তের স্রোত দেখেছে,এদের ভয়ভীতি নেই। এদের সামনে সন্তান,ভাই-বোন,বাবা- মা,দাদা-দাদি,খুন হতে দেখেছেন।এরা ওই রক্ত স্রোতের উপর দিয়ে বাংলাদেশ এসেছে।এদের কলিজা পাথরের ন্যায় শক্ত হয়ে আছে।এদের ওখানে ক্ষমতা কম থাকায় পাল্টা আক্রমণে আসতে পারনি।তাই অত্যাচারিত হয়ে শরণার্থী হিসাবে অন্য দেশে পাড়ি জমাচ্ছে।কিন্ত এটার শেষ কোথায়?এভাবে কত কাল থাকবে?আমাদের শুধু বর্তমান সময় হিসাব করে চললে হবে না। আমাদের বর্তমান জনসংখ্যা আর ভবিষ্যৎ দু&apos;টোই ভাবতে হবে।&nbsp; আমরা আগে কৃষি চাষাবাদের উপর&nbsp; নির্ভরশীল ছিলাম।এখন সেটা ও শেষের পর্যায়।এখন প্রায়ই বিদেশিদের ঋনের&nbsp; উপর নির্ভর করতে হয়।এখন যদি এদের স্থায়ি বসবাসের জন্য কোন অঞ্চলের ভুমি ব্যবহার হয় সেটা ফলসূত হবে না।আবার&nbsp; বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া রোহিঙ্গা দের বাংলাদেশি নাগরিকত্ব দেওয়া হবে আইন-২০১৬ অনুযায়ী।অর্থাৎ বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া প্রত্যেক রোহিঙ্গা শিশুই জন্মসূত্রে এ দেশের নাগরিক।এ দেশে আসা অধিকাংশ রোহিঙ্গা নারী। দৈনিক নয়াদিগন্ত রির্পোট এ (৪.১১.১৭) দেখলাম একটা স্বাভাবিক জরিপ,প্রতিদিন&nbsp; ১৬-২০ টা বাচ্চা জন্ম দিচ্ছে রোহিঙ্গা নারীরা। আর এখন ৭৪ হাজার নারী পেগন্টেট।প্রায়১২ লক্ষ রোহিঙ্গা এ দেশে আছে সে হিসেবে এটা একটা মামুলি পরিসংখ্যান। আরও কয়েক গুন বেশি নারী এখন পেগন্টেট। কারণ এদের প্রজনন ক্ষমতা বেশি আর বাংলাদেশে আসা বেশির ভাগ নারী সেনাবাহিনী দ্বারা ধর্ষিত&nbsp; হয়েছে। উল্লেখ্য, মাত্র কিছু মহিলাকে টেষ্ট করে ৪৬ জন এইডস রোগি পাওয়া গেছে, পত্রিকার রির্পোট এ দেখলাম জবরদস্তি করে টেষ্ট করার নিয়ম নাই। তাই সবাইকে টেষ্ট এর আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না।টেষ্ট এ আরো বেশি পরিমানে এইডস রোগি সনাক্ত হবে।এরা যদি কোন কারনে বাঙালীর সাথে মিশে যায় তবে কিছু বছর পর এইডস এর অবস্থান শীর্ষ আসা অস্বাভাবিক কিছু নয়। একটি বিষয় অনেকের এ অজানা।সেটা হল মিয়ানমার সরকার এদের উৎখাতের কারন গুলোর মধ্যে একটা অন্যতম কারণ হলো এদের প্রজনন ক্ষমতা বেশি। একটা নিউজে দেখছিলাম,এক দম্পতির ৫ সন্তান কে মিয়ানমার এর সেনাবাহিনী হত্যা করার পর ও বাকি ৬ জনকে নিয়ে বাংলাদেশে এসেছে। বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া শিশু গুলোকে নাগরিকত্ব দেওয়া মানে অন্যদের ও রেখে দেওয়ার ব্যবস্থা করা। এমনি কি প্রজনন ক্ষমতা আছে সকল নারীরাই সন্তান নিতে চাইবে। অন্তত সন্তানের জন্য হলে ও তারা বাংলাদেশে থাকতে পারবে।এখন কথা হচ্ছে মানুষের জন্ম হয় জ্যামিতিক হারে অর্থাৎ ২,৪,৮……. এভাবে বাড়তে থাকলে বাঙালী জাতির অভিশপ্ত জীবন সন্নিকট।যদিও সরকার আইন-২০১৭ পাস করতে যাচ্ছে শুধু জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাবে বাবা-মা পাবে না। কিন্তু প্রয়োগে কতটুকু কার্যকর ফল আনবে বলা যায় না। আমাদের মাথায় ওদের নাগরিকত্ব না রেখে যত দ্রুত এদের মিয়ানমারে স্থায়ি ব্যবস্থা করা যায় সে দিক নজর দিতে হবে। আমাদেরকে বিশ্ব বিবেককে প্রতি সেকেন্ড, মিনিটে, জাগ্রত রাখা উচিত রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে।’হাতেমতাইর’ হাতের মত বাড়াতে গেলে শুধু হাত ভাঙবেই না বরং ইজরাইল আর ফিলিস্তিন হওয়ার ও সম্ভাবনা আছে আমাদের এ দেশ।সরকার এদের নোয়াখালীর চরে স্থায়ি ভাবে রাখতে চায়।এদের শুধু নোয়াখালী না যে অঞ্চলে রাখা হবে সে অঞ্চলের ভবিষ্যৎ হবে অন্য অঞ্চল গুলোর চেয়ে জঘন্য।এটা রাজনৈতিক হিসেবে দেখলেই হবে না।সরকার দলীয় আর বড় নেতা,আমলারা যদি বাধা না দেয়। তবে ভবিষ্যৎ নোয়াখালী শুধু তার সকল ধরনের ঐতিহ্য হারাবেই না,২০ বছর পর নিকৃষ্ট অঞ্চলে পরিনত হবে। এ দেশের মানুষ জাতি হিসেবে উদারতার প্রমান রেখেছে হাজার ও বার। ওদের কৃষ্টি- কালচার ভিন্ন। ওদের দেশ ভিন্ন,ওদেরকে খুব দ্রুত&nbsp; মিয়ানমারে পাঠানোর ব্যবস্থা করাই আমাদের ভবিষ্যৎ মুক্তির একমাত্র পথ।আমরা আমাদের জনসংখ্যা নিয়ে ভাবতে হচ্ছে দিনে কয়েকবার।আমাদের শিক্ষিত বেকার অনেক বেশি,আমাদের চাকুরীর বাজার প্রশস্ত নয়। সমস্যা আমাদের প্রতিনিয়ত তাড়া করে বেড়ায়। আমরা যা সহ্য করতে পারবো না তা জোর করে গায়ে না নেওয়াই ভাল।আমরা তাদের সাময়িক আশ্রয় দিয়েছি এবার তাদের স্থায়ী প্রস্থান চাই।সারা বিশ্ব শান্তিতে বসবাস করুক।আমাদের সরকার আমাদের জন্য,সরকারের উপরের পর্যায়ে থাকা ব্যক্তিদের নিকট আবেদন উন্নত ও ক্ষমতাশীল দেশের সাথে আলোচনা যত দ্রুত এগিয়ে নিয়ে ওদের ফিরিয়ে দেওয়া যায় ততই আমাদের জন্য মঙ্গল।পরিশেষে,একজন নাগরিক হিসেবে বলব,এ ভূমিতে মেজবান হিসেবে আসা কাউকে জোর করে গৃহস্থ বানিয়েন না। উদারনীতি ওখানে মানায় যেখানে পর্যাপ্ত গা ও আমাদের ভবিষ্যৎ। একটা ইস্যু নিপাতের জন্য আরেকটা ইস্যুর সৃষ্টি করতে হয় না হয় নিজ থেকে ইস্যু তৈরি হয়।প্রতি দিন অনেক ঘটনা ঘটে আর চাপা পড়ে পরের ঘটনাতে।কিন্তু কিছু ইস্যু ভুলে গেলে কখনো কখনো পুরো জাতিকে খেসারত দিতে হয়।তেমনি রোহিঙ্গা ইস্যু ভুলে গেলে আমাদের ভুগতে হবে মাথা পচা মাছের মত।পচা মাথা নিয়ে বাচতে হবে আমৃত্যু।রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে যখন পৃথিবীর মোটা মোটা দেশ গুলো ভাবছে না।তখন কিন্তু আমাদের মাথা ব্যাথার অন্ত নাই।করুণার দৃষ্টিকোণ থেকে হোক আর মুসলিম হিসেবে হোক মানবতার হাত তুলেছি ভারতের মত মহা রাষ্ট্রের আগে।মানচিত্রে তাকালে পৃথিবীর বড় বড় দেশ গুলো দেখলে বাংলাদেশটাকে পিপড়ার আদলে গড়া মনে হয়।ভুমির দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান পৃথিবীর ৯৮ তম। মানচিত্রে দেখতে যেমন,ঠিক তেমনি পিপড়ার মতই বসবাস এ দেশটাতে।সামান্য দেশে কেউ বলে ১৬ কোটি আবার কেউ কেউ বলে ২০ কোটি মানুষের বসবাস। জনসংখ্যার দিক দিয়ে নবম তম অবস্থানে আছে আমাদের এ দেশ।এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটার প্রায় ২৯০০ লোকের।যা পৃথিবীতে বিরল বললে চলে। এখানে সমস্যার অন্ত নাই, মৌলিক চাহিদা গুলো ও পুরনে এ দেশ মাঝে মাঝে অক্ষম হয়ে পড়ে। কিছু কিছু মৌলিক চাহিদা অপূর্ন্যতায় থেকে যায় এ দেশে। তারপর ও যে স্রোত আসছে তাতে অস্থায়ী ভাবে জায়গা দেওয়ার কথা ভাবা যায় কিন্তু স্থায়ি ভাবে কোন অঞ্চলের ভুমি অধিগ্রহণ করে বসবাসের যায়গা করলে ঘাড়ে ঘোড়া নিয়ে চলার মত হবে। কথা হল,ওদের হাতে ওদের ভবিষ্যৎ হারিয়ে আমরা কি আমাদের স্থায়ী ভবিষ্যৎ&nbsp; বিলিন করে দিচ্ছি না&apos;ত?কোথায় যেন একটা রির্পোট দেখলাম <br> মিয়ানমার দৈনিক ৩০০ রোহিঙ্গা ফেরত নিবে বলে প্রস্তাব দিয়েছে।জানিনা কথাটা কতটুকু সত্যি মিথ্যা।&nbsp; যদি এমন হয় ভেবে দেখেন আমাদের ভবিষ্যৎ কি? আদো&nbsp; কোন কালে শেষ হবে কি এ রোহিঙ্গা?আর এ কারনেই, বিশেষ করে যেখানে ওদের স্থায়ি ক্যাম্প করা হবে।সেখানের জনজীবন এর উপর বিস্তর প্রভাব পড়বে।এদের অবস্থান নেই বললেই চলে,এরা কাজের জন্য বের হবে ( ইতিমধ্যে অনেকেই বের হয়েছে,আর&nbsp; হচ্ছে) মানুষ রোহিঙ্গা বলে কাজ দিতে চাইবে না,ফলে ওরা চুরি,ডাকাতি,ভাড়ায় মানুষ খুন করবে। এমনকি সমাজের সব হেন কাজে লিপ্ত হবে।ফলে সমাজে নানা ধরনের বিশৃঙ্খলা শুরু হবে।যেটা না বললেই নয়,এই অল্প দামের ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করতে নিবার্চনে জুড়ি থাকবেনা।নির্বাচনের আগে এদের ভাড়া করে অল্প পয়সায় নগ্ন ব্যবহার করবে।কারণ এরা ছিটমহল বাসি না,এরা জন্ম থেকে জন্ম যুদ্ধ দেখে আসছে আর&nbsp; করে আসছে। এরা রক্তের স্রোত দেখেছে,এদের ভয়ভীতি নেই। এদের সামনে সন্তান,ভাই-বোন,বাবা- মা,দাদা-দাদি,খুন হতে দেখেছেন।এরা ওই রক্ত স্রোতের উপর দিয়ে বাংলাদেশ এসেছে।এদের কলিজা পাথরের ন্যায় শক্ত হয়ে আছে।এদের ওখানে ক্ষমতা কম থাকায় পাল্টা আক্রমণে আসতে পারনি।তাই অত্যাচারিত হয়ে শরণার্থী হিসাবে অন্য দেশে পাড়ি জমাচ্ছে।কিন্ত এটার শেষ কোথায়?এভাবে কত কাল থাকবে?আমাদের শুধু বর্তমান সময় হিসাব করে চললে হবে না। আমাদের বর্তমান জনসংখ্যা আর ভবিষ্যৎ দু&apos;টোই ভাবতে হবে।&nbsp; আমরা আগে কৃষি চাষাবাদের উপর&nbsp; নির্ভরশীল ছিলাম।এখন সেটা ও শেষের পর্যায়।এখন প্রায়ই বিদেশিদের ঋনের&nbsp; উপর নির্ভর করতে হয়।এখন যদি এদের স্থায়ি বসবাসের জন্য কোন অঞ্চলের ভুমি ব্যবহার হয় সেটা ফলসূত হবে না।আবার&nbsp; বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া রোহিঙ্গা দের বাংলাদেশি নাগরিকত্ব দেওয়া হবে আইন-২০১৬ অনুযায়ী।অর্থাৎ বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া প্রত্যেক রোহিঙ্গা শিশুই জন্মসূত্রে এ দেশের নাগরিক।এ দেশে আসা অধিকাংশ রোহিঙ্গা নারী। দৈনিক নয়াদিগন্ত রির্পোট এ (৪.১১.১৭) দেখলাম একটা স্বাভাবিক জরিপ,প্রতিদিন&nbsp; ১৬-২০ টা বাচ্চা জন্ম দিচ্ছে রোহিঙ্গা নারীরা। আর এখন ৭৪ হাজার নারী পেগন্টেট।প্রায়১২ লক্ষ রোহিঙ্গা এ দেশে আছে সে হিসেবে এটা একটা মামুলি পরিসংখ্যান। আরও কয়েক গুন বেশি নারী এখন পেগন্টেট। কারণ এদের প্রজনন ক্ষমতা বেশি আর বাংলাদেশে আসা বেশির ভাগ নারী সেনাবাহিনী দ্বারা ধর্ষিত&nbsp; হয়েছে। উল্লেখ্য, মাত্র কিছু মহিলাকে টেষ্ট করে ৪৬ জন এইডস রোগি পাওয়া গেছে, পত্রিকার রির্পোট এ দেখলাম জবরদস্তি করে টেষ্ট করার নিয়ম নাই। তাই সবাইকে টেষ্ট এর আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না।টেষ্ট এ আরো বেশি পরিমানে এইডস রোগি সনাক্ত হবে।এরা যদি কোন কারনে বাঙালীর সাথে মিশে যায় তবে কিছু বছর পর এইডস এর অবস্থান শীর্ষ আসা অস্বাভাবিক কিছু নয়। একটি বিষয় অনেকের এ অজানা।সেটা হল মিয়ানমার সরকার এদের উৎখাতের কারন গুলোর মধ্যে একটা অন্যতম কারণ হলো এদের প্রজনন ক্ষমতা বেশি। একটা নিউজে দেখছিলাম,এক দম্পতির ৫ সন্তান কে মিয়ানমার এর সেনাবাহিনী হত্যা করার পর ও বাকি ৬ জনকে নিয়ে বাংলাদেশে এসেছে। বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া শিশু গুলোকে নাগরিকত্ব দেওয়া মানে অন্যদের ও রেখে দেওয়ার ব্যবস্থা করা। এমনি কি প্রজনন ক্ষমতা আছে সকল নারীরাই সন্তান নিতে চাইবে। অন্তত সন্তানের জন্য হলে ও তারা বাংলাদেশে থাকতে পারবে।এখন কথা হচ্ছে মানুষের জন্ম হয় জ্যামিতিক হারে অর্থাৎ ২,৪,৮……. এভাবে বাড়তে থাকলে বাঙালী জাতির অভিশপ্ত জীবন সন্নিকট।যদিও সরকার আইন-২০১৭ পাস করতে যাচ্ছে শুধু জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাবে বাবা-মা পাবে না। কিন্তু প্রয়োগে কতটুকু কার্যকর ফল আনবে বলা যায় না। আমাদের মাথায় ওদের নাগরিকত্ব না রেখে যত দ্রুত এদের মিয়ানমারে স্থায়ি ব্যবস্থা করা যায় সে দিক নজর দিতে হবে। আমাদেরকে বিশ্ব বিবেককে প্রতি সেকেন্ড, মিনিটে, জাগ্রত রাখা উচিত রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে।’হাতেমতাইর’ হাতের মত বাড়াতে গেলে শুধু হাত ভাঙবেই না বরং ইজরাইল আর ফিলিস্তিন হওয়ার ও সম্ভাবনা আছে আমাদের এ দেশ।সরকার এদের নোয়াখালীর চরে স্থায়ি ভাবে রাখতে চায়।এদের শুধু নোয়াখালী না যে অঞ্চলে রাখা হবে সে অঞ্চলের ভবিষ্যৎ হবে অন্য অঞ্চল গুলোর চেয়ে জঘন্য।এটা রাজনৈতিক হিসেবে দেখলেই হবে না।সরকার দলীয় আর বড় নেতা,আমলারা যদি বাধা না দেয়। তবে ভবিষ্যৎ নোয়াখালী শুধু তার সকল ধরনের ঐতিহ্য হারাবেই না,২০ বছর পর নিকৃষ্ট অঞ্চলে পরিনত হবে। এ দেশের মানুষ জাতি হিসেবে উদারতার প্রমান রেখেছে হাজার ও বার। ওদের কৃষ্টি- কালচার ভিন্ন। ওদের দেশ ভিন্ন,ওদেরকে খুব দ্রুত&nbsp; মিয়ানমারে পাঠানোর ব্যবস্থা করাই আমাদের ভবিষ্যৎ মুক্তির একমাত্র পথ।আমরা আমাদের জনসংখ্যা নিয়ে ভাবতে হচ্ছে দিনে কয়েকবার।আমাদের শিক্ষিত বেকার অনেক বেশি,আমাদের চাকুরীর বাজার প্রশস্ত নয়। সমস্যা আমাদের প্রতিনিয়ত তাড়া করে বেড়ায়। আমরা যা সহ্য করতে পারবো না তা জোর করে গায়ে না নেওয়াই ভাল।আমরা তাদের সাময়িক আশ্রয় দিয়েছি এবার তাদের স্থায়ী প্রস্থান চাই।সারা বিশ্ব শান্তিতে বসবাস করুক।আমাদের সরকার আমাদের জন্য,সরকারের উপরের পর্যায়ে থাকা ব্যক্তিদের নিকট আবেদন উন্নত ও ক্ষমতাশীল দেশের সাথে আলোচনা যত দ্রুত এগিয়ে নিয়ে ওদের ফিরিয়ে দেওয়া যায় ততই আমাদের জন্য মঙ্গল।পরিশেষে,একজন নাগরিক হিসেবে বলব,এ ভূমিতে মেজবান হিসেবে আসা কাউকে জোর করে গৃহস্থ বানিয়েন না। উদারনীতি ওখানে মানায় যেখানে পর্যাপ্ত অবস্থান আছে।এ বিষয় একজন বাঙালী হিসেবে কারও দ্বিমত পোষণ করা ঠিক হবে না। নিরর্থক লেখালেখি।

Share Button

সর্বশেষ আপডেট



» রাষ্ট্রপতির আদেশে মৃত্যুদন্ড থেকে রেহাই পাওয়া সে বিপ্লব পেটালেন শ্রমিকলীগ সভাপতিকে!

» চাটখিল দলিল লিখক সমিতির সভাপতি দুলাল, সা: সম্পাদক স্বপন পাটোয়ারী

» লক্ষ্মীপুরে যুগান্তরের সাংবাদিককে ইউপি চেয়ারম্যানের মারধর প্রাণনাশের হুমকি

» সংবাদকর্মী সজিবের কেন এই অভিমানী প্রস্তান!

» ফেসবুক গ্রুপ নোয়াখালী রয়েল ড্রিস্টিকের উদ্যোগে মাদ্রাসা ছাত্রদের সম্মানে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরন

» সুবর্ণচরের বধুগঞ্জে স্টুডেন্টস ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত “

» বেগমগঞ্জে গৃহবধূকে গণধর্ষণ, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার-২

» খিলপাড়া ব্লাড ডোনেট ক্লাবের আয়োজনে ইফতার অনুষ্ঠিত

» যদি শিরোনাম হয় দক্ষিণ আফ্রিকা!

» রামগতিতে ব্যবসায়ীদের নিয়ে “জামায়াতে ইসলামী”র ইফতার!

ফেইসবুকে প্রিয় নোয়াখালী

add pn
সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]
Desing & Developed BY Trust soft bd
ADS170638-2
,

রোহিঙ্গা ও আমাদের ভবিষ্যৎ-হাবিবুর রহমান

একটা ইস্যু নিপাতের জন্য আরেকটা ইস্যুর সৃষ্টি করতে হয় না হয় নিজ থেকে ইস্যু তৈরি হয়।প্রতি দিন অনেক ঘটনা ঘটে আর চাপা পড়ে পরের ঘটনাতে।কিন্তু কিছু ইস্যু ভুলে গেলে কখনো কখনো পুরো জাতিকে খেসারত দিতে হয়।তেমনি রোহিঙ্গা ইস্যু ভুলে গেলে আমাদের ভুগতে হবে মাথা পচা মাছের মত।পচা মাথা নিয়ে বাচতে হবে আমৃত্যু।রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে যখন পৃথিবীর মোটা মোটা দেশ গুলো ভাবছে না।তখন কিন্তু আমাদের মাথা ব্যাথার অন্ত নাই।করুণার দৃষ্টিকোণ থেকে হোক আর মুসলিম হিসেবে হোক মানবতার হাত তুলেছি ভারতের মত মহা রাষ্ট্রের আগে।মানচিত্রে তাকালে পৃথিবীর বড় বড় দেশ গুলো দেখলে বাংলাদেশটাকে পিপড়ার আদলে গড়া মনে হয়।ভুমির দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান পৃথিবীর ৯৮ তম। মানচিত্রে দেখতে যেমন,ঠিক তেমনি পিপড়ার মতই বসবাস এ দেশটাতে।সামান্য দেশে কেউ বলে ১৬ কোটি আবার কেউ কেউ বলে ২০ কোটি মানুষের বসবাস। জনসংখ্যার দিক দিয়ে নবম তম অবস্থানে আছে আমাদের এ দেশ।এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটার প্রায় ২৯০০ লোকের।যা পৃথিবীতে বিরল বললে চলে। এখানে সমস্যার অন্ত নাই, মৌলিক চাহিদা গুলো ও পুরনে এ দেশ মাঝে মাঝে অক্ষম হয়ে পড়ে। কিছু কিছু মৌলিক চাহিদা অপূর্ন্যতায় থেকে যায় এ দেশে। তারপর ও যে স্রোত আসছে তাতে অস্থায়ী ভাবে জায়গা দেওয়ার কথা ভাবা যায় কিন্তু স্থায়ি ভাবে কোন অঞ্চলের ভুমি অধিগ্রহণ করে বসবাসের যায়গা করলে ঘাড়ে ঘোড়া নিয়ে চলার মত হবে। কথা হল,ওদের হাতে ওদের ভবিষ্যৎ হারিয়ে আমরা কি আমাদের স্থায়ী ভবিষ্যৎ&nbsp; বিলিন করে দিচ্ছি না&apos;ত?কোথায় যেন একটা রির্পোট দেখলাম <br> মিয়ানমার দৈনিক ৩০০ রোহিঙ্গা ফেরত নিবে বলে প্রস্তাব দিয়েছে।জানিনা কথাটা কতটুকু সত্যি মিথ্যা।&nbsp; যদি এমন হয় ভেবে দেখেন আমাদের ভবিষ্যৎ কি? আদো&nbsp; কোন কালে শেষ হবে কি এ রোহিঙ্গা?আর এ কারনেই, বিশেষ করে যেখানে ওদের স্থায়ি ক্যাম্প করা হবে।সেখানের জনজীবন এর উপর বিস্তর প্রভাব পড়বে।এদের অবস্থান নেই বললেই চলে,এরা কাজের জন্য বের হবে ( ইতিমধ্যে অনেকেই বের হয়েছে,আর&nbsp; হচ্ছে) মানুষ রোহিঙ্গা বলে কাজ দিতে চাইবে না,ফলে ওরা চুরি,ডাকাতি,ভাড়ায় মানুষ খুন করবে। এমনকি সমাজের সব হেন কাজে লিপ্ত হবে।ফলে সমাজে নানা ধরনের বিশৃঙ্খলা শুরু হবে।যেটা না বললেই নয়,এই অল্প দামের ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করতে নিবার্চনে জুড়ি থাকবেনা।নির্বাচনের আগে এদের ভাড়া করে অল্প পয়সায় নগ্ন ব্যবহার করবে।কারণ এরা ছিটমহল বাসি না,এরা জন্ম থেকে জন্ম যুদ্ধ দেখে আসছে আর&nbsp; করে আসছে। এরা রক্তের স্রোত দেখেছে,এদের ভয়ভীতি নেই। এদের সামনে সন্তান,ভাই-বোন,বাবা- মা,দাদা-দাদি,খুন হতে দেখেছেন।এরা ওই রক্ত স্রোতের উপর দিয়ে বাংলাদেশ এসেছে।এদের কলিজা পাথরের ন্যায় শক্ত হয়ে আছে।এদের ওখানে ক্ষমতা কম থাকায় পাল্টা আক্রমণে আসতে পারনি।তাই অত্যাচারিত হয়ে শরণার্থী হিসাবে অন্য দেশে পাড়ি জমাচ্ছে।কিন্ত এটার শেষ কোথায়?এভাবে কত কাল থাকবে?আমাদের শুধু বর্তমান সময় হিসাব করে চললে হবে না। আমাদের বর্তমান জনসংখ্যা আর ভবিষ্যৎ দু&apos;টোই ভাবতে হবে।&nbsp; আমরা আগে কৃষি চাষাবাদের উপর&nbsp; নির্ভরশীল ছিলাম।এখন সেটা ও শেষের পর্যায়।এখন প্রায়ই বিদেশিদের ঋনের&nbsp; উপর নির্ভর করতে হয়।এখন যদি এদের স্থায়ি বসবাসের জন্য কোন অঞ্চলের ভুমি ব্যবহার হয় সেটা ফলসূত হবে না।আবার&nbsp; বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া রোহিঙ্গা দের বাংলাদেশি নাগরিকত্ব দেওয়া হবে আইন-২০১৬ অনুযায়ী।অর্থাৎ বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া প্রত্যেক রোহিঙ্গা শিশুই জন্মসূত্রে এ দেশের নাগরিক।এ দেশে আসা অধিকাংশ রোহিঙ্গা নারী। দৈনিক নয়াদিগন্ত রির্পোট এ (৪.১১.১৭) দেখলাম একটা স্বাভাবিক জরিপ,প্রতিদিন&nbsp; ১৬-২০ টা বাচ্চা জন্ম দিচ্ছে রোহিঙ্গা নারীরা। আর এখন ৭৪ হাজার নারী পেগন্টেট।প্রায়১২ লক্ষ রোহিঙ্গা এ দেশে আছে সে হিসেবে এটা একটা মামুলি পরিসংখ্যান। আরও কয়েক গুন বেশি নারী এখন পেগন্টেট। কারণ এদের প্রজনন ক্ষমতা বেশি আর বাংলাদেশে আসা বেশির ভাগ নারী সেনাবাহিনী দ্বারা ধর্ষিত&nbsp; হয়েছে। উল্লেখ্য, মাত্র কিছু মহিলাকে টেষ্ট করে ৪৬ জন এইডস রোগি পাওয়া গেছে, পত্রিকার রির্পোট এ দেখলাম জবরদস্তি করে টেষ্ট করার নিয়ম নাই। তাই সবাইকে টেষ্ট এর আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না।টেষ্ট এ আরো বেশি পরিমানে এইডস রোগি সনাক্ত হবে।এরা যদি কোন কারনে বাঙালীর সাথে মিশে যায় তবে কিছু বছর পর এইডস এর অবস্থান শীর্ষ আসা অস্বাভাবিক কিছু নয়। একটি বিষয় অনেকের এ অজানা।সেটা হল মিয়ানমার সরকার এদের উৎখাতের কারন গুলোর মধ্যে একটা অন্যতম কারণ হলো এদের প্রজনন ক্ষমতা বেশি। একটা নিউজে দেখছিলাম,এক দম্পতির ৫ সন্তান কে মিয়ানমার এর সেনাবাহিনী হত্যা করার পর ও বাকি ৬ জনকে নিয়ে বাংলাদেশে এসেছে। বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া শিশু গুলোকে নাগরিকত্ব দেওয়া মানে অন্যদের ও রেখে দেওয়ার ব্যবস্থা করা। এমনি কি প্রজনন ক্ষমতা আছে সকল নারীরাই সন্তান নিতে চাইবে। অন্তত সন্তানের জন্য হলে ও তারা বাংলাদেশে থাকতে পারবে।এখন কথা হচ্ছে মানুষের জন্ম হয় জ্যামিতিক হারে অর্থাৎ ২,৪,৮……. এভাবে বাড়তে থাকলে বাঙালী জাতির অভিশপ্ত জীবন সন্নিকট।যদিও সরকার আইন-২০১৭ পাস করতে যাচ্ছে শুধু জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাবে বাবা-মা পাবে না। কিন্তু প্রয়োগে কতটুকু কার্যকর ফল আনবে বলা যায় না। আমাদের মাথায় ওদের নাগরিকত্ব না রেখে যত দ্রুত এদের মিয়ানমারে স্থায়ি ব্যবস্থা করা যায় সে দিক নজর দিতে হবে। আমাদেরকে বিশ্ব বিবেককে প্রতি সেকেন্ড, মিনিটে, জাগ্রত রাখা উচিত রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে।’হাতেমতাইর’ হাতের মত বাড়াতে গেলে শুধু হাত ভাঙবেই না বরং ইজরাইল আর ফিলিস্তিন হওয়ার ও সম্ভাবনা আছে আমাদের এ দেশ।সরকার এদের নোয়াখালীর চরে স্থায়ি ভাবে রাখতে চায়।এদের শুধু নোয়াখালী না যে অঞ্চলে রাখা হবে সে অঞ্চলের ভবিষ্যৎ হবে অন্য অঞ্চল গুলোর চেয়ে জঘন্য।এটা রাজনৈতিক হিসেবে দেখলেই হবে না।সরকার দলীয় আর বড় নেতা,আমলারা যদি বাধা না দেয়। তবে ভবিষ্যৎ নোয়াখালী শুধু তার সকল ধরনের ঐতিহ্য হারাবেই না,২০ বছর পর নিকৃষ্ট অঞ্চলে পরিনত হবে। এ দেশের মানুষ জাতি হিসেবে উদারতার প্রমান রেখেছে হাজার ও বার। ওদের কৃষ্টি- কালচার ভিন্ন। ওদের দেশ ভিন্ন,ওদেরকে খুব দ্রুত&nbsp; মিয়ানমারে পাঠানোর ব্যবস্থা করাই আমাদের ভবিষ্যৎ মুক্তির একমাত্র পথ।আমরা আমাদের জনসংখ্যা নিয়ে ভাবতে হচ্ছে দিনে কয়েকবার।আমাদের শিক্ষিত বেকার অনেক বেশি,আমাদের চাকুরীর বাজার প্রশস্ত নয়। সমস্যা আমাদের প্রতিনিয়ত তাড়া করে বেড়ায়। আমরা যা সহ্য করতে পারবো না তা জোর করে গায়ে না নেওয়াই ভাল।আমরা তাদের সাময়িক আশ্রয় দিয়েছি এবার তাদের স্থায়ী প্রস্থান চাই।সারা বিশ্ব শান্তিতে বসবাস করুক।আমাদের সরকার আমাদের জন্য,সরকারের উপরের পর্যায়ে থাকা ব্যক্তিদের নিকট আবেদন উন্নত ও ক্ষমতাশীল দেশের সাথে আলোচনা যত দ্রুত এগিয়ে নিয়ে ওদের ফিরিয়ে দেওয়া যায় ততই আমাদের জন্য মঙ্গল।পরিশেষে,একজন নাগরিক হিসেবে বলব,এ ভূমিতে মেজবান হিসেবে আসা কাউকে জোর করে গৃহস্থ বানিয়েন না। উদারনীতি ওখানে মানায় যেখানে পর্যাপ্ত গা ও আমাদের ভবিষ্যৎ। একটা ইস্যু নিপাতের জন্য আরেকটা ইস্যুর সৃষ্টি করতে হয় না হয় নিজ থেকে ইস্যু তৈরি হয়।প্রতি দিন অনেক ঘটনা ঘটে আর চাপা পড়ে পরের ঘটনাতে।কিন্তু কিছু ইস্যু ভুলে গেলে কখনো কখনো পুরো জাতিকে খেসারত দিতে হয়।তেমনি রোহিঙ্গা ইস্যু ভুলে গেলে আমাদের ভুগতে হবে মাথা পচা মাছের মত।পচা মাথা নিয়ে বাচতে হবে আমৃত্যু।রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে যখন পৃথিবীর মোটা মোটা দেশ গুলো ভাবছে না।তখন কিন্তু আমাদের মাথা ব্যাথার অন্ত নাই।করুণার দৃষ্টিকোণ থেকে হোক আর মুসলিম হিসেবে হোক মানবতার হাত তুলেছি ভারতের মত মহা রাষ্ট্রের আগে।মানচিত্রে তাকালে পৃথিবীর বড় বড় দেশ গুলো দেখলে বাংলাদেশটাকে পিপড়ার আদলে গড়া মনে হয়।ভুমির দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান পৃথিবীর ৯৮ তম। মানচিত্রে দেখতে যেমন,ঠিক তেমনি পিপড়ার মতই বসবাস এ দেশটাতে।সামান্য দেশে কেউ বলে ১৬ কোটি আবার কেউ কেউ বলে ২০ কোটি মানুষের বসবাস। জনসংখ্যার দিক দিয়ে নবম তম অবস্থানে আছে আমাদের এ দেশ।এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটার প্রায় ২৯০০ লোকের।যা পৃথিবীতে বিরল বললে চলে। এখানে সমস্যার অন্ত নাই, মৌলিক চাহিদা গুলো ও পুরনে এ দেশ মাঝে মাঝে অক্ষম হয়ে পড়ে। কিছু কিছু মৌলিক চাহিদা অপূর্ন্যতায় থেকে যায় এ দেশে। তারপর ও যে স্রোত আসছে তাতে অস্থায়ী ভাবে জায়গা দেওয়ার কথা ভাবা যায় কিন্তু স্থায়ি ভাবে কোন অঞ্চলের ভুমি অধিগ্রহণ করে বসবাসের যায়গা করলে ঘাড়ে ঘোড়া নিয়ে চলার মত হবে। কথা হল,ওদের হাতে ওদের ভবিষ্যৎ হারিয়ে আমরা কি আমাদের স্থায়ী ভবিষ্যৎ&nbsp; বিলিন করে দিচ্ছি না&apos;ত?কোথায় যেন একটা রির্পোট দেখলাম <br> মিয়ানমার দৈনিক ৩০০ রোহিঙ্গা ফেরত নিবে বলে প্রস্তাব দিয়েছে।জানিনা কথাটা কতটুকু সত্যি মিথ্যা।&nbsp; যদি এমন হয় ভেবে দেখেন আমাদের ভবিষ্যৎ কি? আদো&nbsp; কোন কালে শেষ হবে কি এ রোহিঙ্গা?আর এ কারনেই, বিশেষ করে যেখানে ওদের স্থায়ি ক্যাম্প করা হবে।সেখানের জনজীবন এর উপর বিস্তর প্রভাব পড়বে।এদের অবস্থান নেই বললেই চলে,এরা কাজের জন্য বের হবে ( ইতিমধ্যে অনেকেই বের হয়েছে,আর&nbsp; হচ্ছে) মানুষ রোহিঙ্গা বলে কাজ দিতে চাইবে না,ফলে ওরা চুরি,ডাকাতি,ভাড়ায় মানুষ খুন করবে। এমনকি সমাজের সব হেন কাজে লিপ্ত হবে।ফলে সমাজে নানা ধরনের বিশৃঙ্খলা শুরু হবে।যেটা না বললেই নয়,এই অল্প দামের ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করতে নিবার্চনে জুড়ি থাকবেনা।নির্বাচনের আগে এদের ভাড়া করে অল্প পয়সায় নগ্ন ব্যবহার করবে।কারণ এরা ছিটমহল বাসি না,এরা জন্ম থেকে জন্ম যুদ্ধ দেখে আসছে আর&nbsp; করে আসছে। এরা রক্তের স্রোত দেখেছে,এদের ভয়ভীতি নেই। এদের সামনে সন্তান,ভাই-বোন,বাবা- মা,দাদা-দাদি,খুন হতে দেখেছেন।এরা ওই রক্ত স্রোতের উপর দিয়ে বাংলাদেশ এসেছে।এদের কলিজা পাথরের ন্যায় শক্ত হয়ে আছে।এদের ওখানে ক্ষমতা কম থাকায় পাল্টা আক্রমণে আসতে পারনি।তাই অত্যাচারিত হয়ে শরণার্থী হিসাবে অন্য দেশে পাড়ি জমাচ্ছে।কিন্ত এটার শেষ কোথায়?এভাবে কত কাল থাকবে?আমাদের শুধু বর্তমান সময় হিসাব করে চললে হবে না। আমাদের বর্তমান জনসংখ্যা আর ভবিষ্যৎ দু&apos;টোই ভাবতে হবে।&nbsp; আমরা আগে কৃষি চাষাবাদের উপর&nbsp; নির্ভরশীল ছিলাম।এখন সেটা ও শেষের পর্যায়।এখন প্রায়ই বিদেশিদের ঋনের&nbsp; উপর নির্ভর করতে হয়।এখন যদি এদের স্থায়ি বসবাসের জন্য কোন অঞ্চলের ভুমি ব্যবহার হয় সেটা ফলসূত হবে না।আবার&nbsp; বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া রোহিঙ্গা দের বাংলাদেশি নাগরিকত্ব দেওয়া হবে আইন-২০১৬ অনুযায়ী।অর্থাৎ বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া প্রত্যেক রোহিঙ্গা শিশুই জন্মসূত্রে এ দেশের নাগরিক।এ দেশে আসা অধিকাংশ রোহিঙ্গা নারী। দৈনিক নয়াদিগন্ত রির্পোট এ (৪.১১.১৭) দেখলাম একটা স্বাভাবিক জরিপ,প্রতিদিন&nbsp; ১৬-২০ টা বাচ্চা জন্ম দিচ্ছে রোহিঙ্গা নারীরা। আর এখন ৭৪ হাজার নারী পেগন্টেট।প্রায়১২ লক্ষ রোহিঙ্গা এ দেশে আছে সে হিসেবে এটা একটা মামুলি পরিসংখ্যান। আরও কয়েক গুন বেশি নারী এখন পেগন্টেট। কারণ এদের প্রজনন ক্ষমতা বেশি আর বাংলাদেশে আসা বেশির ভাগ নারী সেনাবাহিনী দ্বারা ধর্ষিত&nbsp; হয়েছে। উল্লেখ্য, মাত্র কিছু মহিলাকে টেষ্ট করে ৪৬ জন এইডস রোগি পাওয়া গেছে, পত্রিকার রির্পোট এ দেখলাম জবরদস্তি করে টেষ্ট করার নিয়ম নাই। তাই সবাইকে টেষ্ট এর আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না।টেষ্ট এ আরো বেশি পরিমানে এইডস রোগি সনাক্ত হবে।এরা যদি কোন কারনে বাঙালীর সাথে মিশে যায় তবে কিছু বছর পর এইডস এর অবস্থান শীর্ষ আসা অস্বাভাবিক কিছু নয়। একটি বিষয় অনেকের এ অজানা।সেটা হল মিয়ানমার সরকার এদের উৎখাতের কারন গুলোর মধ্যে একটা অন্যতম কারণ হলো এদের প্রজনন ক্ষমতা বেশি। একটা নিউজে দেখছিলাম,এক দম্পতির ৫ সন্তান কে মিয়ানমার এর সেনাবাহিনী হত্যা করার পর ও বাকি ৬ জনকে নিয়ে বাংলাদেশে এসেছে। বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া শিশু গুলোকে নাগরিকত্ব দেওয়া মানে অন্যদের ও রেখে দেওয়ার ব্যবস্থা করা। এমনি কি প্রজনন ক্ষমতা আছে সকল নারীরাই সন্তান নিতে চাইবে। অন্তত সন্তানের জন্য হলে ও তারা বাংলাদেশে থাকতে পারবে।এখন কথা হচ্ছে মানুষের জন্ম হয় জ্যামিতিক হারে অর্থাৎ ২,৪,৮……. এভাবে বাড়তে থাকলে বাঙালী জাতির অভিশপ্ত জীবন সন্নিকট।যদিও সরকার আইন-২০১৭ পাস করতে যাচ্ছে শুধু জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাবে বাবা-মা পাবে না। কিন্তু প্রয়োগে কতটুকু কার্যকর ফল আনবে বলা যায় না। আমাদের মাথায় ওদের নাগরিকত্ব না রেখে যত দ্রুত এদের মিয়ানমারে স্থায়ি ব্যবস্থা করা যায় সে দিক নজর দিতে হবে। আমাদেরকে বিশ্ব বিবেককে প্রতি সেকেন্ড, মিনিটে, জাগ্রত রাখা উচিত রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে।’হাতেমতাইর’ হাতের মত বাড়াতে গেলে শুধু হাত ভাঙবেই না বরং ইজরাইল আর ফিলিস্তিন হওয়ার ও সম্ভাবনা আছে আমাদের এ দেশ।সরকার এদের নোয়াখালীর চরে স্থায়ি ভাবে রাখতে চায়।এদের শুধু নোয়াখালী না যে অঞ্চলে রাখা হবে সে অঞ্চলের ভবিষ্যৎ হবে অন্য অঞ্চল গুলোর চেয়ে জঘন্য।এটা রাজনৈতিক হিসেবে দেখলেই হবে না।সরকার দলীয় আর বড় নেতা,আমলারা যদি বাধা না দেয়। তবে ভবিষ্যৎ নোয়াখালী শুধু তার সকল ধরনের ঐতিহ্য হারাবেই না,২০ বছর পর নিকৃষ্ট অঞ্চলে পরিনত হবে। এ দেশের মানুষ জাতি হিসেবে উদারতার প্রমান রেখেছে হাজার ও বার। ওদের কৃষ্টি- কালচার ভিন্ন। ওদের দেশ ভিন্ন,ওদেরকে খুব দ্রুত&nbsp; মিয়ানমারে পাঠানোর ব্যবস্থা করাই আমাদের ভবিষ্যৎ মুক্তির একমাত্র পথ।আমরা আমাদের জনসংখ্যা নিয়ে ভাবতে হচ্ছে দিনে কয়েকবার।আমাদের শিক্ষিত বেকার অনেক বেশি,আমাদের চাকুরীর বাজার প্রশস্ত নয়। সমস্যা আমাদের প্রতিনিয়ত তাড়া করে বেড়ায়। আমরা যা সহ্য করতে পারবো না তা জোর করে গায়ে না নেওয়াই ভাল।আমরা তাদের সাময়িক আশ্রয় দিয়েছি এবার তাদের স্থায়ী প্রস্থান চাই।সারা বিশ্ব শান্তিতে বসবাস করুক।আমাদের সরকার আমাদের জন্য,সরকারের উপরের পর্যায়ে থাকা ব্যক্তিদের নিকট আবেদন উন্নত ও ক্ষমতাশীল দেশের সাথে আলোচনা যত দ্রুত এগিয়ে নিয়ে ওদের ফিরিয়ে দেওয়া যায় ততই আমাদের জন্য মঙ্গল।পরিশেষে,একজন নাগরিক হিসেবে বলব,এ ভূমিতে মেজবান হিসেবে আসা কাউকে জোর করে গৃহস্থ বানিয়েন না। উদারনীতি ওখানে মানায় যেখানে পর্যাপ্ত অবস্থান আছে।এ বিষয় একজন বাঙালী হিসেবে কারও দ্বিমত পোষণ করা ঠিক হবে না। নিরর্থক লেখালেখি।

Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



web-ad

সর্বশেষ আপডেট





সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]

Developed BY Trustsoftbd