ADS170638-2

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যাকাণ্ডের কেস পিবিআইতে

বিনোদন ডেস্ক: প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহ এর মৃত্যুর অভিযোগে দায়ের করা মামলা পুনঃতদন্তের জন্য কেস ডকেট (নথি) নিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

আজ রবিবার পিবিআইয়ের পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম মামলার কেস ডকেট নেওয়ার জন্য ঢাকা সিএমএম আদালতে আবেদন করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তাই মামলার তদন্তের স্বার্থে মামলাটির কেস ডকেট প্রয়োজন।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম লস্কর সোহেল রানা মামলাটির কেস ডকেট পিবিআইকে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট জিআর শাখাকে নির্দেশ দেন। গত ৬ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম লস্কর সোহেল রানা পিবিআইকে দিয়ে পুনরায় আলোচিত মামলার তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

সালমান শাহ হত্যা মামলার সঠিক তদন্ত আশা করছেন সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরীর আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ। ন্যায়বিচার পাবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহের ১১/বি নিউ ইস্কাটন রোডের ইস্কাটন প্লাজার বাসার নিজ কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রথমে তালে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে।

ওই ঘটনার পর সালমান শাহের পিতা কমর উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী একটি অপমৃত্যুর মামলা করেন। উক্ত মামলা প্রথমে রমনা থানা পুলিশ পরে ডিবি পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার হুমায়ুন কবির তদন্ত করেন। তদন্তকালে সালমান শাহর লাশের প্রথম ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ময়না তদন্ত করেন।

প্রতিবেদনে তারা সালমান শাহের মৃত্যু আত্মহত্যাজনিত বলে উল্লেখ করেন। পরবর্তীতে সালমান শাহের পরিবার ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আপত্তি দিলে সালমানের লাশ কবর থেকে তুলে ফের ময়নাতদন্ত করে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রতিবেদনে, লাশ অত্যধিক পচে যাওয়ার কারণে মৃত্যুর কারণ নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি বলে উল্লেখ করেন।

১৯৯৭ সালের ২৭ জুলাই অপমৃত্যুর মামলা এবং ক্যান্টনমেন্ট থানার মামলা একত্রে তদন্তের জন্য সিআইডির ওপর তদন্তভার হস্তান্তর করা হয়। সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার খালেকুজ্জামান প্রায় সাড়ে ৩ মাস তদন্তের পর ১৯৯৭ সালের ২ নভেম্বর আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

এরপর ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি র‌্যাবকে তদন্ত করতে নির্দেশ দেন ঢাকার সিএমএম আদালত। কিন্তু ওই আদেশ স্থগিত চেয়ে ঢাকা মহানগরের প্রধান সরকারি কৌঁসুলি আবদুল্লাহ আবু ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন মামলা করেন।

শুনানি শেষে গত ২৫ আগস্ট র‌্যাবকে তদন্ত করার সিএমএমের আদেশ বাতিল করেন ঢাকার বিশেষ জজ-৬। একইসঙ্গে আদালত বিচার বিভাগীয় প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে সালমানের মায়ের নারাজি আবেদন পুনঃশুনানি করতে ঢাকার সিএমএম আদালতকে নির্দেশ দেন।

Share Button

সর্বশেষ আপডেট



» সোনাইমুড়ীর আ,লীগ নেতা স্বপনকে গ্রেফতার নিয়ে ধুম্রজাল

» চেয়ারম্যান-মেম্বারের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ নিয়ে ‘গুজব’

» রামগঞ্জে এলডিপির সভাপতি সম্পাদকের বিএনপিতে যোগদান

» ফেনীতে মাদক বিক্রেতার বাড়ি চিহ্নিত করণে সাইনবোর্ড ফেসবুকে ভাইরাল

» সোনাইমুড়ীর ছাত্রলীগ নেতা সুজনকে গ্রেফতারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

» সোনাইমুড়ীতে ফজর পড়ে বের হয়েই মুসুল্লিরা দেখতে পেলেন খালে ভাসছে লাশ!

» দক্ষিণ আফ্রিকায় যাবার পথে নোয়াখালীর ২ আপন ভাইয়ের মৃত্যু

» সোনাইমুড়ী থানায় আ,লীগের সমাঝোতা বৈঠকে ২ গ্রুপের সংঘর্ষ গুলি ওসিসহ আহত ১২

» লক্ষ্মীপুরে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে শিক্ষকের শ্লীলতাহানির শিকার ছাত্রী

» রামগতির চরগাজীতে জমির মালিককে প্রকাশ্যে হত্যার চেষ্টা

ফেইসবুকে প্রিয় নোয়াখালী

add pn
সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]
Desing & Developed BY Trust soft bd
ADS170638-2
,

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যাকাণ্ডের কেস পিবিআইতে

বিনোদন ডেস্ক: প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহ এর মৃত্যুর অভিযোগে দায়ের করা মামলা পুনঃতদন্তের জন্য কেস ডকেট (নথি) নিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

আজ রবিবার পিবিআইয়ের পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম মামলার কেস ডকেট নেওয়ার জন্য ঢাকা সিএমএম আদালতে আবেদন করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তাই মামলার তদন্তের স্বার্থে মামলাটির কেস ডকেট প্রয়োজন।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম লস্কর সোহেল রানা মামলাটির কেস ডকেট পিবিআইকে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট জিআর শাখাকে নির্দেশ দেন। গত ৬ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম লস্কর সোহেল রানা পিবিআইকে দিয়ে পুনরায় আলোচিত মামলার তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

সালমান শাহ হত্যা মামলার সঠিক তদন্ত আশা করছেন সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরীর আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ। ন্যায়বিচার পাবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহের ১১/বি নিউ ইস্কাটন রোডের ইস্কাটন প্লাজার বাসার নিজ কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রথমে তালে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে।

ওই ঘটনার পর সালমান শাহের পিতা কমর উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী একটি অপমৃত্যুর মামলা করেন। উক্ত মামলা প্রথমে রমনা থানা পুলিশ পরে ডিবি পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার হুমায়ুন কবির তদন্ত করেন। তদন্তকালে সালমান শাহর লাশের প্রথম ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ময়না তদন্ত করেন।

প্রতিবেদনে তারা সালমান শাহের মৃত্যু আত্মহত্যাজনিত বলে উল্লেখ করেন। পরবর্তীতে সালমান শাহের পরিবার ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আপত্তি দিলে সালমানের লাশ কবর থেকে তুলে ফের ময়নাতদন্ত করে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রতিবেদনে, লাশ অত্যধিক পচে যাওয়ার কারণে মৃত্যুর কারণ নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি বলে উল্লেখ করেন।

১৯৯৭ সালের ২৭ জুলাই অপমৃত্যুর মামলা এবং ক্যান্টনমেন্ট থানার মামলা একত্রে তদন্তের জন্য সিআইডির ওপর তদন্তভার হস্তান্তর করা হয়। সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার খালেকুজ্জামান প্রায় সাড়ে ৩ মাস তদন্তের পর ১৯৯৭ সালের ২ নভেম্বর আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

এরপর ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি র‌্যাবকে তদন্ত করতে নির্দেশ দেন ঢাকার সিএমএম আদালত। কিন্তু ওই আদেশ স্থগিত চেয়ে ঢাকা মহানগরের প্রধান সরকারি কৌঁসুলি আবদুল্লাহ আবু ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন মামলা করেন।

শুনানি শেষে গত ২৫ আগস্ট র‌্যাবকে তদন্ত করার সিএমএমের আদেশ বাতিল করেন ঢাকার বিশেষ জজ-৬। একইসঙ্গে আদালত বিচার বিভাগীয় প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে সালমানের মায়ের নারাজি আবেদন পুনঃশুনানি করতে ঢাকার সিএমএম আদালতকে নির্দেশ দেন।

Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



web-ad

সর্বশেষ আপডেট





সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]

Developed BY Trustsoftbd