খিলপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ ও কিছু আগ্রহ

মো:সোলাইমান কবির (রবিন)

নোয়াখালী জিলার একমাত্র বিদ্যালয় চট্টগ্রাম বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়া সহ বার বার থানা ও জিলা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভিবিন্ন ক্রিড়া প্রতিযোগিতায়। আমরা ছাত্র থাকাকালীন নোয়াখালি জিলা স্কুল ও থানার একমাত্র সরকারি স্কুল পিজি স্কুল কে আমরা খেলা ব্যতিরেকে অন্য কিছুতে হারাতে পারি নাই। এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার একমাত্র কারন
বিদ্যালয়ের সু বিশাল মাঠ ও আমার পরম শ্রদ্ধেয় মান্নান স্যার।
এই মাঠটি হারনোর পর আমরা কখনো স্কুল জোনাল খেলায় চ্যাম্পিয়নশিপের স্বপ্ন দেখতে পারবো কি??

শুধু তাই নয় খিলপাড়ার
উত্তরে চাটখিল,পশ্চিম এ নোয়াখলা, দক্ষিনে চন্দ্রগঞ্জ, পূবে আবির পাড়া এর মধ্যে আব্দুল ওয়াহাব কলেজ মাঠ ব্যাতিত আর কোন উল্লেখনীয় খেলার মাঠ নাই।
আজ যাদের আলোয় আলোকিত আমাদের খিলপাড়া আপনারাকি প্রত্যাশা করেন না আপনাদের মত ডানপিঠে করে বেড়ে উঠবে আমাগী প্রজন্ম?? নাকি পড়ে থাকুক ইন্টারনেটভিত্তিক ফেইসবুক আর ইউটিউবে??
যে জাতির ঐতিয্য যতবড় সে জাতি হিসেবে ততবড়।১৯১৪ থেকে ২০০১৭ খ্রি শত বছরের ঐতিয্য বহন কারি আমদের এই মাঠ!!
হাজারো ছাত্রের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে এই মাঠে। হয়ত বলবেন আবেগকেন্দ্রিক সিদ্বান্ত বোকামি। সফলতার বীজ যদি স্বপ্ন হয় সেই স্বপ্নের বীজতলা কিন্তু এই আবেগ।গত কয়দিনের ফেবি থেকে দুইটা অনুভুতি

ক.”আমাদের মাঠ”
১৯১৪ সালের এই স্কুল জনাব দারিকানাথ চৌধুরী দান করে গেছেন।এত বড় আয়তনরে স্কুল পুরো বাংলাদেশে দশটি খুজে পাবেন না।গত বিশ দশক ধরে উন্নয়নের যে আমুল পরিবর্তন এই স্কুলে হয়েছে তা কল্পনাতীত।যদিও যুগোপযোগী শিক্ষার প্রসারে আমরা পিছিয়েছি অনেক।
খেলা,খেলা ,খেলা ।ঐতিহ্যবাহী খিলপাড়া স্কুল মাঠে আজ বিকাল ৩ ঘটিকার সময়…. এই মাইকিং শুনে শুনে আমার মত অনেকের শৈশব,কৈশোররে রক্ত শিহরণ এই মাঠকে ঘিরে।এই মাঠকে ঘিরে কত শত ইতিহাস,কত জনের গর্ব। সারাদিনরে ক্লান্তি শেষে আশেপাশের আটদশ গ্রামরে পোলা,বুড়োদের অনেকের প্রশান্তির জায়গা এই মাঠ।
– তানিম ইসলাম
খ.গাছের মোটা মোটা শিকড় এ বসে বাদাম খাওয়ার অনুভূতির কথা বলেছেন – খিলপাড়া ব্লাড ডোনেট ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মামুন ভাই

খিলপাড়া উচ্চ বিদ্যালের ছাত্র ছাত্রী সংখ্যা বার শত থেকে তের শত।এই বিদ্যালয় মাঠ সকল ছাত্র/ছাত্রীর। নবম ও দশম শ্রেণী মিলে আশি থেকে একশত জন ছাত্রের জন্য এই মাঠ বিসর্জন দেওয়া কতটা যৌক্তিক? তাছাড়া নোয়াখালির স্কুল ল্যাবরেটরি মধ্যে খিপিউবি ল্যাবরেটরি সব থেকে বেশী সমরৃদ্ব।
ভালো ফলাফল এর জন্য শুধু ভবন বা বিজ্ঞানাগার নয় দরকার ছাত্র, অভিবাক,শিক্ষকের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। যার প্রমান সপ্তগাও উচ্চ বিদ্যালয় নোয়াখালির মধ্যে একমাত্র যাদের ৮০%এ+ থাকে অথচ তাদের স্কুল ভবন টিন সেড ও অনেক কম পরিসরে।সেখানে খিপিউবির ফলাফল?? বিশেষত গত কয়েক বছর যবত।
প্রকৃতিক সুন্দরতম এক লীলা ভুমি ছিল খিপাউবি দুইপাশে পুকুর সম্মুখে বিস্তৃত সবুজ মাঠ পাশে বিশাল গাছ।একটি পুকুর ভরাট ও তিন দিক দালানের কারনে এম্নিতেই সেই সুন্দর হারাতে বসেছে। এই ভবন হলে তার আর কত টুকুন অবশিষ্ট থাকবে??
শহুরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলি কে সরকার নিয়ম করে দিয়েছে ক্যাম্পাস আর মাঠের জন্য তারিধারা বাহিকতিয় সব বিদ্যাপীঠ গুলি করছে ও তাই।
আমরা আপনাদের হাত ধরে অনেক পথ এগিয়েছি আরো ছাই।

সুতরাং হাজার হাজার ছাত্র/ ছাত্রী ও অভিবকের মনের একান্ত প্রত্যাশা, ঐতিহ্য,সংস্কৃতি,
প্রকৃতিক সৌন্দয্ বিবেচনা পূব্ ক উক্ত ভবনের জন্য বিকল্প স্থান নি্ধারন করলে আপনাদের নিকট
বাধিত থাকিব।

লেখকঃ মো:সোলাইমান কবির (রবিন)
শিক্ষানবিশ আইনজীবী
(ঢাকা মহানগর দায়রা আদালত)
পেরিস,ফ্রান্স থেকে

Share Button

সর্বশেষ আপডেট



» চাটখিলের সন্তান বাঁধনের জিপিএ ফাইভ অর্জন

» নারীর লাশ ঝুলছে, সন্তানের পানিতে,স্বামী পলাতক

» সোনাইমুড়ী প্রেসক্লাবের নুতন সভাপতি খোরশেদ আলম সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোছাইন ভূঁইয়া

» করোনা দুর্যোগে নোয়াখালীর ৩০ হাজার মানুষের পাশে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী জাহাঙ্গীর আলম

» বেগমগঞ্জে ঈদের রাতে আ,লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ সহ আহত ৯ গ্রেফতার ৩

» নোয়াখালী সিভিল সার্জন অফিসের ফেসবুক আইডি হ্যাক

» চাটখিলে বাবার বাড়ী থেকে ১ সন্তানের জননীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

» করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির কয়েক ঘন্টা পরে মারা গেলেন বেগমগঞ্জের একজন

» স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘উইফরইউ পাঠশালা’র ১২০ শিক্ষার্থী পেল ঈদ উপহার ও নগদ অর্থ

» নোয়াখালীতে নুতন আক্রান্ত ৭৭, চাটখিল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরী বিভাগ বাদে সব বন্ধ

ফেইসবুকে প্রিয় নোয়াখালী

সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]
Desing & Developed BY Trust soft bd
,

খিলপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ ও কিছু আগ্রহ

মো:সোলাইমান কবির (রবিন)

নোয়াখালী জিলার একমাত্র বিদ্যালয় চট্টগ্রাম বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়া সহ বার বার থানা ও জিলা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভিবিন্ন ক্রিড়া প্রতিযোগিতায়। আমরা ছাত্র থাকাকালীন নোয়াখালি জিলা স্কুল ও থানার একমাত্র সরকারি স্কুল পিজি স্কুল কে আমরা খেলা ব্যতিরেকে অন্য কিছুতে হারাতে পারি নাই। এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার একমাত্র কারন
বিদ্যালয়ের সু বিশাল মাঠ ও আমার পরম শ্রদ্ধেয় মান্নান স্যার।
এই মাঠটি হারনোর পর আমরা কখনো স্কুল জোনাল খেলায় চ্যাম্পিয়নশিপের স্বপ্ন দেখতে পারবো কি??

শুধু তাই নয় খিলপাড়ার
উত্তরে চাটখিল,পশ্চিম এ নোয়াখলা, দক্ষিনে চন্দ্রগঞ্জ, পূবে আবির পাড়া এর মধ্যে আব্দুল ওয়াহাব কলেজ মাঠ ব্যাতিত আর কোন উল্লেখনীয় খেলার মাঠ নাই।
আজ যাদের আলোয় আলোকিত আমাদের খিলপাড়া আপনারাকি প্রত্যাশা করেন না আপনাদের মত ডানপিঠে করে বেড়ে উঠবে আমাগী প্রজন্ম?? নাকি পড়ে থাকুক ইন্টারনেটভিত্তিক ফেইসবুক আর ইউটিউবে??
যে জাতির ঐতিয্য যতবড় সে জাতি হিসেবে ততবড়।১৯১৪ থেকে ২০০১৭ খ্রি শত বছরের ঐতিয্য বহন কারি আমদের এই মাঠ!!
হাজারো ছাত্রের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে এই মাঠে। হয়ত বলবেন আবেগকেন্দ্রিক সিদ্বান্ত বোকামি। সফলতার বীজ যদি স্বপ্ন হয় সেই স্বপ্নের বীজতলা কিন্তু এই আবেগ।গত কয়দিনের ফেবি থেকে দুইটা অনুভুতি

ক.”আমাদের মাঠ”
১৯১৪ সালের এই স্কুল জনাব দারিকানাথ চৌধুরী দান করে গেছেন।এত বড় আয়তনরে স্কুল পুরো বাংলাদেশে দশটি খুজে পাবেন না।গত বিশ দশক ধরে উন্নয়নের যে আমুল পরিবর্তন এই স্কুলে হয়েছে তা কল্পনাতীত।যদিও যুগোপযোগী শিক্ষার প্রসারে আমরা পিছিয়েছি অনেক।
খেলা,খেলা ,খেলা ।ঐতিহ্যবাহী খিলপাড়া স্কুল মাঠে আজ বিকাল ৩ ঘটিকার সময়…. এই মাইকিং শুনে শুনে আমার মত অনেকের শৈশব,কৈশোররে রক্ত শিহরণ এই মাঠকে ঘিরে।এই মাঠকে ঘিরে কত শত ইতিহাস,কত জনের গর্ব। সারাদিনরে ক্লান্তি শেষে আশেপাশের আটদশ গ্রামরে পোলা,বুড়োদের অনেকের প্রশান্তির জায়গা এই মাঠ।
– তানিম ইসলাম
খ.গাছের মোটা মোটা শিকড় এ বসে বাদাম খাওয়ার অনুভূতির কথা বলেছেন – খিলপাড়া ব্লাড ডোনেট ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মামুন ভাই

খিলপাড়া উচ্চ বিদ্যালের ছাত্র ছাত্রী সংখ্যা বার শত থেকে তের শত।এই বিদ্যালয় মাঠ সকল ছাত্র/ছাত্রীর। নবম ও দশম শ্রেণী মিলে আশি থেকে একশত জন ছাত্রের জন্য এই মাঠ বিসর্জন দেওয়া কতটা যৌক্তিক? তাছাড়া নোয়াখালির স্কুল ল্যাবরেটরি মধ্যে খিপিউবি ল্যাবরেটরি সব থেকে বেশী সমরৃদ্ব।
ভালো ফলাফল এর জন্য শুধু ভবন বা বিজ্ঞানাগার নয় দরকার ছাত্র, অভিবাক,শিক্ষকের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। যার প্রমান সপ্তগাও উচ্চ বিদ্যালয় নোয়াখালির মধ্যে একমাত্র যাদের ৮০%এ+ থাকে অথচ তাদের স্কুল ভবন টিন সেড ও অনেক কম পরিসরে।সেখানে খিপিউবির ফলাফল?? বিশেষত গত কয়েক বছর যবত।
প্রকৃতিক সুন্দরতম এক লীলা ভুমি ছিল খিপাউবি দুইপাশে পুকুর সম্মুখে বিস্তৃত সবুজ মাঠ পাশে বিশাল গাছ।একটি পুকুর ভরাট ও তিন দিক দালানের কারনে এম্নিতেই সেই সুন্দর হারাতে বসেছে। এই ভবন হলে তার আর কত টুকুন অবশিষ্ট থাকবে??
শহুরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলি কে সরকার নিয়ম করে দিয়েছে ক্যাম্পাস আর মাঠের জন্য তারিধারা বাহিকতিয় সব বিদ্যাপীঠ গুলি করছে ও তাই।
আমরা আপনাদের হাত ধরে অনেক পথ এগিয়েছি আরো ছাই।

সুতরাং হাজার হাজার ছাত্র/ ছাত্রী ও অভিবকের মনের একান্ত প্রত্যাশা, ঐতিহ্য,সংস্কৃতি,
প্রকৃতিক সৌন্দয্ বিবেচনা পূব্ ক উক্ত ভবনের জন্য বিকল্প স্থান নি্ধারন করলে আপনাদের নিকট
বাধিত থাকিব।

লেখকঃ মো:সোলাইমান কবির (রবিন)
শিক্ষানবিশ আইনজীবী
(ঢাকা মহানগর দায়রা আদালত)
পেরিস,ফ্রান্স থেকে

Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



web-ad

সর্বশেষ আপডেট





সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]

Developed BY Trustsoftbd