ADS170638-2

সুরুতহাল ও পোস্টমটেম রিপোর্টে আঘাতের চিহ্ন মেলেনি ডা. রাজনের

প্রিয় নোয়াখালী ডেস্কঃ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সহকারী অধ্যাপক ডা. রাজন কর্মকারের মরদেহে আঘাতে কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
সোমবার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া এ তথ্য জানান। এছাড়া পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে তার দেহ স্বাভাবিক ছিল।
জানা গেছে, হঠাৎ করেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ডা. রাজনের মৃত্যৃ হয়েছে। এ ঘটনায় ডা. রাজনের স্ত্রী ও শ্বশুর খাদ্যমন্ত্রী শোকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
সোমবার সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে রাজনের লাশ দেখতে যান তার স্ত্রী ডা, কৃষ্ণা মজুমদার। স্বামীর মৃত্যুতে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
বিএসএমএমইউ’র চিকিৎসকরা জানান, ময়নাতদন্ত শেষে দুপুরে রাজনের মৃতদেহ তার কর্মস্থল বিএসএমএমইউ-এ নেওয়া হয়। দুপুর ২টার দিকে অ্যাম্বুলেন্স যোগে মৃতদেহ গ্রামের বাড়ির নোয়াখালীর উদ্দেশে নিয়ে রওনা হন স্বজনরা।
এ দিকে মেয়ের স্বামীর অকাল মৃত্যৃতে শোকাহত খাদ্যমন্ত্রী ও তার পরিবার অভিযোগ করেন, ডা. রাজনের মৃত্যু নিয়ে জল ঘোলা করেছে একটি গোষ্ঠী। তারা খাদ্যমন্ত্রী ও তার পরিবারকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই ডা. রাজনের মৃত্যু নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে।
অন্যদিকে ডা. রাজনের পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্তের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ডা. রাজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আ ন ম সেলিম রেজার বরাত দিয়ে বলেন, ডা. রাজন কর্মকারের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানার এস আই মো. জামিল হোসাইনের তৈরি করা ডা. রাজন কর্মকারের সুরতহাল রিপোর্টে বলা হয়েছে, মৃতের পরনে কালো রং এর প্যান্ট, কোমড়ে বেল্ট এবং প্যান্টের নিটে আন্ডার ওয়্যার পরা ছিল। মৃতের দুই হাত শরীরের দুই পার্শ্বে লম্বাভাবে খোলা অবস্থায় আছে। পা দুইটা লম্বালম্বি। মৃতের মাথার চুল কালো ও ক্কোড়ানো যারা লম্বা দুই ইঞ্চি। কান, নাক স্বাভাবিক, চোখ বন্ধ এবং স্বাভাবিক। বুক, পেট ও নাভী স্বাভাবিক। মৃতের প্যান্ট ও আন্ডারওয়ার খুলে দেখা গেছে সবই স্বাভাবিক। মৃতের শরীর অন্য কোথাও কোনো দাগ দেখা যায়নি।
প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফিসিয়াল সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন ডা. রাজন কর্মকার। তিনি খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের মেয়ে ডা. কৃষ্ণা মজুমদারের স্বামী। ডা. কৃষ্ণা মজুমদারও বিএসএমএমইউ-এর সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। গত ১৬ মার্চ রাত ৩ টার দিকে ডা. রাজন কর্মকার হঠাৎ করেই হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে দ্রæত রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে স্কয়ার হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আসাদুজ্জামান জানান, রাত পৌনে ৪ টার দিকে পরিবারের সদস্যরা ডা. রাজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর লাইফের কোনো সাইন পাওয়া যায়নি। তার শরীরে কোনো জখম ছিল না। প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা গেছেন।

Share Button

সর্বশেষ আপডেট



» একুশে পদক প্রাপ্ত গান্ধী আশ্রমের ঝর্ণা ধরা চৌধুরী আর নেই

» জাতীয় কাব শিশু প্রতিযোগীতায় সারাদেশে সেরা চাটখিলের নোমানী

» ৩ ঘন্টায়ও নিজেকে এমবিবিএস ডাক্তার প্রমান করকে না পেরে জেলে গেলেন সেনবাগের মামুন

» রামগঞ্জে প্রতিবন্ধী যুবতীকে ধষর্ন করে অন্তঃসত্বা

» বেগমগঞ্জ দুটি অপহরণ ও ধর্ষন মামলা আসামী হকার জাকিরকে গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

» দঃ আফ্রিকায় মসজিদের টাকা ছিনতাইঃ ডাকাতদের গ্রেফতারে পুরস্কারের ঘোষণা

» চাটখিলে মসজিদের ভেতরে শিশু বলাৎকার, মুয়াজ্জিন আটক

» রামগঞ্জে পুলিশ অফিসারের উদ্যোগে আলোকিত একই পরিবারের ৪ প্রতিবন্ধী

» চাটখিলে রক্তদাতা দিবসে খিলপাড়া ব্লাড ডোনেট ক্লাবের বর্ণাঢ্য সাইকেল শোভাযাত্রা

» নোয়াখালীতে আদালত থেকে হাতকড়াসহ দৌড়ে পালাল মাদক মামলার আসামী

ফেইসবুকে প্রিয় নোয়াখালী

add pn
সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]
Desing & Developed BY Trust soft bd
ADS170638-2
,

সুরুতহাল ও পোস্টমটেম রিপোর্টে আঘাতের চিহ্ন মেলেনি ডা. রাজনের

প্রিয় নোয়াখালী ডেস্কঃ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সহকারী অধ্যাপক ডা. রাজন কর্মকারের মরদেহে আঘাতে কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
সোমবার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া এ তথ্য জানান। এছাড়া পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে তার দেহ স্বাভাবিক ছিল।
জানা গেছে, হঠাৎ করেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ডা. রাজনের মৃত্যৃ হয়েছে। এ ঘটনায় ডা. রাজনের স্ত্রী ও শ্বশুর খাদ্যমন্ত্রী শোকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
সোমবার সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে রাজনের লাশ দেখতে যান তার স্ত্রী ডা, কৃষ্ণা মজুমদার। স্বামীর মৃত্যুতে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
বিএসএমএমইউ’র চিকিৎসকরা জানান, ময়নাতদন্ত শেষে দুপুরে রাজনের মৃতদেহ তার কর্মস্থল বিএসএমএমইউ-এ নেওয়া হয়। দুপুর ২টার দিকে অ্যাম্বুলেন্স যোগে মৃতদেহ গ্রামের বাড়ির নোয়াখালীর উদ্দেশে নিয়ে রওনা হন স্বজনরা।
এ দিকে মেয়ের স্বামীর অকাল মৃত্যৃতে শোকাহত খাদ্যমন্ত্রী ও তার পরিবার অভিযোগ করেন, ডা. রাজনের মৃত্যু নিয়ে জল ঘোলা করেছে একটি গোষ্ঠী। তারা খাদ্যমন্ত্রী ও তার পরিবারকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই ডা. রাজনের মৃত্যু নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে।
অন্যদিকে ডা. রাজনের পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্তের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ডা. রাজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আ ন ম সেলিম রেজার বরাত দিয়ে বলেন, ডা. রাজন কর্মকারের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানার এস আই মো. জামিল হোসাইনের তৈরি করা ডা. রাজন কর্মকারের সুরতহাল রিপোর্টে বলা হয়েছে, মৃতের পরনে কালো রং এর প্যান্ট, কোমড়ে বেল্ট এবং প্যান্টের নিটে আন্ডার ওয়্যার পরা ছিল। মৃতের দুই হাত শরীরের দুই পার্শ্বে লম্বাভাবে খোলা অবস্থায় আছে। পা দুইটা লম্বালম্বি। মৃতের মাথার চুল কালো ও ক্কোড়ানো যারা লম্বা দুই ইঞ্চি। কান, নাক স্বাভাবিক, চোখ বন্ধ এবং স্বাভাবিক। বুক, পেট ও নাভী স্বাভাবিক। মৃতের প্যান্ট ও আন্ডারওয়ার খুলে দেখা গেছে সবই স্বাভাবিক। মৃতের শরীর অন্য কোথাও কোনো দাগ দেখা যায়নি।
প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফিসিয়াল সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন ডা. রাজন কর্মকার। তিনি খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের মেয়ে ডা. কৃষ্ণা মজুমদারের স্বামী। ডা. কৃষ্ণা মজুমদারও বিএসএমএমইউ-এর সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। গত ১৬ মার্চ রাত ৩ টার দিকে ডা. রাজন কর্মকার হঠাৎ করেই হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে দ্রæত রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে স্কয়ার হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আসাদুজ্জামান জানান, রাত পৌনে ৪ টার দিকে পরিবারের সদস্যরা ডা. রাজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর লাইফের কোনো সাইন পাওয়া যায়নি। তার শরীরে কোনো জখম ছিল না। প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা গেছেন।

Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



web-ad

সর্বশেষ আপডেট





সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]

Developed BY Trustsoftbd