ADS170638-2

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ হিজবুত তাওহীদের

 

সম্প্রতি প্রিয় নোয়াখালী ডট কমে প্রকাশিত হিজবুত তাওহীদকে নিয়ে একটি প্রকিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা। প্রতিবাদটি নিম্নে হুবহু প্রকাশ করা হলো।

 

বরাবর,
সম্পাদক,
প্রিয় নোয়াখালী ডট কম

বিষয়: প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ।

জনাব,
আপনি নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে, গত ৯ মে ২০১৯ তারিখে আপনার সম্পাদিত ওয়েব পোর্টালে “সোনাইমুড়িতে হেযবুত তওহীদ আবারও সক্রিয়, গ্রামবাসী আতঙ্কে” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। আমি হেযবুত তওহীদের পক্ষ থেকে আপনাকে জানাচ্ছি যে, এই সংবাদটির জন্য আমাদের আন্দোলনের মর্যাদাহানী হয়েছে কারণ এখানে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে যে সকল বক্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে তা জঘন্য মিথ্যাচার বই কিছু নয়। আমরা এই উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচারমূলক মিথ্যাপূর্ণ সংবাদ প্রকাশের তীব্র প্রতিবাদ, তীব্র নিন্দা জানাই।
২০০১ সনে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার পোরকরা গ্রামে হেযবুত তওহীদের কার্যক্রম শুরু হয়। তখন থেকেই হেযবুত তওহীদ সেখানে সক্রিয় আছে। কারণ হেযবুত তওহীদের এমামের বাড়ি সেখানে। তাই “সোনাইমুড়িতে হেযবুত তওহীদ আবারও সক্রিয়, গ্রামবাসী আতঙ্কে” এমন শিরোনাম অত্যন্ত বিভ্রান্তিকর। হেযবুত তওহীদের সদস্যদের দ্বারা এমন কোনো ঘটনা এ পর্যন্ত ঘটেনি যার দরুণ গ্রামবাসী আতঙ্কিত হবে। বরং হেযবুত তওহীদের সদস্যদের বাড়িঘরেই এ পর্যন্ত হামলা চালানো হয়েছে, হেযবুত তওহীদের সদস্যদের বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হয়েছে, তাদের গাছপালা কেটে নেওয়া হয়েছে, বিষপ্রয়োগে মাছ মেরে ফেলা হয়েছে, তাদের সদস্যদেরকেই আহত করা হয়েছে, জবাই করা হয়েছে প্রকাশ্য দিবালোকে। সুতরাং গ্রামবাসী আতঙ্কে এমন কথা হাস্যকর। আতঙ্কে তো থাকবে তারা যারা বারবার ধর্মব্যবসায়ীদের দ্বারা সৃষ্ট উন্মাদনার শিকার হয়েছে, মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছে।
গোড়া থেকেই হেযবুত তওহীদের মাননীয় এমামের বাবা নুরুল হক মেম্বারের রাজনৈতিক ও গ্রাম্য শত্রæরা হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়। উল্লেখ্য, নুরুল হক মেম্বার সোনাইমুড়ি উপজেলার মধ্যে একজন সম্মানিত ও অবস্থাসম্পন্ন ব্যক্তি। তিনি দীর্ঘ দুই যুগ সুনামের সঙ্গে ইউপি সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ষড়যন্ত্রকারীদের উদ্দেশ্য ছিল হেযবুত তওহীদকে ইস্যু বানিয়ে নুরুল হক মেম্বারের জায়গা সম্পত্তি দখল করে নেবে। আগাগোড়া এটাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য, এই উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তারা ধর্মব্যবসায়ী একটি গোষ্ঠীকে সুযোগ সুবিধা টাকা পয়সা দিয়ে হাত করে যারা হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে ওয়াজ করে, খুতবা দিয়ে, গুজব রটিয়ে, অপপ্রচার করে গ্রামবাসীকে প্ররোচিত করতে থাকে। তাদের প্ররোচনায় এ পর্যন্ত চারবার ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছে, লুটপাট করে ভস্মীভ‚ত করা হয়েছে হেযবুত তওহীদ বাড়িঘর।
২০১৬ সনে হেযবুত তওহীদের সদস্যরা নিজেদের জমিতে একটি মসজিদ নির্মাণ করছিলেন। সেই মসজিদকে গির্জা বলে গুজব রটিয়ে দিয়ে হামলা চালানো হয়। মসজিদের মাইক ব্যবহার করে বলা হয়- হেযবুত তওহীদ খ্রিষ্টান। খ্রিষ্টান মারো গির্জা ভাঙো। হাজার হাজার সন্ত্রাসী ডেকে আনা হয় আশপাশের জেলা উপজেলা থেকে। সেখানে আমাদের ১১৪ সদস্যকে পুড়িয়ে কুপিয়ে পিটিয়ে মারার চেষ্টা করা হয় সারাদিন। দুইজন সদস্যকে জবাই করে তাদের গায়ে আগুন দিয়ে লাশ পুড়িয়ে দেওয়া হয়। কী অপরাধ ছিল হেযবুত তওহীদের? যদি অপরাধ থাকে তবে দেশে তো আইন আছে। এভাবে ধর্মের নামে উন্মাদনা সৃষ্টি করে দেওয়া, তা-ও মিথ্যা কথার ভিত্তিতে এটা কেমন জুলুম। অথচ আপনার পত্রিকার সাংবাদিক আদ্যোপান্ত সংবাদে এই অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে একটি শব্দও লিখেন নি।
হেযবুত তওহীদের উপর কালো তালিকায় থাকার যে অপবাদটি আরোপ করা হয় সেটাও উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার। কারণ আইন-আদালতের ভাষায় কালোতালিকা শব্দটির কোনো ভিত্তি নেই। আমাদের বেলায় নেতিবাচক এই শব্দটি প্রয়োগ প্রযোজ্য নয় মর্মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আমরা উকিল নোটিশ পাঠিয়েছি বহু আগেই। বিগত বছরগুলোতে আমরা সারাদেশে লক্ষ লক্ষ জনসভা সেমিনার করেছি যেগুলোর প্রত্যেকটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের লিখিত অনুমোদনের ভিত্তিতে করা হয়েছে, সেগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পাহারা দিয়েছেন। হেযবুত তওহীদের কার্যক্রমের ব্যাপারে যদি কোনো সরকারি বিধিনিষেধ থাকত তাহলে তারা কি অনুমোদন দিত, পাহারা দিত? এই সাধারণ জ্ঞানটুকু একজন সংবাদকর্মীর অবশ্যই থাকার কথা।
বিগত ২৪ বছরে হেযবুত তওহীদ কোনো সন্ত্রাসী কার্যক্রম করেনি, বে-আইনী কর্মকাÐে জড়িত হয়নি। বরং সকল প্রকার সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, ধর্মব্যবসা, অপরাজনীতি, মাদকসহ সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে দেশ ও জাতির কল্যাণার্থে কাজ করে যাচ্ছে। শুরু থেকেই হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত আছে ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠী ও ধর্মবিদ্বেষী গণমাধ্যম। আপনার পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদটিও একটি উস্কানিমূলক সংবাদ। এটা ভুললে চলবে না যে, এমন উস্কানিমূলক সংবাদ প্রচারের পরিণামে আবারো সোনাইমুড়িতে ভয়াবহ সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। তখন এই প্ররোচনাদাতা হিসাবে আপনার প্রতিষ্ঠান দায় এড়াতে পারবে না।
আপনার পোর্টালে প্রকাশিত এই সংবাদটি আমাদের বিরুদ্ধে জনগণের কাছে ভুল তথ্য প্রদান করছে। এটি অবিলম্বে সাইট থেকে অপসারণ করে আমাদের এই প্রতিবাদলিপিটি ওয়েবসাইটে পাবলিশ করার জোর দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় আইনের দ্বারস্থ হওয়া ছাড়া আমাদের উপায় থাকবে না।
ধন্যবাদান্তে,

(নিজাম উদ্দিন)
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, হেযবুত তওহীদ

পিতা: নুরুল হক
গ্রাম: পোরকরা, উপজেলা: সোনাইমুড়ি,
জেলা: নোয়াখালী

Share Button

সর্বশেষ আপডেট



» চাটখিলে খিলপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি শাহ পরান গ্রেফতার

» সোনাইমুড়ীতে দুটি যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে ৩০জন আহত

» রামগঞ্জে ৫ম শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষন, যুবক আটক

» চাটখিলে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে নোয়াখলা ইউপি সেরা হিসেবে পুরস্কৃত

» সুবর্ণচরে চেয়ারম্যানের কেয়ারটেকারের রহস্যজনক মৃত্যু, সাংবাদিকের ওপর হামলা

» সোনাইমুড়ীতে ৩য় শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন হয়রানীর অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার

» চবিতে ‘নোয়াখালী জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি’র সপ্তাহব্যাপী সদস্য সংগ্রহ চলছে

» ঘাতক সিরাজকে দেখে জ্ঞান হারালেন নুসরাতের মা

» ৭ মিনিটে ইউএনও হাজির, ২০০ টাকার ডিফোডিন ৪০০টাকা

» চাটখিলের খিলপাড়ার সেই পোস্টমাস্টার নুর করিম দুদকের ৩ দিনের রিমান্ডে

ফেইসবুকে প্রিয় নোয়াখালী

add pn
সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]
Desing & Developed BY Trust soft bd
ADS170638-2
,

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ হিজবুত তাওহীদের

 

সম্প্রতি প্রিয় নোয়াখালী ডট কমে প্রকাশিত হিজবুত তাওহীদকে নিয়ে একটি প্রকিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা। প্রতিবাদটি নিম্নে হুবহু প্রকাশ করা হলো।

 

বরাবর,
সম্পাদক,
প্রিয় নোয়াখালী ডট কম

বিষয়: প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ।

জনাব,
আপনি নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে, গত ৯ মে ২০১৯ তারিখে আপনার সম্পাদিত ওয়েব পোর্টালে “সোনাইমুড়িতে হেযবুত তওহীদ আবারও সক্রিয়, গ্রামবাসী আতঙ্কে” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। আমি হেযবুত তওহীদের পক্ষ থেকে আপনাকে জানাচ্ছি যে, এই সংবাদটির জন্য আমাদের আন্দোলনের মর্যাদাহানী হয়েছে কারণ এখানে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে যে সকল বক্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে তা জঘন্য মিথ্যাচার বই কিছু নয়। আমরা এই উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচারমূলক মিথ্যাপূর্ণ সংবাদ প্রকাশের তীব্র প্রতিবাদ, তীব্র নিন্দা জানাই।
২০০১ সনে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার পোরকরা গ্রামে হেযবুত তওহীদের কার্যক্রম শুরু হয়। তখন থেকেই হেযবুত তওহীদ সেখানে সক্রিয় আছে। কারণ হেযবুত তওহীদের এমামের বাড়ি সেখানে। তাই “সোনাইমুড়িতে হেযবুত তওহীদ আবারও সক্রিয়, গ্রামবাসী আতঙ্কে” এমন শিরোনাম অত্যন্ত বিভ্রান্তিকর। হেযবুত তওহীদের সদস্যদের দ্বারা এমন কোনো ঘটনা এ পর্যন্ত ঘটেনি যার দরুণ গ্রামবাসী আতঙ্কিত হবে। বরং হেযবুত তওহীদের সদস্যদের বাড়িঘরেই এ পর্যন্ত হামলা চালানো হয়েছে, হেযবুত তওহীদের সদস্যদের বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হয়েছে, তাদের গাছপালা কেটে নেওয়া হয়েছে, বিষপ্রয়োগে মাছ মেরে ফেলা হয়েছে, তাদের সদস্যদেরকেই আহত করা হয়েছে, জবাই করা হয়েছে প্রকাশ্য দিবালোকে। সুতরাং গ্রামবাসী আতঙ্কে এমন কথা হাস্যকর। আতঙ্কে তো থাকবে তারা যারা বারবার ধর্মব্যবসায়ীদের দ্বারা সৃষ্ট উন্মাদনার শিকার হয়েছে, মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছে।
গোড়া থেকেই হেযবুত তওহীদের মাননীয় এমামের বাবা নুরুল হক মেম্বারের রাজনৈতিক ও গ্রাম্য শত্রæরা হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়। উল্লেখ্য, নুরুল হক মেম্বার সোনাইমুড়ি উপজেলার মধ্যে একজন সম্মানিত ও অবস্থাসম্পন্ন ব্যক্তি। তিনি দীর্ঘ দুই যুগ সুনামের সঙ্গে ইউপি সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ষড়যন্ত্রকারীদের উদ্দেশ্য ছিল হেযবুত তওহীদকে ইস্যু বানিয়ে নুরুল হক মেম্বারের জায়গা সম্পত্তি দখল করে নেবে। আগাগোড়া এটাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য, এই উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তারা ধর্মব্যবসায়ী একটি গোষ্ঠীকে সুযোগ সুবিধা টাকা পয়সা দিয়ে হাত করে যারা হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে ওয়াজ করে, খুতবা দিয়ে, গুজব রটিয়ে, অপপ্রচার করে গ্রামবাসীকে প্ররোচিত করতে থাকে। তাদের প্ররোচনায় এ পর্যন্ত চারবার ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছে, লুটপাট করে ভস্মীভ‚ত করা হয়েছে হেযবুত তওহীদ বাড়িঘর।
২০১৬ সনে হেযবুত তওহীদের সদস্যরা নিজেদের জমিতে একটি মসজিদ নির্মাণ করছিলেন। সেই মসজিদকে গির্জা বলে গুজব রটিয়ে দিয়ে হামলা চালানো হয়। মসজিদের মাইক ব্যবহার করে বলা হয়- হেযবুত তওহীদ খ্রিষ্টান। খ্রিষ্টান মারো গির্জা ভাঙো। হাজার হাজার সন্ত্রাসী ডেকে আনা হয় আশপাশের জেলা উপজেলা থেকে। সেখানে আমাদের ১১৪ সদস্যকে পুড়িয়ে কুপিয়ে পিটিয়ে মারার চেষ্টা করা হয় সারাদিন। দুইজন সদস্যকে জবাই করে তাদের গায়ে আগুন দিয়ে লাশ পুড়িয়ে দেওয়া হয়। কী অপরাধ ছিল হেযবুত তওহীদের? যদি অপরাধ থাকে তবে দেশে তো আইন আছে। এভাবে ধর্মের নামে উন্মাদনা সৃষ্টি করে দেওয়া, তা-ও মিথ্যা কথার ভিত্তিতে এটা কেমন জুলুম। অথচ আপনার পত্রিকার সাংবাদিক আদ্যোপান্ত সংবাদে এই অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে একটি শব্দও লিখেন নি।
হেযবুত তওহীদের উপর কালো তালিকায় থাকার যে অপবাদটি আরোপ করা হয় সেটাও উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার। কারণ আইন-আদালতের ভাষায় কালোতালিকা শব্দটির কোনো ভিত্তি নেই। আমাদের বেলায় নেতিবাচক এই শব্দটি প্রয়োগ প্রযোজ্য নয় মর্মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আমরা উকিল নোটিশ পাঠিয়েছি বহু আগেই। বিগত বছরগুলোতে আমরা সারাদেশে লক্ষ লক্ষ জনসভা সেমিনার করেছি যেগুলোর প্রত্যেকটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের লিখিত অনুমোদনের ভিত্তিতে করা হয়েছে, সেগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পাহারা দিয়েছেন। হেযবুত তওহীদের কার্যক্রমের ব্যাপারে যদি কোনো সরকারি বিধিনিষেধ থাকত তাহলে তারা কি অনুমোদন দিত, পাহারা দিত? এই সাধারণ জ্ঞানটুকু একজন সংবাদকর্মীর অবশ্যই থাকার কথা।
বিগত ২৪ বছরে হেযবুত তওহীদ কোনো সন্ত্রাসী কার্যক্রম করেনি, বে-আইনী কর্মকাÐে জড়িত হয়নি। বরং সকল প্রকার সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, ধর্মব্যবসা, অপরাজনীতি, মাদকসহ সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে দেশ ও জাতির কল্যাণার্থে কাজ করে যাচ্ছে। শুরু থেকেই হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত আছে ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠী ও ধর্মবিদ্বেষী গণমাধ্যম। আপনার পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদটিও একটি উস্কানিমূলক সংবাদ। এটা ভুললে চলবে না যে, এমন উস্কানিমূলক সংবাদ প্রচারের পরিণামে আবারো সোনাইমুড়িতে ভয়াবহ সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। তখন এই প্ররোচনাদাতা হিসাবে আপনার প্রতিষ্ঠান দায় এড়াতে পারবে না।
আপনার পোর্টালে প্রকাশিত এই সংবাদটি আমাদের বিরুদ্ধে জনগণের কাছে ভুল তথ্য প্রদান করছে। এটি অবিলম্বে সাইট থেকে অপসারণ করে আমাদের এই প্রতিবাদলিপিটি ওয়েবসাইটে পাবলিশ করার জোর দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় আইনের দ্বারস্থ হওয়া ছাড়া আমাদের উপায় থাকবে না।
ধন্যবাদান্তে,

(নিজাম উদ্দিন)
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, হেযবুত তওহীদ

পিতা: নুরুল হক
গ্রাম: পোরকরা, উপজেলা: সোনাইমুড়ি,
জেলা: নোয়াখালী

Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



web-ad

সর্বশেষ আপডেট





সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]

Developed BY Trustsoftbd