সুন্দরী স্ত্রীর পরকিয়া ও ষড়যন্ত্রে সর্বশান্ত সংবাদপত্র এজেন্ট জাকির

প্রচ্ছদে ব্যবহৃত ছবিঃ অভিযুক্ত স্ত্রী প্রমি ও তার কথিত প্রেমিক আয়াত।

প্রিয় নোয়াখালী ডেস্কঃ

স্ত্রীর কারণে সর্বশান্ত হয়েছেন নোয়াখালীর সেনবাগে সংবাদপত্র এজেন্ট মো. জকির হোসেন। মঙ্গলবার দুপুরে নোয়াখালী প্রেসক্লাবে হতবাগা জাকির হোসেন সাংবাদিকদের কাছে লিখিত বক্তব্যে একথা জানান।
এ সময় নিজের পরিবারের শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই বেগমগঞ্জ পুলিশী হয়রানির কবলে এলাকা ছাড়া বলে সংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করেন জাকিরের বৃদ্ধ পিতা ও সেনবাগের আবুল খায়ের।
জাকির হোসেন জানায়, সামাজিকভাবে ২০১৬ সালের ১৫ এপ্রিল সেনবাগ উপজেলার ৬নং ইউপির মইজদীপুর গ্রামের মাজারুল হক কাজলের মেয়ে ফাইমা আক্তার প্রমিকে বিয়ে করে দুই বছর সুখ শান্তিতে ঘর সংসার করেন। বিয়ের পর স্ত্রী ফাইমা আক্তার প্রমি চৌমুহনীতে মাইটিভির সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন মিঠুর মালিকীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ নিতে ভর্তি হয়।
প্রমি সুন্দরী হওয়ায় তার সঙ্গে মিঠুর সহযোগী আয়াত উল্যার পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর সেখানে মিঠু ও আয়াত উল্যার পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত ও লালসায় জাকিরের সোনার সংসারে অশান্তি নেমে আসে। এক পর্যায়ে স্ত্রী ফাইমা আক্তার প্রমি তার বাবা বিদেশ যাওয়ার নাম করে জাকিরের কাছে দুই লাখ টাকা ধার চায়।
জাকির ওই টাকা দেয়ার বিষয়ে অপরগতা জানালে প্রমি সংবদ্ধ চক্রের পরামর্শে জাকিরের সঙ্গে বিয়ের ঘটনা অস্বীকার করে মিঠু ও আয়াত ঊল্যার সহযোগিতায় বেগমগঞ্জ থানায় স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলায় সংবাদপত্র এজেন্ট মো. জকির হোসেন ও তার ছোটভাই মমিন উদ্দিন বেশ কিছুদিন জেল খেটেছেন। এ ছাড়া সংবাদপত্র এজেন্ট মো. জকির হোসেনের বৃদ্ধ বাবা, মা, ভাই বোন ভগ্নিগতিকে হয়রানি করে পুলিশ। এক পর্যায়ে আয়াত উল্যা জেলহাজতে জাকিরের সঙ্গে দেখা করে। জেল থেকে মুক্ত করতে জাকিরের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে।
এদিকে আদালতের মাধ্যমে জাকির জামিনে আসলে আবারো তার বিরুদ্ধে শুরু হয় নানমুখি ষড়যন্ত্র।
এক পর্যায়ে কোনো প্রকার ঘটনা ছাড়াই জাকিরের বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করে ফাইমা আক্তার প্রমি। তার দায়ের করা একের পর এক মামলায় জাকিরের সংবাদপত্র ব্যবসা বন্ধ হয়ে সর্বশান্ত হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
এদিকে জাকিরের বিয়ের সত্যতা নিশ্চিত করে সেনবাগ উপজেলার ৬নং ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ও বেগমগঞ্জের ১২নং কুতুবপুর ইউপির চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম হিরণ প্রত্যায়নপত্র প্রদান করেছেন।
একই বিয়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মাওলানা সাইফুল্লাহ ও আবদুল হানান, আবদুল রহিম বাদশা, হাজী হারুনের রশিদ, সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল হক, ইউপি মেম্বার কামাল হোসেন ছলিম উল্যা ও আবু নাছেরসহ আরও একাধিক ব্যক্তি।
উল্লেখ্য, জেলার চাটখিলের দরগা বাজার এলাকার আইনুল ইসলাম সায়েম ওরফে আয়াত উল্যা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায় নিজের নাম পরিবর্তন করে কখনো ডিবি পুলিশ, কখনো র্যাব, কখনো সাংবাদিক আবার কখনো জর্জের পেশকার, কখনো নাট্যকার, কখনো উকিল ও ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পরিচয় দিয়ে মানুষকে নানাভাবে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে প্রতারিত করছে।
ইতিপূর্বে সুধারাম মডেল থানায় নাজমুন নাহার নামের এক প্রবাসী স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এ প্রতারক। এ ঘটনায় ২০১১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আইনুল ইসলাম সায়েম ওরফে আয়াত উল্যার বিরুদ্ধে নাজমুন নাহার সুধারাম মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
আইনুল ইসলাম সায়েম ওরফে আয়াত উল্যার বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জে চাঁদাবাজি, সোনাইমুড়িতে ধর্ষণের মামলাসহ বিভিন্ন থানায় কয়েকটি মামলা রয়েছে।

নিউজ ক্রেডিটঃ যুগান্তর অনলাইন।

Share Button

সর্বশেষ আপডেট



» নোয়াখালীর হাতিয়ায় মেঘনা নদীর তীর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ

» চাটখিলে পানিতে ডুবে শিশু রাফসানের মৃত্যু

» করোনা উপসর্গে চাটখিলে স্বামী স্ত্রী ও বেগমগঞ্জে ১ জনের মৃত্যু

» দক্ষিণ আফ্রিকায় ছিনতাইকারীর হাতে বাংলাদেশী নিহত

» রামগঞ্জে শিশু সন্তান নিয়ে পালিয়েছে প্রবাসীর স্ত্রী

» চাটখিলের সন্তান বাঁধনের জিপিএ ফাইভ অর্জন

» নারীর লাশ ঝুলছে, সন্তানের পানিতে,স্বামী পলাতক

» সোনাইমুড়ী প্রেসক্লাবের নুতন সভাপতি খোরশেদ আলম সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোছাইন ভূঁইয়া

» করোনা দুর্যোগে নোয়াখালীর ৩০ হাজার মানুষের পাশে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী জাহাঙ্গীর আলম

» বেগমগঞ্জে ঈদের রাতে আ,লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ সহ আহত ৯ গ্রেফতার ৩

ফেইসবুকে প্রিয় নোয়াখালী

সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]
Desing & Developed BY Trust soft bd
,

সুন্দরী স্ত্রীর পরকিয়া ও ষড়যন্ত্রে সর্বশান্ত সংবাদপত্র এজেন্ট জাকির

প্রচ্ছদে ব্যবহৃত ছবিঃ অভিযুক্ত স্ত্রী প্রমি ও তার কথিত প্রেমিক আয়াত।

প্রিয় নোয়াখালী ডেস্কঃ

স্ত্রীর কারণে সর্বশান্ত হয়েছেন নোয়াখালীর সেনবাগে সংবাদপত্র এজেন্ট মো. জকির হোসেন। মঙ্গলবার দুপুরে নোয়াখালী প্রেসক্লাবে হতবাগা জাকির হোসেন সাংবাদিকদের কাছে লিখিত বক্তব্যে একথা জানান।
এ সময় নিজের পরিবারের শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই বেগমগঞ্জ পুলিশী হয়রানির কবলে এলাকা ছাড়া বলে সংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করেন জাকিরের বৃদ্ধ পিতা ও সেনবাগের আবুল খায়ের।
জাকির হোসেন জানায়, সামাজিকভাবে ২০১৬ সালের ১৫ এপ্রিল সেনবাগ উপজেলার ৬নং ইউপির মইজদীপুর গ্রামের মাজারুল হক কাজলের মেয়ে ফাইমা আক্তার প্রমিকে বিয়ে করে দুই বছর সুখ শান্তিতে ঘর সংসার করেন। বিয়ের পর স্ত্রী ফাইমা আক্তার প্রমি চৌমুহনীতে মাইটিভির সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন মিঠুর মালিকীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ নিতে ভর্তি হয়।
প্রমি সুন্দরী হওয়ায় তার সঙ্গে মিঠুর সহযোগী আয়াত উল্যার পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর সেখানে মিঠু ও আয়াত উল্যার পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত ও লালসায় জাকিরের সোনার সংসারে অশান্তি নেমে আসে। এক পর্যায়ে স্ত্রী ফাইমা আক্তার প্রমি তার বাবা বিদেশ যাওয়ার নাম করে জাকিরের কাছে দুই লাখ টাকা ধার চায়।
জাকির ওই টাকা দেয়ার বিষয়ে অপরগতা জানালে প্রমি সংবদ্ধ চক্রের পরামর্শে জাকিরের সঙ্গে বিয়ের ঘটনা অস্বীকার করে মিঠু ও আয়াত ঊল্যার সহযোগিতায় বেগমগঞ্জ থানায় স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলায় সংবাদপত্র এজেন্ট মো. জকির হোসেন ও তার ছোটভাই মমিন উদ্দিন বেশ কিছুদিন জেল খেটেছেন। এ ছাড়া সংবাদপত্র এজেন্ট মো. জকির হোসেনের বৃদ্ধ বাবা, মা, ভাই বোন ভগ্নিগতিকে হয়রানি করে পুলিশ। এক পর্যায়ে আয়াত উল্যা জেলহাজতে জাকিরের সঙ্গে দেখা করে। জেল থেকে মুক্ত করতে জাকিরের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে।
এদিকে আদালতের মাধ্যমে জাকির জামিনে আসলে আবারো তার বিরুদ্ধে শুরু হয় নানমুখি ষড়যন্ত্র।
এক পর্যায়ে কোনো প্রকার ঘটনা ছাড়াই জাকিরের বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করে ফাইমা আক্তার প্রমি। তার দায়ের করা একের পর এক মামলায় জাকিরের সংবাদপত্র ব্যবসা বন্ধ হয়ে সর্বশান্ত হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
এদিকে জাকিরের বিয়ের সত্যতা নিশ্চিত করে সেনবাগ উপজেলার ৬নং ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ও বেগমগঞ্জের ১২নং কুতুবপুর ইউপির চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম হিরণ প্রত্যায়নপত্র প্রদান করেছেন।
একই বিয়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মাওলানা সাইফুল্লাহ ও আবদুল হানান, আবদুল রহিম বাদশা, হাজী হারুনের রশিদ, সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল হক, ইউপি মেম্বার কামাল হোসেন ছলিম উল্যা ও আবু নাছেরসহ আরও একাধিক ব্যক্তি।
উল্লেখ্য, জেলার চাটখিলের দরগা বাজার এলাকার আইনুল ইসলাম সায়েম ওরফে আয়াত উল্যা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায় নিজের নাম পরিবর্তন করে কখনো ডিবি পুলিশ, কখনো র্যাব, কখনো সাংবাদিক আবার কখনো জর্জের পেশকার, কখনো নাট্যকার, কখনো উকিল ও ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পরিচয় দিয়ে মানুষকে নানাভাবে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে প্রতারিত করছে।
ইতিপূর্বে সুধারাম মডেল থানায় নাজমুন নাহার নামের এক প্রবাসী স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এ প্রতারক। এ ঘটনায় ২০১১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আইনুল ইসলাম সায়েম ওরফে আয়াত উল্যার বিরুদ্ধে নাজমুন নাহার সুধারাম মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
আইনুল ইসলাম সায়েম ওরফে আয়াত উল্যার বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জে চাঁদাবাজি, সোনাইমুড়িতে ধর্ষণের মামলাসহ বিভিন্ন থানায় কয়েকটি মামলা রয়েছে।

নিউজ ক্রেডিটঃ যুগান্তর অনলাইন।

Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



web-ad

সর্বশেষ আপডেট





সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]

Developed BY Trustsoftbd