ADS170638-2

নোয়াখালীতে এক গৃহবধুকে নিয়ে দু’স্বামীর টানাটানি!

প্রিয় নোয়াখালী ডেস্কঃ

: নোয়াখালীর সুুধারামে এক গৃহবধূকে নিয়ে তার দুই স্বামীর টানাটানি শুরু হয়েছে। ওই গৃহবধূ সিমুর বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে ৪ লাখ টাকা আত্মসাতেরও অভিযোগ করা হয়েছে। সিমু নোয়াখালী সদর উপজেলার ২নং দাদপুর ইউনিয়নের হুগলি গ্রামের মো. ইব্রাহিম খলিলের ২য় কন্যা। এলাকাবাসী জানায়, ২ সন্তানের জননী সিমু আক্তার (৩০) প্রথম স্বামী ওমান প্রবাসী মো. জহিরকে ২০১৮ সালের ৩রা জুন কোর্টে এফিডেভিটের মাধ্যমে তালাক প্রদান করে তার দুঃসম্পর্কের আত্মীয় মো. ইসমাইল ওরফে রাজুর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। প্রথম স্বামী প্রবাসে থাকা অবস্থায় সিমু প্রেমিকা হিসেবে মো. ইসমাইলের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বিভিন্ন হোটেল, গেস্ট হাউজ ও আত্মীয়ের বাড়িতে রাত্রি যাপন করেন। এরই এক পর্যায়ে, স্বামী ওমানে থাকা অবস্থায়ই ২০১৮ সালের ৩রা জুন নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে প্রথম স্বামী মো. জহিরের বাড়ির ঠিকানায় তালাকনামা পাঠায় সিমু। এরপর ২০১৮ সালে ডিসেম্বর মাসে ১৫ লাখ টাকা দেনমোহর শর্তে প্রেমিক মো. ইসমাইল ওরফে রাজুকে বিয়ে করে সংসার শুরু করে। এবিষয়ে সৌদি আরব থেকে রাজু জানান, সিমু ১ম স্বামীকে তালাকের পরেই আমরা ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে কোর্ট ম্যারেজের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি এবং ২০০ টাকার স্ট্যাম্পে এফিডেভিট ও দস্তখত সম্পন্ন করি। কিন্তু সময় স্বল্পতার কারণে আমি নোয়াখালী জজ কোর্টের এক আইনজীবীকে ওই এফিডেভিট রেজিস্ট্রির সম্পূর্ণ দায়িত্ব দিয়ে সৌদি আরব চলে আসি। পরে জানলাম স্ত্রীর প্রতারণার কারণে ওই এফিডেভিটটি রহস্যজনকভাবে রেজিস্ট্রি হয়নি। এদিকে সিমু এবং রাজুর প্রেমের ঘটনা জহিরের পরিবারে ফাঁস হয়ে গেলে জহির বিদেশ থেকে দীর্ঘ ৩ বছর সুমির সঙ্গে যোগাযোগ ও টাকা-পয়সা পাঠানো বন্ধ করে দেন। এই সুযোগে কৌশলে তার নিজের খরচ ও ছেলেমেয়েদের খরচ হিসাবে ইসমাইল ওরফে রাজু থেকে বিভিন্ন সময়ে ৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন বলে রাজু ও তার পরিবার অভিযোগ করেছেন। এরপর ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সিমুর প্রথম স্বামী ওমান থেকে দেশে ফিরে স্ত্রী সিমুকে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিজের বাড়িতে এনে বসবাস করছেন। অপরদিকে ২য় স্বামী সৌদি প্রবাসী রাজু কোর্ট ম্যারিজের দলিল রেজিস্ট্রি না করার কারণে সিমুর প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতারণার মাধ্যমে ৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন। রাজুর ৪ লাখ টাকা আত্মসাতের বিষয়ে দাদপুর গ্রামে একটি সালিশি বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে স্ত্রী সুমি সালিশদারদের নিকট রাজু থেকে ৪ লাখ টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করেছেন বলেও জানা গেছে।

Share Button

সর্বশেষ আপডেট



» প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করার অভিযোগে সোনাইমুড়ির পৌর মেয়র বরখাস্ত

» কোম্পানীগঞ্জে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যুবক খুন

» সুবর্ণচরের থানার হাটে শর্ট ক্রীজ রৌপ্যকাপ ক্রিকেটের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

» ফেনীতে বিষাক্ত সাপের দংশনে যুবকের মৃত্যু

» কবিরহাটে চোরাই মোটর সাইকেলসহ ছাত্রলীগ সভাপতি র‍্যাবের হাতে আটক

» সেনবাগে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

» চাটখিলে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

» বাবার দেয়া বাইকেই প্রাণ গেল কলেজ পড়ুয়া ছেলের

» এখনো অধরা সুবর্ণচরে কিশোরী গণধর্ষণের সে ধর্ষকরা

» কোম্পানীগঞ্জে সিএনজি চাপায় ৪ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

ফেইসবুকে প্রিয় নোয়াখালী

add pn
সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]
Desing & Developed BY Trust soft bd
ADS170638-2
,

নোয়াখালীতে এক গৃহবধুকে নিয়ে দু’স্বামীর টানাটানি!

প্রিয় নোয়াখালী ডেস্কঃ

: নোয়াখালীর সুুধারামে এক গৃহবধূকে নিয়ে তার দুই স্বামীর টানাটানি শুরু হয়েছে। ওই গৃহবধূ সিমুর বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে ৪ লাখ টাকা আত্মসাতেরও অভিযোগ করা হয়েছে। সিমু নোয়াখালী সদর উপজেলার ২নং দাদপুর ইউনিয়নের হুগলি গ্রামের মো. ইব্রাহিম খলিলের ২য় কন্যা। এলাকাবাসী জানায়, ২ সন্তানের জননী সিমু আক্তার (৩০) প্রথম স্বামী ওমান প্রবাসী মো. জহিরকে ২০১৮ সালের ৩রা জুন কোর্টে এফিডেভিটের মাধ্যমে তালাক প্রদান করে তার দুঃসম্পর্কের আত্মীয় মো. ইসমাইল ওরফে রাজুর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। প্রথম স্বামী প্রবাসে থাকা অবস্থায় সিমু প্রেমিকা হিসেবে মো. ইসমাইলের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বিভিন্ন হোটেল, গেস্ট হাউজ ও আত্মীয়ের বাড়িতে রাত্রি যাপন করেন। এরই এক পর্যায়ে, স্বামী ওমানে থাকা অবস্থায়ই ২০১৮ সালের ৩রা জুন নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে প্রথম স্বামী মো. জহিরের বাড়ির ঠিকানায় তালাকনামা পাঠায় সিমু। এরপর ২০১৮ সালে ডিসেম্বর মাসে ১৫ লাখ টাকা দেনমোহর শর্তে প্রেমিক মো. ইসমাইল ওরফে রাজুকে বিয়ে করে সংসার শুরু করে। এবিষয়ে সৌদি আরব থেকে রাজু জানান, সিমু ১ম স্বামীকে তালাকের পরেই আমরা ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে কোর্ট ম্যারেজের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি এবং ২০০ টাকার স্ট্যাম্পে এফিডেভিট ও দস্তখত সম্পন্ন করি। কিন্তু সময় স্বল্পতার কারণে আমি নোয়াখালী জজ কোর্টের এক আইনজীবীকে ওই এফিডেভিট রেজিস্ট্রির সম্পূর্ণ দায়িত্ব দিয়ে সৌদি আরব চলে আসি। পরে জানলাম স্ত্রীর প্রতারণার কারণে ওই এফিডেভিটটি রহস্যজনকভাবে রেজিস্ট্রি হয়নি। এদিকে সিমু এবং রাজুর প্রেমের ঘটনা জহিরের পরিবারে ফাঁস হয়ে গেলে জহির বিদেশ থেকে দীর্ঘ ৩ বছর সুমির সঙ্গে যোগাযোগ ও টাকা-পয়সা পাঠানো বন্ধ করে দেন। এই সুযোগে কৌশলে তার নিজের খরচ ও ছেলেমেয়েদের খরচ হিসাবে ইসমাইল ওরফে রাজু থেকে বিভিন্ন সময়ে ৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন বলে রাজু ও তার পরিবার অভিযোগ করেছেন। এরপর ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সিমুর প্রথম স্বামী ওমান থেকে দেশে ফিরে স্ত্রী সিমুকে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিজের বাড়িতে এনে বসবাস করছেন। অপরদিকে ২য় স্বামী সৌদি প্রবাসী রাজু কোর্ট ম্যারিজের দলিল রেজিস্ট্রি না করার কারণে সিমুর প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতারণার মাধ্যমে ৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন। রাজুর ৪ লাখ টাকা আত্মসাতের বিষয়ে দাদপুর গ্রামে একটি সালিশি বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে স্ত্রী সুমি সালিশদারদের নিকট রাজু থেকে ৪ লাখ টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করেছেন বলেও জানা গেছে।

Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



web-ad

সর্বশেষ আপডেট





সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]

Developed BY Trustsoftbd