ADS170638-2

বেগমগঞ্জ দুটি অপহরণ ও ধর্ষন মামলা আসামী হকার জাকিরকে গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রেস রিলিজঃ
বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের, গিয়াস উদ্দিন মিঠু, ও সাংবাদিক এইচ. এম আয়াত উল্যার বিরুদ্ধে বানোয়াট, মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ ও অপপ্রচার করে সংবাদ সম্মেলন করার প্রতিবাদে করেছেন গিয়াস উদ্দিন মিঠু ও সাংাদিক এইচ.এম আয়াত উল্যা। দুপর ১২টায় বেগমগঞ্জ চৌরাস্তাস্থ নোয়াখালী টিভি সাংবাদিক ফোরাম কার্যালয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের উপস্থিতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে প্রকাশিত মিথ্যা বানেয়াট সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান গিয়াস উদ্দিন মিঠু ও এইচ. এম আয়াত উল্যা। এইচ. এম আয়াত উল্যা বলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের, আবদুল্লাহপুর (মিদ্দা বাড়ীর) আবুল খায়েরের পুত্র সেনবাগ রাস্তার মাথার হকার জাকির হোসেন ২০১৫ সালে ১৫ আগষ্ট সকাল ১০টায় ফাহিমা আক্তার (১৩) কাবিলপুর স্কুলের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রীর স্কুলের যাওয়ার সময় পথ থেকে জোর করে হকার জাকির হোসেন, তার ভগ্নিপতি জসিম উদ্দিন, ছোট ভাই বাবু, বোন ধনি বেগম সহ অঙ্গাত নামা একটি সি.এন.জি যোগে অপহরণ করে বেগমগঞ্জ থানাদ্বীন কাজীর হাট কাজী অফিসে নিয়ে যায় সেখানে দুটি নিল কাগজে ফহিমা আক্তারের জোর পূর্বক স্বাক্ষর নেয়। এর পর জসিম উদ্দিন ফহিমার মা বাবাকে মোবাইলে কল করে নিয়ে আসে কাজী অফিসে, পরে ফাহিমার মা বাবাকে সহ কিছু না বলে জসিমের দ্বীনেশগঞ্জ তার ভাড়া বাসায় নিয়ে অটক করে এবং ফাহিমার বিয়ে হয়ে গেছে বলে তার মা বাবাকে জানয়। কিন্তু পুলিশের তদেন্তে বিয়ে এবং কাবিনের কোন সত্যতা পাওয়া যায় নাই। এদিকে গিয়াস উদ্দিন মিঠু সংবাদ সম্মেলনে জানান সেনবাগ উপজেলার মইজদীপুর কাজলের অপ্রাপ্তবয়স্ক স্কুল পড়–য়া কন্যা ফাহিমা আক্তার (১৩)কে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ের নামে গত ৩ বছর যাবত অবৈধভাবে ধর্ষণ করে আসছে প্রতারক জাকির হোসেন (৪২) ফাহিমা আক্তারের পিতামাতা বিয়ের কাবিনের জন্য বিভিন্ন মহলে ধর্ণা দিয়েও ৩ বছরেও বিয়ের কাবিন করাতে পারেনি। বাধ্য হয়ে প্রতারক হকার জাকির ও বিয়ে পড়ানোকারী সেনবাগ উপজেলার সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেত্রী কাননের স্বামী নিকাহ রেজিষ্টার (কাজি) নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ফহিমার বাবা নোয়াখালী পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ১৮ নভেম্বর ২০১৮ ইং তারিখে অভিযোগ করে বলেন প্রতারক জাকির তার ভগ্নিপতি জসিম উদ্দিন সহ মিলে অপহরনের পর বিয়ে এবং কাবিনের বিষয়ে সমত্যতা যাচাই বাচাই করার জন্য অনুরোধ করেন। পুলিশ সুপার নোয়াখালী বেগমগঞ্জ মডেল থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিন করার জন্য নির্দেশ দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ফিরোজ হোসেন মোল্লা বেগমগঞ্জ মডেল থানার এস আই সুজন বিকাশ চাকমাকে তদন্ত ভার দেন, সুজন বিকাশ চাকমা অভিযোগের আলোকে ঘটনাস্থল কাজী অফিস ও দ্বীনেশগঞ্জ জসিমের ভাড়াটিয়া বাসায় গিয়ে প্রকাশ্য ও গোপনে তদন্ত করে তদন্তে ফাহিমা আক্তারের বিয়ে এবং কাবিনের কোন সত্যতা পায় নায়। পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করে।যার স্মারক নং ১০২৫১, তাং- ২১/১২/২০১৮ইং প্রতিবেদনের আলোকে ২০১৯ সালের ৫ জানুয়ারী ফাহিমা আক্তার নিজে বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় একটি এজহার দায়ের করেন। যাহার মামলা নং ০৫/১৯ জি.আর২০/১৯ দ্বারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধনীয় ২০০৩ এর ৭/৯(১)/৩০তৎসহ ৩২৩/৩০৭/৪২০/৫০৬ পেনাল কোঢ উক্ত মামলায় জেল খাটে হকার জাকির হোসেন, তার ভাই মমিন উদ্দিন বাবু ও বিবাহ পড়ানোকারী নিকাহ রেজিষ্টার (কাজি) নজরুল ইসলাম, জাকির হোসেন জামিনে এসে গত ২৩ এপ্রিল ২০১৯ জাকির হোসেন সহ অজ্ঞাত নামা ২/৩ জন ফাহিমা আক্তারকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়ায় বেগমগঞ্জ মডেল থানায় একটি জিডি করা হয় যার জিডি নং ১৪৩৩ জিডির এক দিন পরেই ২৫ এপ্রিল জাকির হোসেন সহ তার দুই বন্ধু মিলে প্রমিকে পুনরায় অপহর করে বেগমগঞ্জ চৌরাস্তার উত্তরে মিরওয়ারিশপুর ইতালি নুরুল ইসলামের বিল্ডিয় এর ৩য় তালায় পুনরায় ধর্ষন করে। এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ মডেল থানায় জাকির সহ তার এক বন্ধুর বিরোদ্ধে অপহর ও ধর্ষনের বিরোদ্ধে আরও ১টি মামলা হয়, যাহার মামলা নং ৬৭/১৯ জি আর নং ৮৯৮/১৯ ২টি অপহর ও ধর্র্ষন মামলার আসামী জাকির হোসেন ফাহিমা আক্তারকে মামলায় সহায়তাকারী ফাহিমা আক্তারের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নোয়াখালী টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ ও সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন মিঠুর ও সাংবাদিক এইচ. এম আয়াত উল্যার বিরুদ্ধে মিথ্যা টাকা চাওয়ার ও মারধরের অভিযোগ করে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিট্ট্রেট ৩নং আমলী আদালত, নোয়াখালীতে দুটি অপহর ও ধর্ষন মামলা থেকে বাচার জন্য জাকির হোসেন বাদী হয়ে ৯ মে ২০১৯ একটি পিটিশান দায়ের করেন যার নং ২৯০/১৯ গত ২৬ মে নোয়াখালী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন অভিযোগ করে মিথ্যা, বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করার জন্য সাংবাদিকদেরকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেও সফল হয়নি। অন্যদিকে বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহের সহায়তাকারী অনঅনুমোদিত নাম সর্বস্ব ভূয়া অনলাইন পত্রিকার ভূয়া সাংবাদিক, বিএনপির কর্মী, একাধিকবার গণধোলাইয়ের শিকার বিভিন্ন জন অপপ্রচার চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়ধীন রয়েছে বলে জানান সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন মিঠু সাংবাদিক এইচ. এম আয়াত উল্যা। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক, হরলাল ভৌমিক, নাসির উদ্দিন বাদল, হারুন, তাজুল ইসলমা মানিক, মিজানুর রহমান, মোহতাসিম বিল্লাহ সবুজ, মোজাম্মেল হোসেন কামাল, আলা উদ্দিন শিবলু, ফয়েজুল ইসলাম জাহান, এ.বি.এম কামাল উদ্দিন, ইয়াকুব নবী ইমন, মনির হোসেন বাবু, আনোয়ার হোসেন রুমি, প্রমূখ।

Share Button

সর্বশেষ আপডেট



» সোনাইমুড়ীর আ,লীগ নেতা স্বপনকে গ্রেফতার নিয়ে ধুম্রজাল

» চেয়ারম্যান-মেম্বারের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ নিয়ে ‘গুজব’

» রামগঞ্জে এলডিপির সভাপতি সম্পাদকের বিএনপিতে যোগদান

» ফেনীতে মাদক বিক্রেতার বাড়ি চিহ্নিত করণে সাইনবোর্ড ফেসবুকে ভাইরাল

» সোনাইমুড়ীর ছাত্রলীগ নেতা সুজনকে গ্রেফতারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

» সোনাইমুড়ীতে ফজর পড়ে বের হয়েই মুসুল্লিরা দেখতে পেলেন খালে ভাসছে লাশ!

» দক্ষিণ আফ্রিকায় যাবার পথে নোয়াখালীর ২ আপন ভাইয়ের মৃত্যু

» সোনাইমুড়ী থানায় আ,লীগের সমাঝোতা বৈঠকে ২ গ্রুপের সংঘর্ষ গুলি ওসিসহ আহত ১২

» লক্ষ্মীপুরে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে শিক্ষকের শ্লীলতাহানির শিকার ছাত্রী

» রামগতির চরগাজীতে জমির মালিককে প্রকাশ্যে হত্যার চেষ্টা

ফেইসবুকে প্রিয় নোয়াখালী

add pn
সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]
Desing & Developed BY Trust soft bd
ADS170638-2
,

বেগমগঞ্জ দুটি অপহরণ ও ধর্ষন মামলা আসামী হকার জাকিরকে গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রেস রিলিজঃ
বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের, গিয়াস উদ্দিন মিঠু, ও সাংবাদিক এইচ. এম আয়াত উল্যার বিরুদ্ধে বানোয়াট, মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ ও অপপ্রচার করে সংবাদ সম্মেলন করার প্রতিবাদে করেছেন গিয়াস উদ্দিন মিঠু ও সাংাদিক এইচ.এম আয়াত উল্যা। দুপর ১২টায় বেগমগঞ্জ চৌরাস্তাস্থ নোয়াখালী টিভি সাংবাদিক ফোরাম কার্যালয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের উপস্থিতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে প্রকাশিত মিথ্যা বানেয়াট সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান গিয়াস উদ্দিন মিঠু ও এইচ. এম আয়াত উল্যা। এইচ. এম আয়াত উল্যা বলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের, আবদুল্লাহপুর (মিদ্দা বাড়ীর) আবুল খায়েরের পুত্র সেনবাগ রাস্তার মাথার হকার জাকির হোসেন ২০১৫ সালে ১৫ আগষ্ট সকাল ১০টায় ফাহিমা আক্তার (১৩) কাবিলপুর স্কুলের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রীর স্কুলের যাওয়ার সময় পথ থেকে জোর করে হকার জাকির হোসেন, তার ভগ্নিপতি জসিম উদ্দিন, ছোট ভাই বাবু, বোন ধনি বেগম সহ অঙ্গাত নামা একটি সি.এন.জি যোগে অপহরণ করে বেগমগঞ্জ থানাদ্বীন কাজীর হাট কাজী অফিসে নিয়ে যায় সেখানে দুটি নিল কাগজে ফহিমা আক্তারের জোর পূর্বক স্বাক্ষর নেয়। এর পর জসিম উদ্দিন ফহিমার মা বাবাকে মোবাইলে কল করে নিয়ে আসে কাজী অফিসে, পরে ফাহিমার মা বাবাকে সহ কিছু না বলে জসিমের দ্বীনেশগঞ্জ তার ভাড়া বাসায় নিয়ে অটক করে এবং ফাহিমার বিয়ে হয়ে গেছে বলে তার মা বাবাকে জানয়। কিন্তু পুলিশের তদেন্তে বিয়ে এবং কাবিনের কোন সত্যতা পাওয়া যায় নাই। এদিকে গিয়াস উদ্দিন মিঠু সংবাদ সম্মেলনে জানান সেনবাগ উপজেলার মইজদীপুর কাজলের অপ্রাপ্তবয়স্ক স্কুল পড়–য়া কন্যা ফাহিমা আক্তার (১৩)কে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ের নামে গত ৩ বছর যাবত অবৈধভাবে ধর্ষণ করে আসছে প্রতারক জাকির হোসেন (৪২) ফাহিমা আক্তারের পিতামাতা বিয়ের কাবিনের জন্য বিভিন্ন মহলে ধর্ণা দিয়েও ৩ বছরেও বিয়ের কাবিন করাতে পারেনি। বাধ্য হয়ে প্রতারক হকার জাকির ও বিয়ে পড়ানোকারী সেনবাগ উপজেলার সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেত্রী কাননের স্বামী নিকাহ রেজিষ্টার (কাজি) নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ফহিমার বাবা নোয়াখালী পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ১৮ নভেম্বর ২০১৮ ইং তারিখে অভিযোগ করে বলেন প্রতারক জাকির তার ভগ্নিপতি জসিম উদ্দিন সহ মিলে অপহরনের পর বিয়ে এবং কাবিনের বিষয়ে সমত্যতা যাচাই বাচাই করার জন্য অনুরোধ করেন। পুলিশ সুপার নোয়াখালী বেগমগঞ্জ মডেল থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিন করার জন্য নির্দেশ দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ফিরোজ হোসেন মোল্লা বেগমগঞ্জ মডেল থানার এস আই সুজন বিকাশ চাকমাকে তদন্ত ভার দেন, সুজন বিকাশ চাকমা অভিযোগের আলোকে ঘটনাস্থল কাজী অফিস ও দ্বীনেশগঞ্জ জসিমের ভাড়াটিয়া বাসায় গিয়ে প্রকাশ্য ও গোপনে তদন্ত করে তদন্তে ফাহিমা আক্তারের বিয়ে এবং কাবিনের কোন সত্যতা পায় নায়। পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করে।যার স্মারক নং ১০২৫১, তাং- ২১/১২/২০১৮ইং প্রতিবেদনের আলোকে ২০১৯ সালের ৫ জানুয়ারী ফাহিমা আক্তার নিজে বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় একটি এজহার দায়ের করেন। যাহার মামলা নং ০৫/১৯ জি.আর২০/১৯ দ্বারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধনীয় ২০০৩ এর ৭/৯(১)/৩০তৎসহ ৩২৩/৩০৭/৪২০/৫০৬ পেনাল কোঢ উক্ত মামলায় জেল খাটে হকার জাকির হোসেন, তার ভাই মমিন উদ্দিন বাবু ও বিবাহ পড়ানোকারী নিকাহ রেজিষ্টার (কাজি) নজরুল ইসলাম, জাকির হোসেন জামিনে এসে গত ২৩ এপ্রিল ২০১৯ জাকির হোসেন সহ অজ্ঞাত নামা ২/৩ জন ফাহিমা আক্তারকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়ায় বেগমগঞ্জ মডেল থানায় একটি জিডি করা হয় যার জিডি নং ১৪৩৩ জিডির এক দিন পরেই ২৫ এপ্রিল জাকির হোসেন সহ তার দুই বন্ধু মিলে প্রমিকে পুনরায় অপহর করে বেগমগঞ্জ চৌরাস্তার উত্তরে মিরওয়ারিশপুর ইতালি নুরুল ইসলামের বিল্ডিয় এর ৩য় তালায় পুনরায় ধর্ষন করে। এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ মডেল থানায় জাকির সহ তার এক বন্ধুর বিরোদ্ধে অপহর ও ধর্ষনের বিরোদ্ধে আরও ১টি মামলা হয়, যাহার মামলা নং ৬৭/১৯ জি আর নং ৮৯৮/১৯ ২টি অপহর ও ধর্র্ষন মামলার আসামী জাকির হোসেন ফাহিমা আক্তারকে মামলায় সহায়তাকারী ফাহিমা আক্তারের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নোয়াখালী টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ ও সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন মিঠুর ও সাংবাদিক এইচ. এম আয়াত উল্যার বিরুদ্ধে মিথ্যা টাকা চাওয়ার ও মারধরের অভিযোগ করে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিট্ট্রেট ৩নং আমলী আদালত, নোয়াখালীতে দুটি অপহর ও ধর্ষন মামলা থেকে বাচার জন্য জাকির হোসেন বাদী হয়ে ৯ মে ২০১৯ একটি পিটিশান দায়ের করেন যার নং ২৯০/১৯ গত ২৬ মে নোয়াখালী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন অভিযোগ করে মিথ্যা, বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করার জন্য সাংবাদিকদেরকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেও সফল হয়নি। অন্যদিকে বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহের সহায়তাকারী অনঅনুমোদিত নাম সর্বস্ব ভূয়া অনলাইন পত্রিকার ভূয়া সাংবাদিক, বিএনপির কর্মী, একাধিকবার গণধোলাইয়ের শিকার বিভিন্ন জন অপপ্রচার চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়ধীন রয়েছে বলে জানান সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন মিঠু সাংবাদিক এইচ. এম আয়াত উল্যা। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক, হরলাল ভৌমিক, নাসির উদ্দিন বাদল, হারুন, তাজুল ইসলমা মানিক, মিজানুর রহমান, মোহতাসিম বিল্লাহ সবুজ, মোজাম্মেল হোসেন কামাল, আলা উদ্দিন শিবলু, ফয়েজুল ইসলাম জাহান, এ.বি.এম কামাল উদ্দিন, ইয়াকুব নবী ইমন, মনির হোসেন বাবু, আনোয়ার হোসেন রুমি, প্রমূখ।

Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



web-ad

সর্বশেষ আপডেট





সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]

Developed BY Trustsoftbd