মৃত্যু পথযাত্রী নার্স শারমিনের বাচাঁর আকুতি

আবু তাহেরঃ
রামগঞ্জ উপজেলার ভোলাকোট ইউপির ভোলাকোট গ্রামের হতদরিদ্র লুৎফর রহমানে কন্যার জীবন সংগ্রামী নার্স শারমিন আক্তার জিবিএস ভাইরাস রোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা শেরে বাংলা নগর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের আইসিইউতে মৃত্যুর পথযাত্রী। চিকিৎসক লিখিত প্রত্যায়নপত্রে জানান,তাকে বাঁচাতে ১০ লক্ষাধীক টাকার প্রয়োজন। তার ক্লাসমিট,সহকর্মী,এলাকাবাসীর সহযোগীতায় চিকিৎসা চললেও বর্তমানে অর্থ অভাবে চিকিৎসায় বন্ধ হওয়ার পথে। মৃত্যু পথযাত্রী শারমিনের পরিবারের লোকজন দেশের হৃদয়বান ব্যক্তিদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছেন।
রামগঞ্জ উপজেলার ভোলাকোট গ্রামের ভূইয়া বাড়ির হতদরিদ্র লুৎফর রহমানের ৪ মেয়ে ও ২ ছেলের মধ্যে শারমিন সবার বড়। পিতার কর্মক্ষমতার কারনে সে ছাত্রদের প্রাইভেট পড়িয়ে নিজের পড়া-লেখা করছে। পড়া-লেখার মধ্যে শারমিন মাবনসেবা নিজের জীবন উৎসর্গ করার স্বপ্ন দেখে। নিজের প্রচেষ্টায় এক আত্মীর সহযোগীতা ঢাকার মৌচাক হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল থেকে নার্সিং শেষ করে ধানমন্ডি আনোয়ার খান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নার্সের চাকুরী নেয়। সেখানে কর্মরত থাকাবস্থায় নিজ যোগ্যতা ল²ীপুর সরকারী হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নাসের চাকুরী পায়। চাকুরী পেয়ে দায়িত্ববোধ থেকে হাসপাতালে আগত জটিল রোগীদের সেবা দিতে থাকে। রোগীদের সেবা করতে গিয়ে নিজের দিকে খেয়াল রাখতে পারেনি শারমিন। ফলে জিবিএস ভাইরাস রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। তার ক্লাসমিট তানিয়া খন্দকার বলেন, চলতি মাসের ৭ জুলাই ল²ীপুর সরকারী হাসপাতালে কর্মস্থলে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে দায়িত্বরত ডাক্তার পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে। এতে দুরারোগ্য রোগ জিবিএস ভাইরাস সনাক্ত হয়। রাতেই ঢাকা শেরে বাংলা নগর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের প্রেরন করা হয়। কিন্তু টাকা না থাকায় চিকিৎসা শুরু করতে পারেনি। দরিদ্র পিতা লুৎফর রহমানের সঞ্চিত সম্পদ বিক্রি করে ১৬ জুলাই থেকে চিকিৎসা শুরু করে। ওই টাকা দুইদিনেই শেষ হয়ে গেলে পিতা ধারস্থ হয় ল²ীপুর হাসপাতালের ডাক্তারগন,এলাকাবাসী, ক্লাসমিট ও সহকর্মীদের। টাকা নিজেদের উদ্যোগে লক্ষাধিক টাকা তুলে চিকিৎসা অব্যাহত রাখে। রামগঞ্জ সরকারী হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ গুনময় পোদ্ধার বলেন,হাসপাতালের নার্সেরা কিছু টাকা দিয়েছে। মৃত্যু পথযাত্রী শারমিন আক্তার বলেন,প্রত্যেকেই কিছু টাকা দিলে আমি সুস্থ্য হয়ে পুনরায় মানবসেবা করতে পারবো। মৃত্যুটা কী যে ভয়াবহ তা আমি বুঝতে পারছি। কিন্তু মৃত্যুর পথযাত্রী নার্সের বাড়ি যে রামগঞ্জে তা জানতাম না। শারমিনের চিকিৎসা করতে কেউ সাহায্য পাঠাতে চাইলে শারমিনের আক্তারের ০১৭৩৮৬৯০১৫৫ ( বিকাশ পার্সোনাল) নাম্বারে পাঠানোর অনুরোধ করছি।

Share Button

সর্বশেষ আপডেট



» চাটখিলে সাংবাদিকদের সাথে জনতা ব্যাংক ম্যনেজারের দম্ভোক্তি ‘সরকারী লোক ছাড়া আমি কোন তথ্য দেই না’

» নোয়াখালীতে করোনায় আরও একজনের মৃত্যু

» বিদায় তন্ময় দাস, স্বাগত খোরশেদ আলম

» চাটখিলে রাতের আঁধারে ৬৫টি গাছ কেটে নিয়ে গেছে সন্ত্রাসীরা

» সোনাইমুড়ী নবগ্রামের প্রধান সড়কটি পাকা করার দাবীতে মানববন্ধন

» করোনা উপসর্গ নিয়ে চাটখিল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই মারা গেলেন ফাতেমা

» বাজার ইজারা নিয়ে সংঘর্ষে সোনাইমুড়ীতে আ’লীগ নেতা গুলিবিদ্ধ

» সোনাইমুড়ীর বজরা ইউপির চেয়ারম্যানেরর বিরুদ্ধে সরকারী চাল আত্মসাতের অভিযোগ দুদকে

» চৌমুহনীর লঙ্গর খানায় অসহায় ছিন্নমূল মানুষের পাশে নোয়াখালীর এসএসসি ১৯৭২-২০২০ ব্যাচ

» এবার প্লাজমা দিয়েছেন চাটখিলের করোনা জয়ী ওসি আনোয়ারুল ইসলাম

ফেইসবুকে প্রিয় নোয়াখালী

সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]
Desing & Developed BY Trust soft bd
,

মৃত্যু পথযাত্রী নার্স শারমিনের বাচাঁর আকুতি

আবু তাহেরঃ
রামগঞ্জ উপজেলার ভোলাকোট ইউপির ভোলাকোট গ্রামের হতদরিদ্র লুৎফর রহমানে কন্যার জীবন সংগ্রামী নার্স শারমিন আক্তার জিবিএস ভাইরাস রোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা শেরে বাংলা নগর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের আইসিইউতে মৃত্যুর পথযাত্রী। চিকিৎসক লিখিত প্রত্যায়নপত্রে জানান,তাকে বাঁচাতে ১০ লক্ষাধীক টাকার প্রয়োজন। তার ক্লাসমিট,সহকর্মী,এলাকাবাসীর সহযোগীতায় চিকিৎসা চললেও বর্তমানে অর্থ অভাবে চিকিৎসায় বন্ধ হওয়ার পথে। মৃত্যু পথযাত্রী শারমিনের পরিবারের লোকজন দেশের হৃদয়বান ব্যক্তিদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছেন।
রামগঞ্জ উপজেলার ভোলাকোট গ্রামের ভূইয়া বাড়ির হতদরিদ্র লুৎফর রহমানের ৪ মেয়ে ও ২ ছেলের মধ্যে শারমিন সবার বড়। পিতার কর্মক্ষমতার কারনে সে ছাত্রদের প্রাইভেট পড়িয়ে নিজের পড়া-লেখা করছে। পড়া-লেখার মধ্যে শারমিন মাবনসেবা নিজের জীবন উৎসর্গ করার স্বপ্ন দেখে। নিজের প্রচেষ্টায় এক আত্মীর সহযোগীতা ঢাকার মৌচাক হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল থেকে নার্সিং শেষ করে ধানমন্ডি আনোয়ার খান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নার্সের চাকুরী নেয়। সেখানে কর্মরত থাকাবস্থায় নিজ যোগ্যতা ল²ীপুর সরকারী হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নাসের চাকুরী পায়। চাকুরী পেয়ে দায়িত্ববোধ থেকে হাসপাতালে আগত জটিল রোগীদের সেবা দিতে থাকে। রোগীদের সেবা করতে গিয়ে নিজের দিকে খেয়াল রাখতে পারেনি শারমিন। ফলে জিবিএস ভাইরাস রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। তার ক্লাসমিট তানিয়া খন্দকার বলেন, চলতি মাসের ৭ জুলাই ল²ীপুর সরকারী হাসপাতালে কর্মস্থলে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে দায়িত্বরত ডাক্তার পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে। এতে দুরারোগ্য রোগ জিবিএস ভাইরাস সনাক্ত হয়। রাতেই ঢাকা শেরে বাংলা নগর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের প্রেরন করা হয়। কিন্তু টাকা না থাকায় চিকিৎসা শুরু করতে পারেনি। দরিদ্র পিতা লুৎফর রহমানের সঞ্চিত সম্পদ বিক্রি করে ১৬ জুলাই থেকে চিকিৎসা শুরু করে। ওই টাকা দুইদিনেই শেষ হয়ে গেলে পিতা ধারস্থ হয় ল²ীপুর হাসপাতালের ডাক্তারগন,এলাকাবাসী, ক্লাসমিট ও সহকর্মীদের। টাকা নিজেদের উদ্যোগে লক্ষাধিক টাকা তুলে চিকিৎসা অব্যাহত রাখে। রামগঞ্জ সরকারী হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ গুনময় পোদ্ধার বলেন,হাসপাতালের নার্সেরা কিছু টাকা দিয়েছে। মৃত্যু পথযাত্রী শারমিন আক্তার বলেন,প্রত্যেকেই কিছু টাকা দিলে আমি সুস্থ্য হয়ে পুনরায় মানবসেবা করতে পারবো। মৃত্যুটা কী যে ভয়াবহ তা আমি বুঝতে পারছি। কিন্তু মৃত্যুর পথযাত্রী নার্সের বাড়ি যে রামগঞ্জে তা জানতাম না। শারমিনের চিকিৎসা করতে কেউ সাহায্য পাঠাতে চাইলে শারমিনের আক্তারের ০১৭৩৮৬৯০১৫৫ ( বিকাশ পার্সোনাল) নাম্বারে পাঠানোর অনুরোধ করছি।

Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



web-ad

সর্বশেষ আপডেট





সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]

Developed BY Trustsoftbd