ADS170638-2

রামগতির চরগাজীতে জমির মালিককে প্রকাশ্যে হত্যার চেষ্টা

 

ইউনুছ শিকদারঃ

রামগতি উপজেলায় অবৈধভাবে জমি দখল করতে গিয়ে ষাটোর্ধ বৃদ্ধকে হত্যার চেষ্টা। জানা যায়,চরগাজী ইউনিয়ন দক্ষিণ টুমচর ৪ নং ওয়ার্ডে গতকাল সকাল ৯ ঘটিকার সময় পৈতৃক সূত্রে দখলদার নুর উদ্দিন (৬০) ও হুমায়ুন কবিরের (৫০) বসত বাড়ির স্থাপনার জায়গা ঘেঁষে অবৈধ ভাবে মহিউদ্দিন ও তার দলবল ডিপটিউভয়েল নির্মাণ করার সময়ে স্থাপনার মালিক বৃদ্ধ নুর উদ্দিন গিয়ে জানতে চাই, কেন আমাদের স্থাপনার গাছপালা কাটা হয়েছে, গর্ত করা হয়েছে আমাদেরকে না জানিয়ে।

এসময়ে গ্রাম্য ডাক্তার মহি উদ্দিন (৬৫) ও তার পুত্র গ্রাম্য ডাক্তার বাবলু (৪৭) ঐ বৃদ্ধ
নুর উদ্দিন কে মারধর করে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ঠোঁট কেটে দেয় এবং গলায় গামছা পেছিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে বলে জানা যায়। এসময়ে মহি উদ্দিনের মেজ ছেলে বিডিআর বিদ্রোহের সাজা প্রাপ্ত আসামি ফজলে আজীম বাকের ও বড় ছেলে জহিরুল ইসলাম দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে হামলায় সমর্থন যুগিয়েছিল।

স্থানীয় লোকজন ও আহত নূরউদ্দিনের স্ত্রী এগিয়ে এসে নুর উদ্দিন কে রক্ষাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে রামগতি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। বর্তমানে নুর উদ্দিন চিকিৎসাধীন আছে।

এই মর্মে রামগতি থানায় একটি দরখাস্ত দেওয়া হয়েছে এজাহার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য যার SDR নং : ৭৪৩/১৯
তদন্ত কর্মকর্তা মকবুল হোসেন বলেন তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযুক্ত বাবলুর সাথে কথা বললে তিনি বলেন ঘটনা তেমনকিছু ঘটেনি শুধু কথা কাটাকাটি হয়েছে।

গত ২২/০৭/২০১৮ ইং তারিখে মহিউদ্দিন ও তার মেজ ছেলে বিডিআর বিদ্রোহের সাজা প্রাপ্ত আসামী ফজলে আজীম বাকের ও তার লোকজন নিয়ে একই কায়দার হামলা করে বসতবাড়ির মালামাল নষ্ট করে।এই মর্মে রামগতি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা আছে।

গতকাল ফের আবার ২য় দফায় হামলা চালিয়েছে মহি উদ্দিন গংরা। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বহুবার সালিশ -বিচার হয়েছে । স্থানীয় সবেরের ছেলে মাইনউদ্দিনকে কিছুদিন আগে বেধড়ক পিটিয়েছে বাবলু ও বাকের। ফৌজদারি অপরাধ হলেও সালিসি বৈঠকে মহিউদ্দিন সেটা মিটমাট করে ফেলেন।

এছাড়াও ছোট ছেলে রহমানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠে কাজের মেয়ের সাথে।টাকা পয়সা, হুমকি দামকি দিয়ে সেটাও ধামাচাপা দেওয়ার দেওয়া হয়।

অভিযোগ আছে মাত্র কয়েকদিন আগে মহিউদ্দিনের ছোট ছেলে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিবেশী সবেরের মেয়ে ছলেখা বেগমের একটি ছাগল আচাড় দিয়ে মেরে ফেলে।

প্রতিবেশীর সাথে বিবাদে জড়ানোসহ জমি কব্জা করার বিস্তর অভিযোগ রয়েছে এই পরিবারের বিরুদ্ধে।

ইতিপূর্বে মহি উদ্দিনেের বড় ছেলে জহিরুল ইসলাম রামগতি এজি অফিসে থাকতে ঘুষ নিয়ে অঢেল সম্পত্তি অর্জন করেন। একবার অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে ঢাকা থেকে হাতিয়ায় ট্রান্সপার করা হয়। বর্তমানে জহিরুল ইসলাম চাকরি থেকে অবসরে গেলেও দুর্নীতির দায়ে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলছে।

এহেন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবী করছে এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা।

Share Button

সর্বশেষ আপডেট



» ফেনীর সুমনের ১ ঘন্টা পরই দ: আফ্রিকাতে গুলি করে মারা হলো সোনাইমুড়ীর ফারুককে

» বেগমগঞ্জে আ,লীগের সম্মেলন শেষ, কমিটি ঘোষনা ৭ দিন পর

» দক্ষিণ আফ্রিকায় ডাকাতের গুলিতে ফেনীর সুমন নিহত

» সুবর্ণচরে ডোবায় যুবকের গলিত লাশ

» ৫ দফা দাবীতে চাটখিলে ফারিয়ার সমাবেশ ও মানববন্ধন

» ১৬ বছর পর হাতিয়া উপজেলা আ’লীগের সম্মেলনে সভাপতি মোহাম্মদ আলী

» ফেনীতে শিশু ধর্ষণের চেষ্টা কালে যুবককে পিটিয়ে থানায় সোপর্দ করলো জনতা

» চাটখিলের আ,লীগের নেতা ইয়াছিন করিমের বিয়েতে ম্পিকার এমপিসহ বিশিষ্ট জনেরা

» স্ত্রী হত্যকারী সেই স্বামীকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

» চাটখিলে আমেরিকা প্রবাসীর রহস্যজনক মৃত্যু

ফেইসবুকে প্রিয় নোয়াখালী

add pn
সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]
Desing & Developed BY Trust soft bd
ADS170638-2
,

রামগতির চরগাজীতে জমির মালিককে প্রকাশ্যে হত্যার চেষ্টা

 

ইউনুছ শিকদারঃ

রামগতি উপজেলায় অবৈধভাবে জমি দখল করতে গিয়ে ষাটোর্ধ বৃদ্ধকে হত্যার চেষ্টা। জানা যায়,চরগাজী ইউনিয়ন দক্ষিণ টুমচর ৪ নং ওয়ার্ডে গতকাল সকাল ৯ ঘটিকার সময় পৈতৃক সূত্রে দখলদার নুর উদ্দিন (৬০) ও হুমায়ুন কবিরের (৫০) বসত বাড়ির স্থাপনার জায়গা ঘেঁষে অবৈধ ভাবে মহিউদ্দিন ও তার দলবল ডিপটিউভয়েল নির্মাণ করার সময়ে স্থাপনার মালিক বৃদ্ধ নুর উদ্দিন গিয়ে জানতে চাই, কেন আমাদের স্থাপনার গাছপালা কাটা হয়েছে, গর্ত করা হয়েছে আমাদেরকে না জানিয়ে।

এসময়ে গ্রাম্য ডাক্তার মহি উদ্দিন (৬৫) ও তার পুত্র গ্রাম্য ডাক্তার বাবলু (৪৭) ঐ বৃদ্ধ
নুর উদ্দিন কে মারধর করে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ঠোঁট কেটে দেয় এবং গলায় গামছা পেছিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে বলে জানা যায়। এসময়ে মহি উদ্দিনের মেজ ছেলে বিডিআর বিদ্রোহের সাজা প্রাপ্ত আসামি ফজলে আজীম বাকের ও বড় ছেলে জহিরুল ইসলাম দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে হামলায় সমর্থন যুগিয়েছিল।

স্থানীয় লোকজন ও আহত নূরউদ্দিনের স্ত্রী এগিয়ে এসে নুর উদ্দিন কে রক্ষাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে রামগতি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। বর্তমানে নুর উদ্দিন চিকিৎসাধীন আছে।

এই মর্মে রামগতি থানায় একটি দরখাস্ত দেওয়া হয়েছে এজাহার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য যার SDR নং : ৭৪৩/১৯
তদন্ত কর্মকর্তা মকবুল হোসেন বলেন তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযুক্ত বাবলুর সাথে কথা বললে তিনি বলেন ঘটনা তেমনকিছু ঘটেনি শুধু কথা কাটাকাটি হয়েছে।

গত ২২/০৭/২০১৮ ইং তারিখে মহিউদ্দিন ও তার মেজ ছেলে বিডিআর বিদ্রোহের সাজা প্রাপ্ত আসামী ফজলে আজীম বাকের ও তার লোকজন নিয়ে একই কায়দার হামলা করে বসতবাড়ির মালামাল নষ্ট করে।এই মর্মে রামগতি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা আছে।

গতকাল ফের আবার ২য় দফায় হামলা চালিয়েছে মহি উদ্দিন গংরা। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বহুবার সালিশ -বিচার হয়েছে । স্থানীয় সবেরের ছেলে মাইনউদ্দিনকে কিছুদিন আগে বেধড়ক পিটিয়েছে বাবলু ও বাকের। ফৌজদারি অপরাধ হলেও সালিসি বৈঠকে মহিউদ্দিন সেটা মিটমাট করে ফেলেন।

এছাড়াও ছোট ছেলে রহমানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠে কাজের মেয়ের সাথে।টাকা পয়সা, হুমকি দামকি দিয়ে সেটাও ধামাচাপা দেওয়ার দেওয়া হয়।

অভিযোগ আছে মাত্র কয়েকদিন আগে মহিউদ্দিনের ছোট ছেলে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিবেশী সবেরের মেয়ে ছলেখা বেগমের একটি ছাগল আচাড় দিয়ে মেরে ফেলে।

প্রতিবেশীর সাথে বিবাদে জড়ানোসহ জমি কব্জা করার বিস্তর অভিযোগ রয়েছে এই পরিবারের বিরুদ্ধে।

ইতিপূর্বে মহি উদ্দিনেের বড় ছেলে জহিরুল ইসলাম রামগতি এজি অফিসে থাকতে ঘুষ নিয়ে অঢেল সম্পত্তি অর্জন করেন। একবার অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে ঢাকা থেকে হাতিয়ায় ট্রান্সপার করা হয়। বর্তমানে জহিরুল ইসলাম চাকরি থেকে অবসরে গেলেও দুর্নীতির দায়ে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলছে।

এহেন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবী করছে এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা।

Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



web-ad

সর্বশেষ আপডেট





সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]

Developed BY Trustsoftbd