ADS170638-2

রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান মিয়ানমারকেই করতে হবে: রেতনো মারসুদি

প্রিয় নোয়াখালীঃ রোহিঙ্গা সমস্যার উৎপত্তি মিয়ানমারে এবং এর সমাধান মিয়ানমারকেই করতে হবে বলে মনে করেন ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদি। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের জন্য মিয়ানমার সরকার যে পদক্ষেপ নেবে, সেটিকে সমর্থন জানানো প্রয়োজন।’ মঙ্গলবার কক্সবাজারের উখিয়ায় কুতুপালং শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করার পরে মন্ত্রীর বরাত দিয়ে ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রকাশিত এক বার্তায় এ কথা বলা হয়।

সীমান্তে উদ্বাস্তু সমস্যা সমাধানের জন্য বাংলাদেশ-মিয়ানমারের মধ্যে সম্পর্ক, যোগাযোগ ও সমন্বয়ের গুরুত্বের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

উখিয়ার কুতুপালং শিবির পরিদর্শন শেষে ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শরণার্থীদের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। শরণার্থীদের সহায়তা দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও বেশি কিছু করা উচিত।’ তিনি মুসলিম শরণার্থীদের অবস্থা সরেজমিনে দেখার জন্য কুতুপালং শিবিরে যান।

মারসুদি শরণার্থীদের কাছ থেকে জানতে চান, তারা কিভাবে এ ক্যাম্পে পৌঁছালো এবং তাদের অভিজ্ঞতা কী।

এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী ও ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেলিকপ্টার করে বেলা ১১টার দিকে উখিয়া পৌঁছান। পরে তারা কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে যান। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হকও তাদের সঙ্গে ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত অক্টোবরে মিয়ানমার সীমান্ত চৌকিতে আক্রমণে কয়েকজন পুলিশ নিহত হন। এরপর মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনী নিরীহ রোহিঙ্গাদের ওপর আক্রমণ চালায়। এখন পর্যন্ত শতাধিক রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন এবং ৩০ হাজারের বেশি গৃহহারা হয়েছেন।

মিয়ানমার স্বশস্ত্র বাহিনী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির ওপর নির্যাতন শুরু করলে রোহিঙ্গারা দলে দলে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাম্প্রতিক সপ্তাহে ও মাসে ৩৪ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে বাধ্য হয়েছে।

এদিকে রাখাইন প্রদেশের সহিংস ঘটনার সর্বশেষ অবস্থা জানানোর জন্য মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর ও আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের নিয়ে সোমবার মিয়ানমারে এক বৈঠক করেছেন অং সান সু চি। ওই বৈঠকে অংশ নেওয়ার পর ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাতে বাংলাদেশে আসেন।

এরই মধ্যে মালয়েশিয়া কঠোরভাষায় রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সশস্ত্র বাহিনীর আক্রমণের নিন্দা জানিয়েছে।

মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে না এবং তারা কোনও ধরনের নাগরিক সুবিধাও ভোগ করেন না।

Share Button

সর্বশেষ আপডেট



» রাষ্ট্রপতির আদেশে মৃত্যুদন্ড থেকে রেহাই পাওয়া সে বিপ্লব পেটালেন শ্রমিকলীগ সভাপতিকে!

» চাটখিল দলিল লিখক সমিতির সভাপতি দুলাল, সা: সম্পাদক স্বপন পাটোয়ারী

» লক্ষ্মীপুরে যুগান্তরের সাংবাদিককে ইউপি চেয়ারম্যানের মারধর প্রাণনাশের হুমকি

» সংবাদকর্মী সজিবের কেন এই অভিমানী প্রস্তান!

» ফেসবুক গ্রুপ নোয়াখালী রয়েল ড্রিস্টিকের উদ্যোগে মাদ্রাসা ছাত্রদের সম্মানে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরন

» সুবর্ণচরের বধুগঞ্জে স্টুডেন্টস ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত “

» বেগমগঞ্জে গৃহবধূকে গণধর্ষণ, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার-২

» খিলপাড়া ব্লাড ডোনেট ক্লাবের আয়োজনে ইফতার অনুষ্ঠিত

» যদি শিরোনাম হয় দক্ষিণ আফ্রিকা!

» রামগতিতে ব্যবসায়ীদের নিয়ে “জামায়াতে ইসলামী”র ইফতার!

ফেইসবুকে প্রিয় নোয়াখালী

add pn
সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল kanon.[email protected]
Desing & Developed BY Trust soft bd
ADS170638-2
,

রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান মিয়ানমারকেই করতে হবে: রেতনো মারসুদি

প্রিয় নোয়াখালীঃ রোহিঙ্গা সমস্যার উৎপত্তি মিয়ানমারে এবং এর সমাধান মিয়ানমারকেই করতে হবে বলে মনে করেন ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদি। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের জন্য মিয়ানমার সরকার যে পদক্ষেপ নেবে, সেটিকে সমর্থন জানানো প্রয়োজন।’ মঙ্গলবার কক্সবাজারের উখিয়ায় কুতুপালং শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করার পরে মন্ত্রীর বরাত দিয়ে ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রকাশিত এক বার্তায় এ কথা বলা হয়।

সীমান্তে উদ্বাস্তু সমস্যা সমাধানের জন্য বাংলাদেশ-মিয়ানমারের মধ্যে সম্পর্ক, যোগাযোগ ও সমন্বয়ের গুরুত্বের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

উখিয়ার কুতুপালং শিবির পরিদর্শন শেষে ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শরণার্থীদের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। শরণার্থীদের সহায়তা দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও বেশি কিছু করা উচিত।’ তিনি মুসলিম শরণার্থীদের অবস্থা সরেজমিনে দেখার জন্য কুতুপালং শিবিরে যান।

মারসুদি শরণার্থীদের কাছ থেকে জানতে চান, তারা কিভাবে এ ক্যাম্পে পৌঁছালো এবং তাদের অভিজ্ঞতা কী।

এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী ও ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেলিকপ্টার করে বেলা ১১টার দিকে উখিয়া পৌঁছান। পরে তারা কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে যান। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হকও তাদের সঙ্গে ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত অক্টোবরে মিয়ানমার সীমান্ত চৌকিতে আক্রমণে কয়েকজন পুলিশ নিহত হন। এরপর মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনী নিরীহ রোহিঙ্গাদের ওপর আক্রমণ চালায়। এখন পর্যন্ত শতাধিক রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন এবং ৩০ হাজারের বেশি গৃহহারা হয়েছেন।

মিয়ানমার স্বশস্ত্র বাহিনী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির ওপর নির্যাতন শুরু করলে রোহিঙ্গারা দলে দলে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাম্প্রতিক সপ্তাহে ও মাসে ৩৪ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে বাধ্য হয়েছে।

এদিকে রাখাইন প্রদেশের সহিংস ঘটনার সর্বশেষ অবস্থা জানানোর জন্য মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর ও আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের নিয়ে সোমবার মিয়ানমারে এক বৈঠক করেছেন অং সান সু চি। ওই বৈঠকে অংশ নেওয়ার পর ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাতে বাংলাদেশে আসেন।

এরই মধ্যে মালয়েশিয়া কঠোরভাষায় রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সশস্ত্র বাহিনীর আক্রমণের নিন্দা জানিয়েছে।

মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে না এবং তারা কোনও ধরনের নাগরিক সুবিধাও ভোগ করেন না।

Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



web-ad

সর্বশেষ আপডেট





সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]

Developed BY Trustsoftbd