চাটখিলে প্রবাসী স্বামীর সব সম্পত্তি নিজের করে কাজের ছেলেকে বিয়ে, সে স্ত্রীর বিচার চান স্বামী

 

স্টাফ করেসপন্ডেন্টঃ

চাটখিলে স্ত্রীর বিচার চেয়ে এবং নিজের সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার জন্যে সংবাদ সম্মেলন করেছেন হাজী সেলিম নামের এক ইংল্যান্ড প্রবাসী। তিনি শুক্রবার দুপুরে তার বাড়ি উপজেলার সাধুরখিল গ্রামে এই সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জন্মসূত্রে বাংলাদেশী হলেও আমি একজন ইংল্যান্ডের নাগরিক। ১৯৮৯ সালে আমাদের গ্রামের আবদুল কাদেরের বড় কন্যা সুজানা আক্তারকে পারিবারিক ভাবে বিয়ে করি। এক পর্যায়ে স্ত্রীকেও ইংল্যান্ডে নিয়ে যাই।পরে তার ৩ বোন ও মাকেও ইংল্যান্ডে নিয়ে যেতে সাহায্য করি। হাজী সেলিম বলেন,তাদের দাম্পত্ত জীবনে জন্ম নেয়া একমাত্র সন্তান শিখা মনিকে আমেরিকা প্রবাসী পাত্রের সাথে বিয়ে দেয়া হয়। সে বর্তমানে স্বামীর সাথে আমেরিকাতে আছে। ২০০৭ সালের দিকে তার স্ত্রীর সুজানার সাথে তার পারিবারিক কলহ তৈরী হয়।নেমে আসে তার ওপর নির্মম অত্যাচার।এক পর্যায়ে সুজানা নানা কৌশলে বাড়ির কাজের লোকদের সহযোগীতায় নানা ধরনের ওষধ প্রয়োগের মাধ্যমে তাকে অসুস্থ করে ফেলে। আর সে সুযোগে সেই সময়ে তার থেকে জোর পূর্বক স্বাক্ষর নিয়ে তার নামে থাকা ঢাকার মিরপুরে ৬ তলা একটি বাড়ি মিরপুরেই আরেকটা বাড়ির ডেভলাপারদের থেকে পাওয়া ৩ তলা বাড়ি, ইংল্যান্ডে থাকা একটি ফ্ল্যাট, ইংল্যান্ডের ব্যাংকে থাকা দুইজনের যৌথ একাউন্টে থাকা ২০ হাজার পাউন্ড নিজের করে নেয় এবং তাকে নিস্ব করে দেয়। সে সাথে সর্বশেষ গ্রামে নির্মান করা ৪ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত বাড়িটিও নিজের করার পায়তারা করতে শুরু করেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন হাজী সেলিম।

তিনি আরো জান্ন,২০১৭ সালে সে তাকে রেখে তাদের এলাকার এলাকার ছেলে তাদের বাড়িতে থাকা কাজেল ছেলে ফারুক হোসেনকে (যে তার স্ত্রীর ২০ বছরের ছোট) বিয়ে করে। তারপর থেকে হাজী সেলিমের ওপর অত্যাচারের মাত্রা আরো বাড়তে থাকে। ওরা দুজন মিলে তাকে মৃত্যুর দুয়ারে নিয়ে যায়। তিনি বলেন,আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি অলৌকিকভাবে মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছি। এখন সে আবার মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে ফাঁসাতে চাচ্ছে।
সারা জীবন মাথার গাম পায়ে ফেলে কোটি কোটি টাকা আয় করেছি পরিবারকে সূখে রাখতে সে স্ত্রী আজ আমাকে পথে নামিয়ে দিয়েছে। আমি আজ নিঃস্ব। আমি স্ত্রী রুপি এই ডাইনীর উপযুক্ত বিচার চাই দেশ বাসীর কাছে, বাংলাদেশ ও ইংল্যন্ড সরকারের কাছে। আমি আমার কষ্টার্জিত সম্পদ ফিরে পেতে চাই। আর যেনো কোন সুজানারা কোন পুরুষদের এমনভাবে ধ্বংশ করে দিতে না পারে।
সংবাদ সম্মেলনে সে এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ও হাজী সেলিমের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

Share Button

সর্বশেষ আপডেট



» চাটখিল উপজেলা ছাত্রলীগে জাকির সভাপতি তুষার সাঃ সম্পাদক

» চাটখিলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক ফয়েজসহ গ্রেফতার ৩

» প্রথম বিয়ের ৩দিনের মধ্যে ২য় বিয়ে করতে গিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তা শ্রীঘরে

» চাটখিলে একমাত্র বোনকে মেরে ফেলার হুমকি আপন ভাইদের,মাকেও দিচ্ছেনা ভরন পোষন

» চাটখিলে মুক্তিযোদ্ধা ও তার পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ

» দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বাসরুদ্ধ করে বেগমগঞ্জের রেমিটেন্স যোদ্ধাকে খুন

» ভাইস চেয়ারম্যানের বাড়িতে হামলার পর শান্তির প্রস্তাব কাদের মির্জার

» সুবর্ণচরে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

» বসুরহাট পৌরসভা ভবনে আটকে রেখে অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারকে নির্যাতনের অভিযোগ

» সৌদির সাথে মিল রেখে নোয়াখালীর ৯ মসজিদে ঈদের নামাজ আদায়

ফেইসবুকে প্রিয় নোয়াখালী

সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]
Desing & Developed BY Trust soft bd
,

চাটখিলে প্রবাসী স্বামীর সব সম্পত্তি নিজের করে কাজের ছেলেকে বিয়ে, সে স্ত্রীর বিচার চান স্বামী

 

স্টাফ করেসপন্ডেন্টঃ

চাটখিলে স্ত্রীর বিচার চেয়ে এবং নিজের সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার জন্যে সংবাদ সম্মেলন করেছেন হাজী সেলিম নামের এক ইংল্যান্ড প্রবাসী। তিনি শুক্রবার দুপুরে তার বাড়ি উপজেলার সাধুরখিল গ্রামে এই সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জন্মসূত্রে বাংলাদেশী হলেও আমি একজন ইংল্যান্ডের নাগরিক। ১৯৮৯ সালে আমাদের গ্রামের আবদুল কাদেরের বড় কন্যা সুজানা আক্তারকে পারিবারিক ভাবে বিয়ে করি। এক পর্যায়ে স্ত্রীকেও ইংল্যান্ডে নিয়ে যাই।পরে তার ৩ বোন ও মাকেও ইংল্যান্ডে নিয়ে যেতে সাহায্য করি। হাজী সেলিম বলেন,তাদের দাম্পত্ত জীবনে জন্ম নেয়া একমাত্র সন্তান শিখা মনিকে আমেরিকা প্রবাসী পাত্রের সাথে বিয়ে দেয়া হয়। সে বর্তমানে স্বামীর সাথে আমেরিকাতে আছে। ২০০৭ সালের দিকে তার স্ত্রীর সুজানার সাথে তার পারিবারিক কলহ তৈরী হয়।নেমে আসে তার ওপর নির্মম অত্যাচার।এক পর্যায়ে সুজানা নানা কৌশলে বাড়ির কাজের লোকদের সহযোগীতায় নানা ধরনের ওষধ প্রয়োগের মাধ্যমে তাকে অসুস্থ করে ফেলে। আর সে সুযোগে সেই সময়ে তার থেকে জোর পূর্বক স্বাক্ষর নিয়ে তার নামে থাকা ঢাকার মিরপুরে ৬ তলা একটি বাড়ি মিরপুরেই আরেকটা বাড়ির ডেভলাপারদের থেকে পাওয়া ৩ তলা বাড়ি, ইংল্যান্ডে থাকা একটি ফ্ল্যাট, ইংল্যান্ডের ব্যাংকে থাকা দুইজনের যৌথ একাউন্টে থাকা ২০ হাজার পাউন্ড নিজের করে নেয় এবং তাকে নিস্ব করে দেয়। সে সাথে সর্বশেষ গ্রামে নির্মান করা ৪ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত বাড়িটিও নিজের করার পায়তারা করতে শুরু করেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন হাজী সেলিম।

তিনি আরো জান্ন,২০১৭ সালে সে তাকে রেখে তাদের এলাকার এলাকার ছেলে তাদের বাড়িতে থাকা কাজেল ছেলে ফারুক হোসেনকে (যে তার স্ত্রীর ২০ বছরের ছোট) বিয়ে করে। তারপর থেকে হাজী সেলিমের ওপর অত্যাচারের মাত্রা আরো বাড়তে থাকে। ওরা দুজন মিলে তাকে মৃত্যুর দুয়ারে নিয়ে যায়। তিনি বলেন,আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি অলৌকিকভাবে মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছি। এখন সে আবার মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে ফাঁসাতে চাচ্ছে।
সারা জীবন মাথার গাম পায়ে ফেলে কোটি কোটি টাকা আয় করেছি পরিবারকে সূখে রাখতে সে স্ত্রী আজ আমাকে পথে নামিয়ে দিয়েছে। আমি আজ নিঃস্ব। আমি স্ত্রী রুপি এই ডাইনীর উপযুক্ত বিচার চাই দেশ বাসীর কাছে, বাংলাদেশ ও ইংল্যন্ড সরকারের কাছে। আমি আমার কষ্টার্জিত সম্পদ ফিরে পেতে চাই। আর যেনো কোন সুজানারা কোন পুরুষদের এমনভাবে ধ্বংশ করে দিতে না পারে।
সংবাদ সম্মেলনে সে এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ও হাজী সেলিমের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



web-ad

সর্বশেষ আপডেট





সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল [email protected]

Developed BY Trustsoftbd