” কুমতলব বন্ধু” – মো.শরীফ উদ্দিন

(একটি বাস্তব চরিত্র অবলম্বনে গল্প)

 

→কিরে.. তুই এখানে! কেমন আছিস…?

→আমি অফিস করে আসতেছি। আমারও একই প্রশ্ন তুই এখানে..?

→হুম…আমি কেনাকাটা করতে মার্কেটে আসছি।

→হুম…কতদিন পর তোর সাথে দেখা.. বিয়ে হয়েছে একটু দাওয়াতও দিসনি..

→জানাতে পারিনি একটু সমস্যা ছিলো। বলিসনিতো কেমন আছিস?

→ভাল কি রেখে গেছিস.. তবে এখন ভাল আছি।

→এখন ভাল কেন?

→তোকে দেখে!

→ও আচ্ছা… আমাকে দেখার কি আছে!!!?

সবই আছে। তুই সন্তানের মা! তোকে দেখলে কেউ বিশ্বাসই করবে না। দেখে মনে হয় মাত্র (এসএসসি) ইন্টারপাশ করেছিস! সত্যি কথা বলছি।

আজ একটা কথা বলবো! স্কুল-কলেজ জীবনে তোকে বলতে পারিনি। অনেকদিন থেকে ভাবছি তোর সাথে দেখা হলে বলবো! তুই এমনিতেই অনেক সুন্দর। আবার গোলাফের মত লাল ঠোঁটের পাশের তিলটা তোকে একদম পরী বানিয়ে দিয়েছে। এত্ত সুন্দর। তোকে অসাধারণ লাগে! আমি…. তোকে স্কুল জীবনে বলতে পারিনি। বুঝতে পারছিস, তোর জন্য কতো পাগল ছিলাম।

হুম..

কিরে কথা বলিসনা কেন?

মন খারাপ কেন তোর? স্বামী ঝগড়া টগড়া করলো নাকি?……. শুনেছি তোর স্বামীর বয়সও একটু বেশি। আমি যতোটুকু শুনেছি এখানে তোর বাপের পছন্দে বিয়ে হয়েছে। বুইড়া হাধারাম বুঝলোনা তোকে… তোর মতো এরকম একটা মাটির তৈরি পরীর সাথেও ঝগড়া করা যায়????? বিশ্বাসই হচ্ছে না!

মায়াবী চেহারা আর মিষ্টি হাসি দেখে ডোজন ডোজন প্রেমের অফার করতো তোকে। তুই কাউকে পাত্তা দিসনি আর এখন এ অবস্থায় তোকে খুব মায়া লাগে। ভাগ্যে আছে কপালের লিখা কি আর করবি। তবে হাঁ আমি কিন্তু পিছু ছাড়ছিনা তোর সাথে আছি।

তুই যা ইচ্ছা মনে করতে পারিস,! তোকে দেখলে মনে হয় তুই এখনো অবিবাহিত মেয়ে। আমিতো আছি তোর স্বামী বিদেশ, যা কিছু দরকার আমাকে বলবি। আজ থেকে তোকে প্রিয়তমা বলে ডাকবো।

আর একটা কথা বলবো? নীল পোশাকে তোকে দারুণ মানাইছে!….. না না, তেল দিচ্ছি না, সত্যি বলছি! সত্যি অনেকটা মৌসুমির মতো লাগে তোকে!

জন্মদিনে কি কি করলি তোরা? …….কি? স্বামী বিদেশ?…..কি যে বললি তুই… আমি এরকম একটা বউ পেলে বিদেশ যাক দূরে। বাড়ী ছেড়ে কোথায়ও যেতাম না। জন্মদিন উপলক্ষ্যে অফিস থেকে প্রয়োজনে এক সপ্তাহর ছুটি নিতাম!…. সিরিয়াসলি!

ও হাঁ আর একটা কথা শুনেছি, শুশুর বাড়ীর সব কাজ তোকে একা করতে হয়! তুই কি ওবাড়ীর বউ নাকি কাজের বুয়া। সব কাজ তোকে করতে হবে! ঐ বাড়ীর লোক থেকে আলাদা হয়ে কোথাও বাড়ী বা একা বাসা নিয়ে নেয়। তুই কিনা স্বাধীনতা পছন্দ করিস!!! ঐ বুড়ার জায়গায় আমি হলে তোকে সংসারের কোন কাজ করতে দিতাম না। রাজরানী করে রাখতাম। সব কিছু তোর পছন্দমত হতো। তোর কোন চাওয়া-পাওয়া অপূর্ণতা থাকবেনা। আর তুই অনাহাসে জীবনটা উপভোগ করতে পারবি।

→এতক্ষণ ধরে শুধু শুনছি, কিছু বলিনি তোকে। তোর এতো বড় দু-সাহস কি করে হলো আমাকে এ সব বলার! ক্লাসমেট বন্ধু ভেবে দু’ একটা নোটবুক হয়তো তোর কাছ থেকে নেয়েছিলাম। আর তুই ছি…। এই বেয়াদব! তোর মতো লম্পট, বদমাইশকে আমি ভালো করে চিনি। তুই জানিস আমার সাথে কারো সর্ম্পক ছিল কি ছিল না? আমার স্বামী আছে, তার সাথে আছি। আমি জানি তুই কেমন….! কার সাথে কি করছিস। স্কুল-কলেজে, বাড়ীর পাশে কোথায় কাকে কি কু-প্রস্তাব দিয়াছিস… আর কি করছিলি…। আমি আরো জানি আমার নামে নাম তোর ফুফাতো বোনকে তুই ভালোবাসিছ। তাকে বিয়ে করবি বলে করিসনি। মেয়েটার সর্বনাশ করেছিস।

→কে বললো তোকে এসব আজে-বাজে কথা ?

→যেই বলুক আমি জানি। আরো কিছু শুনতে চাস তুই! এখন এগুলো বললে তোর আত্ম-সম্মানে লাগে?

→শুন সবার লর্জা শরম আত্ব-সম্মান থাকতে হয়। আমারও আছে।

→হুম…তুই যে বড় বড় কথা বলছিস আমিতো জানি কার সাথে তোর সম্পর্ক ছিলো?

→শুন, মেজাজ গরম হলে ভাল হবেনা বলছি। তুই ক্লাসমেট বলেই কথা বলার সুযোগ দিয়েছি। এর মানে তা নয়যে তুই আমার মুখে চুনকালি মাখবি। মুখে যা আসবে তাই আমাকে বলবি!! তোকে সাবধান করে দিচ্ছি, বাজে বা ফালতু মেয়ে আমি নই। আমার মান- সম্মান নিয়ে কথা তুলবি না। ভবিষ্যৎে আর কখনো মিথ্যে কোন কথা বলবি না। তোর জানার মাঝে ভূল আছে। আর একটা কথা শুন, বিয়ের পর (নারীদের) অতিত থাকতে নাই। আমার আছে বর্তমান আর ভবিষ্যৎ।

Next time don’t talk to me, don’t follow me. You understand, you better understand.

.

কিছু কারেক্টারলেস পুরুষ আছে, মেয়েদেরকে বিয়ের আগে কিছু বলতে না পারলেও বিয়ের পরে কুমতলব নিয়ে ঠিকই প্রপোজ করে বসে। অনেক আগে থেকে তোকে ভালোবাসতাম, মা,বাবা,বড় ভাই উকুম তমুকের জন্য কিছু বলতে পারিনি। এমন কিছু হারামি ক্লাসমেট ছেলে বন্ধু বা আশপাশের দেবর (পুরুষ) আছে। নিজের অফিসের কলিগ, পাশের বাসার ভাবী কিংবা বন্ধুর বউ, ক্লাসমেট মেয়েদের সাথে এভাবেই কথা বলে। সুযোগ বুঝে ফোন নাম্বার চেয়ে বসে। সময় অসময় কল করে বিরক্ত করে। এদের কুচ্ছিত মনের গভীরে যে কত বড় লাম্পট্য, আর অসৎ কামনা লুকিয়ে আছে। মুখ দেখে বুঝাই যায় না। এদের কারনে কত শত সংসার নষ্ট, ধংস হয়েছে, তারা নিজেরাও জানেনা।

হাদিসে আছে, তোমরা সেই মহিলাদের নিকট গমন করো না যাদের স্বামীরা বিদেশে আছে। কারণ, শয়তান তোমাদের রক্ত শিরায় প্রবাহিত হয়। (তিরমিযী শরীফ ১১৭২). অথচ কিছু পুরুষ আছে যারা তোয়াক্কা করেনা। এরা হলো শয়তান পুরুষ। মানুষরুপী শয়তান।

জীবনে সুখী হতে হলে কারো হালকা প্রশংসায় গলে যাবেন না। বরং এদের এড়িয়ে চলুন। এরা মূলত কুকুর শ্রেণীর, এদের কাছ থেকে দূরে থাকুন। কুকুরদের ঘৃণা করুন , সাবধান হন, পর্দা মেনে চলুন এবং নন মাহরাম সবার সাথেই দূরত্ব বজায় রাখুন।

 

Share Button

সর্বশেষ আপডেট



» চাটখিলে ব্যবসায়ীকে হত্যার চেষ্টাকারী সেই সামু অবশেষে গ্রেফতার

» রামগঞ্জে নিখোঁজের ১০ঘন্টা পর যেভাবে শিশুর লাশ উদ্ধার করলো পুলিশ

» চাটখিলে কারচুপির মাধ্যমে ফলাফল পরিবর্তনের অভিযোগ মেম্বার প্রার্থীর

» রামগঞ্জে শীতবস্ত্র পেয়ে খুশী সুবিধা বঞ্চিতরা

» চাটখিলে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানকে রুপনগরবাসীর সংবর্ধনা

» এইচ এম ইব্রাহিম এমপির প্রচেষ্টায় ভারতের লাইফ সাপোর্ট এম্বুল্যান্স প্রদান

» হাতিয়ায় অস্ত্রসহ বিক্রেতা আটক

» চাটখিলে পূর্ব সুন্দরপুর ইশা’আতুস সুন্নাহ নুরাণী মাদরাসার বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ

» চাটখিলে দক্ষিন ঘাটলাবাগ মোহাম্মদিয়া মাদরাসায় বই ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরন

» সোনাইমুড়ীতে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা

ফেইসবুকে প্রিয় নোয়াখালী

সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল kanon.press@gmail.com
Desing & Developed BY Trust soft bd
,

” কুমতলব বন্ধু” – মো.শরীফ উদ্দিন

(একটি বাস্তব চরিত্র অবলম্বনে গল্প)

 

→কিরে.. তুই এখানে! কেমন আছিস…?

→আমি অফিস করে আসতেছি। আমারও একই প্রশ্ন তুই এখানে..?

→হুম…আমি কেনাকাটা করতে মার্কেটে আসছি।

→হুম…কতদিন পর তোর সাথে দেখা.. বিয়ে হয়েছে একটু দাওয়াতও দিসনি..

→জানাতে পারিনি একটু সমস্যা ছিলো। বলিসনিতো কেমন আছিস?

→ভাল কি রেখে গেছিস.. তবে এখন ভাল আছি।

→এখন ভাল কেন?

→তোকে দেখে!

→ও আচ্ছা… আমাকে দেখার কি আছে!!!?

সবই আছে। তুই সন্তানের মা! তোকে দেখলে কেউ বিশ্বাসই করবে না। দেখে মনে হয় মাত্র (এসএসসি) ইন্টারপাশ করেছিস! সত্যি কথা বলছি।

আজ একটা কথা বলবো! স্কুল-কলেজ জীবনে তোকে বলতে পারিনি। অনেকদিন থেকে ভাবছি তোর সাথে দেখা হলে বলবো! তুই এমনিতেই অনেক সুন্দর। আবার গোলাফের মত লাল ঠোঁটের পাশের তিলটা তোকে একদম পরী বানিয়ে দিয়েছে। এত্ত সুন্দর। তোকে অসাধারণ লাগে! আমি…. তোকে স্কুল জীবনে বলতে পারিনি। বুঝতে পারছিস, তোর জন্য কতো পাগল ছিলাম।

হুম..

কিরে কথা বলিসনা কেন?

মন খারাপ কেন তোর? স্বামী ঝগড়া টগড়া করলো নাকি?……. শুনেছি তোর স্বামীর বয়সও একটু বেশি। আমি যতোটুকু শুনেছি এখানে তোর বাপের পছন্দে বিয়ে হয়েছে। বুইড়া হাধারাম বুঝলোনা তোকে… তোর মতো এরকম একটা মাটির তৈরি পরীর সাথেও ঝগড়া করা যায়????? বিশ্বাসই হচ্ছে না!

মায়াবী চেহারা আর মিষ্টি হাসি দেখে ডোজন ডোজন প্রেমের অফার করতো তোকে। তুই কাউকে পাত্তা দিসনি আর এখন এ অবস্থায় তোকে খুব মায়া লাগে। ভাগ্যে আছে কপালের লিখা কি আর করবি। তবে হাঁ আমি কিন্তু পিছু ছাড়ছিনা তোর সাথে আছি।

তুই যা ইচ্ছা মনে করতে পারিস,! তোকে দেখলে মনে হয় তুই এখনো অবিবাহিত মেয়ে। আমিতো আছি তোর স্বামী বিদেশ, যা কিছু দরকার আমাকে বলবি। আজ থেকে তোকে প্রিয়তমা বলে ডাকবো।

আর একটা কথা বলবো? নীল পোশাকে তোকে দারুণ মানাইছে!….. না না, তেল দিচ্ছি না, সত্যি বলছি! সত্যি অনেকটা মৌসুমির মতো লাগে তোকে!

জন্মদিনে কি কি করলি তোরা? …….কি? স্বামী বিদেশ?…..কি যে বললি তুই… আমি এরকম একটা বউ পেলে বিদেশ যাক দূরে। বাড়ী ছেড়ে কোথায়ও যেতাম না। জন্মদিন উপলক্ষ্যে অফিস থেকে প্রয়োজনে এক সপ্তাহর ছুটি নিতাম!…. সিরিয়াসলি!

ও হাঁ আর একটা কথা শুনেছি, শুশুর বাড়ীর সব কাজ তোকে একা করতে হয়! তুই কি ওবাড়ীর বউ নাকি কাজের বুয়া। সব কাজ তোকে করতে হবে! ঐ বাড়ীর লোক থেকে আলাদা হয়ে কোথাও বাড়ী বা একা বাসা নিয়ে নেয়। তুই কিনা স্বাধীনতা পছন্দ করিস!!! ঐ বুড়ার জায়গায় আমি হলে তোকে সংসারের কোন কাজ করতে দিতাম না। রাজরানী করে রাখতাম। সব কিছু তোর পছন্দমত হতো। তোর কোন চাওয়া-পাওয়া অপূর্ণতা থাকবেনা। আর তুই অনাহাসে জীবনটা উপভোগ করতে পারবি।

→এতক্ষণ ধরে শুধু শুনছি, কিছু বলিনি তোকে। তোর এতো বড় দু-সাহস কি করে হলো আমাকে এ সব বলার! ক্লাসমেট বন্ধু ভেবে দু’ একটা নোটবুক হয়তো তোর কাছ থেকে নেয়েছিলাম। আর তুই ছি…। এই বেয়াদব! তোর মতো লম্পট, বদমাইশকে আমি ভালো করে চিনি। তুই জানিস আমার সাথে কারো সর্ম্পক ছিল কি ছিল না? আমার স্বামী আছে, তার সাথে আছি। আমি জানি তুই কেমন….! কার সাথে কি করছিস। স্কুল-কলেজে, বাড়ীর পাশে কোথায় কাকে কি কু-প্রস্তাব দিয়াছিস… আর কি করছিলি…। আমি আরো জানি আমার নামে নাম তোর ফুফাতো বোনকে তুই ভালোবাসিছ। তাকে বিয়ে করবি বলে করিসনি। মেয়েটার সর্বনাশ করেছিস।

→কে বললো তোকে এসব আজে-বাজে কথা ?

→যেই বলুক আমি জানি। আরো কিছু শুনতে চাস তুই! এখন এগুলো বললে তোর আত্ম-সম্মানে লাগে?

→শুন সবার লর্জা শরম আত্ব-সম্মান থাকতে হয়। আমারও আছে।

→হুম…তুই যে বড় বড় কথা বলছিস আমিতো জানি কার সাথে তোর সম্পর্ক ছিলো?

→শুন, মেজাজ গরম হলে ভাল হবেনা বলছি। তুই ক্লাসমেট বলেই কথা বলার সুযোগ দিয়েছি। এর মানে তা নয়যে তুই আমার মুখে চুনকালি মাখবি। মুখে যা আসবে তাই আমাকে বলবি!! তোকে সাবধান করে দিচ্ছি, বাজে বা ফালতু মেয়ে আমি নই। আমার মান- সম্মান নিয়ে কথা তুলবি না। ভবিষ্যৎে আর কখনো মিথ্যে কোন কথা বলবি না। তোর জানার মাঝে ভূল আছে। আর একটা কথা শুন, বিয়ের পর (নারীদের) অতিত থাকতে নাই। আমার আছে বর্তমান আর ভবিষ্যৎ।

Next time don’t talk to me, don’t follow me. You understand, you better understand.

.

কিছু কারেক্টারলেস পুরুষ আছে, মেয়েদেরকে বিয়ের আগে কিছু বলতে না পারলেও বিয়ের পরে কুমতলব নিয়ে ঠিকই প্রপোজ করে বসে। অনেক আগে থেকে তোকে ভালোবাসতাম, মা,বাবা,বড় ভাই উকুম তমুকের জন্য কিছু বলতে পারিনি। এমন কিছু হারামি ক্লাসমেট ছেলে বন্ধু বা আশপাশের দেবর (পুরুষ) আছে। নিজের অফিসের কলিগ, পাশের বাসার ভাবী কিংবা বন্ধুর বউ, ক্লাসমেট মেয়েদের সাথে এভাবেই কথা বলে। সুযোগ বুঝে ফোন নাম্বার চেয়ে বসে। সময় অসময় কল করে বিরক্ত করে। এদের কুচ্ছিত মনের গভীরে যে কত বড় লাম্পট্য, আর অসৎ কামনা লুকিয়ে আছে। মুখ দেখে বুঝাই যায় না। এদের কারনে কত শত সংসার নষ্ট, ধংস হয়েছে, তারা নিজেরাও জানেনা।

হাদিসে আছে, তোমরা সেই মহিলাদের নিকট গমন করো না যাদের স্বামীরা বিদেশে আছে। কারণ, শয়তান তোমাদের রক্ত শিরায় প্রবাহিত হয়। (তিরমিযী শরীফ ১১৭২). অথচ কিছু পুরুষ আছে যারা তোয়াক্কা করেনা। এরা হলো শয়তান পুরুষ। মানুষরুপী শয়তান।

জীবনে সুখী হতে হলে কারো হালকা প্রশংসায় গলে যাবেন না। বরং এদের এড়িয়ে চলুন। এরা মূলত কুকুর শ্রেণীর, এদের কাছ থেকে দূরে থাকুন। কুকুরদের ঘৃণা করুন , সাবধান হন, পর্দা মেনে চলুন এবং নন মাহরাম সবার সাথেই দূরত্ব বজায় রাখুন।

 

Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



web-ad

সর্বশেষ আপডেট





সম্পাদক ও প্রকাশক:: কামরুল ইসলাম কানন।
যোগাযোগ:: ০১৭১২৯৮৩৭৫১।
ইমেইল kanon.press@gmail.com

Developed BY Trustsoftbd