Dhaka ১১:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ জুন ২০২৪

নোয়াখালী ক্লাব নিয়ে কবির আহমেদের স্বপ্ন

  • আপডেট: ০৬:৪৪:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ ২০২৪
  • 0

প্রিয় নোয়াখালী ডেস্ক:

শনিবার বহুল আলোচিত নোয়াখালী ক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নোয়াখালীর বাসির যখন পুরো দৃষ্টি এই নির্বাচন নিয়ে তখন এই ক্কাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট কবির আহমেদ নোয়াখালী ক্লাব গঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সহ নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন গণমাধ্যমের সাথে।  বলেছেন নোয়াখালী ক্লাব নিয়ে তাঁর স্বপ্নের কথা । এ প্রসঙ্গে তিনি প্রথমেই তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন যারা ঢাকাস্থিত নোয়াখালী ক্লাব লিমিটেডের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কাজ করে আসছেন এবং নোয়াখালীবাসীদেরকে একটা মঞ্চ দেয়ার জন্য প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, যারা এই ক্লাব সৃষ্টি করেছেন তারা সবসময়ই স্মরণীয় এবং বরণীয় হয়ে থাকবেন।
স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, নোয়াখালী ক্লাব প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল নোয়াখালীবাসীদের মধ্যে সামাজিক ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে দৃঢ় করা, নোয়াখালীর কৃষ্টি ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখা। কালের বিবর্তনে আমাদের সমাজ ও সংস্কৃতির যা কিছু হারিয়ে গেছে, সেগুলিকে পুনরুদ্ধার করে তা আমাদের সমাজে ছড়িয়ে দেওয়াও নোয়াখালী ক্লাবের মূল উদ্দেশ্যভুক্ত ছিল। এই ক্লাবের আরেকটা উদ্দেশ্য ছিল, যা হচ্ছে নোয়াখালীবাসীদের মধ্যে আত্মীয়তা ও বন্ধুত্বের বন্ধনকে গড়ে তোলা। কিন্তু অপ্রিয় হলেও আজ এ কথা সত্যি যে আমরা সেই লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য থেকে সরে গিয়েছি।
অনেকটা আক্ষেপ করে কবির আহমেদ বলেন, আমাদের বিভিন্ন প্লাটফর্মে এবং নোয়াখালীর যত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আছে, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আছে, সেখানে আমি অনেক ভাইবোনদের মন্তব্য দেখেছি কিংবা অনেকের মন্তব্য দেখতে পারিনি। তাই আমি ভাবলাম, যেহেতু আমি নোয়াখালীর সন্তান, সেহেতু আমার উপরেও কিছু দায়িত্ব এসে পড়ে এ বিষয়ে আমার চিন্তাভাবনা প্রকাশ করার, খোলামনে কিছু কথা বলার।
তিনি বলেন, অনেকে হয়তো আমাকে চিনেন, কিন্তু অন্য অনেকেই হয়তো আমাকে চিনেন না। কারণ আমি নোয়াখালী ক্লাবের কাজকর্মের সঙ্গে খুব বেশি জড়িত হতে পারিনি, যা আমার ব্যর্থতা; যদিও আমি দেশ-বিদেশের একাধিক ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে বর্তমানে জড়িত আছি।

নোয়াখালী ক্লাব প্রসঙ্গে কবির আহমেদ বলেন, এখানে আমার চাহিদা একটাই- যাকে আপনারা আমার পরামর্শ বলেও মনে করতে পারেন। আমি নিজেও বর্তমানে ডিপ্লোম্যাটিক ক্লাব সহ অনেকগুলো ক্লাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আছি। আমি মনে করি, নোয়াখালী ক্লাব ঢাকা ক্লাব, গুলশান ক্লাব, অল কমিটি ক্লাব বা আরোও যেসব ক্লাব আছে সেসব ক্লাবের মতো হতে হবে, তা নয়। যে বাতাবরণে আন্তর্জাতিক ক্লাবগুলো পরিচালিত হচ্ছিল, তা থেকে অনেকেই পর্যায়ক্রমে সরে এসেছে।

আমি মনে করি, আমাদের এই নোয়াখালী ক্লাবটা এমন একটা ক্লাব হওয়া দরকার যা শুধু নোয়াখালীর কৃষ্টি, সভ্যতা, ইত্যাদি, যা আমরা পর্যায়ক্রমে হারিয়ে ফেলেছি; সেইসব হারানো ঐতিহ্য যেন পুনরুদ্ধার করতে পারি। নোয়াখালী ক্লাব যেন সেইসব পুনরুদ্ধারকৃত অতীত ঐতিহ্যের ধারক এবং বাহক হতে পারে – এটুকুই আপনাদের নিকট আমার চাহিদা। আমার এই চাহিদা যে পূরণ করতেই হবে, তা এমনও নয়। আমার চাহিদার সঙ্গে অন্যদের চাহিদা মিলতে না ও পারে, কিন্তু তবুও এটাই আমার প্রত্যাশা। এই বিষয়ে যাদেরকে আমার সঙ্গে পাবো, আমি তাদেরকে সঙ্গে নিয়েই আমাদের হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা চালিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন, এই নোয়াখালী ক্লাবের মাধ্যমে আমরা নোয়াখালীবাসীর মধ্যে সম্প্রীতির সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করবো, আমাদের হারানো ঐতিহ্যকে পুনরুদ্ধার করবো, আমরা পরস্পরের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলবো। আমরা একে অপরের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ ছড়ানো থেকে বিরত থাকবো, অশ্লীলতা থেকে দূরে থাকবো।

কবির আহমেদ আরো বলেন, আমি আশা করবো এই নোয়াখালী ক্লাব যেন আমাদের নোয়াখালীবাসীদের সৌহার্দমূলক এক মিলনমেলা হিসাবে গড়ে উঠে। আমরা সকলে যেন একসাথে মিলেমিশে থাকতে পারি, একে অপরের হাসি-আনন্দের অংশীদার হতে পারি, কিংবা অপরের দুঃখে সহমর্মী হতে পারি, তেমনই এক প্লাটফর্ম হবে আমাদের এই নোয়াখালী ক্লাব লিমিটেড!

এই ক্লাবে যেন নোয়াখালীবাসী আমরা সবাই বিনা বাধায় যেতে পারি, আসতে পারি, হাসি-আনন্দে মেতে উঠতে পারি, একে অপরের বিপদে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসতে পারি, তেমনই প্লাটফর্ম হবে এই নোয়াখালী ক্লাব।

সবশেষে যারা নোয়াখালী ক্লাবের আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন তাদের সবার জন্য কবির আহমেদ শুভকামনা করেন।

উল্লেখ্য, কবির আহমেদ বর্তমানে বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স এসোসিয়েশন, যা ‘বাফা’ নামে সমধিক পরিচিত, তার প্রেসিডেন্ট। ইন্টারন্যাশনাল এয়ার এক্সপ্রেস এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ, যা দেশে কুরিয়ার সেবা প্রদান করে থাকে, সেই বাণিজ্যিক সংগঠনেরও বর্তমান প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিশ্বের ১২০টিরও অধিক সংখ্যক দেশের আন্তর্জাতিক ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং কোম্পানিগুলোর বাণিজ্যিক সংগঠন ‘ওয়ার্ল্ড ফ্রেইট গ্রুপ (ডাব্লিউএফজি)’-এর চেয়ারম্যান হিসাবে গত তিন মেয়াদ ধরে সফলতা ও দক্ষতার সহিত দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। এছাড়া, তিনি স্পেন-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মহাসচিব (সেক্রেটারি জেনারেল) হিসাবেও দায়িত্ব পালন করছেন। অতীতে তিনি জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। চাটখিল পাঁচগাঁও মাহবুব সরকারি কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাকাল থেকে এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার বদলকোট গ্রামে কবির আহমেদের পৈত্রিক বাড়ি। পারিবারিক কারণে চাটখিল এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার নিবিড় সংশ্লিষ্টতা আছে।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

চাটখিলে  ছাত্রলীগ নেতার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৩শ নেতাকর্মীদের ঈদ উপহার

নোয়াখালী ক্লাব নিয়ে কবির আহমেদের স্বপ্ন

আপডেট: ০৬:৪৪:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ ২০২৪

প্রিয় নোয়াখালী ডেস্ক:

শনিবার বহুল আলোচিত নোয়াখালী ক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নোয়াখালীর বাসির যখন পুরো দৃষ্টি এই নির্বাচন নিয়ে তখন এই ক্কাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট কবির আহমেদ নোয়াখালী ক্লাব গঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সহ নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন গণমাধ্যমের সাথে।  বলেছেন নোয়াখালী ক্লাব নিয়ে তাঁর স্বপ্নের কথা । এ প্রসঙ্গে তিনি প্রথমেই তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন যারা ঢাকাস্থিত নোয়াখালী ক্লাব লিমিটেডের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কাজ করে আসছেন এবং নোয়াখালীবাসীদেরকে একটা মঞ্চ দেয়ার জন্য প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, যারা এই ক্লাব সৃষ্টি করেছেন তারা সবসময়ই স্মরণীয় এবং বরণীয় হয়ে থাকবেন।
স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, নোয়াখালী ক্লাব প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল নোয়াখালীবাসীদের মধ্যে সামাজিক ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে দৃঢ় করা, নোয়াখালীর কৃষ্টি ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখা। কালের বিবর্তনে আমাদের সমাজ ও সংস্কৃতির যা কিছু হারিয়ে গেছে, সেগুলিকে পুনরুদ্ধার করে তা আমাদের সমাজে ছড়িয়ে দেওয়াও নোয়াখালী ক্লাবের মূল উদ্দেশ্যভুক্ত ছিল। এই ক্লাবের আরেকটা উদ্দেশ্য ছিল, যা হচ্ছে নোয়াখালীবাসীদের মধ্যে আত্মীয়তা ও বন্ধুত্বের বন্ধনকে গড়ে তোলা। কিন্তু অপ্রিয় হলেও আজ এ কথা সত্যি যে আমরা সেই লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য থেকে সরে গিয়েছি।
অনেকটা আক্ষেপ করে কবির আহমেদ বলেন, আমাদের বিভিন্ন প্লাটফর্মে এবং নোয়াখালীর যত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আছে, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আছে, সেখানে আমি অনেক ভাইবোনদের মন্তব্য দেখেছি কিংবা অনেকের মন্তব্য দেখতে পারিনি। তাই আমি ভাবলাম, যেহেতু আমি নোয়াখালীর সন্তান, সেহেতু আমার উপরেও কিছু দায়িত্ব এসে পড়ে এ বিষয়ে আমার চিন্তাভাবনা প্রকাশ করার, খোলামনে কিছু কথা বলার।
তিনি বলেন, অনেকে হয়তো আমাকে চিনেন, কিন্তু অন্য অনেকেই হয়তো আমাকে চিনেন না। কারণ আমি নোয়াখালী ক্লাবের কাজকর্মের সঙ্গে খুব বেশি জড়িত হতে পারিনি, যা আমার ব্যর্থতা; যদিও আমি দেশ-বিদেশের একাধিক ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে বর্তমানে জড়িত আছি।

নোয়াখালী ক্লাব প্রসঙ্গে কবির আহমেদ বলেন, এখানে আমার চাহিদা একটাই- যাকে আপনারা আমার পরামর্শ বলেও মনে করতে পারেন। আমি নিজেও বর্তমানে ডিপ্লোম্যাটিক ক্লাব সহ অনেকগুলো ক্লাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আছি। আমি মনে করি, নোয়াখালী ক্লাব ঢাকা ক্লাব, গুলশান ক্লাব, অল কমিটি ক্লাব বা আরোও যেসব ক্লাব আছে সেসব ক্লাবের মতো হতে হবে, তা নয়। যে বাতাবরণে আন্তর্জাতিক ক্লাবগুলো পরিচালিত হচ্ছিল, তা থেকে অনেকেই পর্যায়ক্রমে সরে এসেছে।

আমি মনে করি, আমাদের এই নোয়াখালী ক্লাবটা এমন একটা ক্লাব হওয়া দরকার যা শুধু নোয়াখালীর কৃষ্টি, সভ্যতা, ইত্যাদি, যা আমরা পর্যায়ক্রমে হারিয়ে ফেলেছি; সেইসব হারানো ঐতিহ্য যেন পুনরুদ্ধার করতে পারি। নোয়াখালী ক্লাব যেন সেইসব পুনরুদ্ধারকৃত অতীত ঐতিহ্যের ধারক এবং বাহক হতে পারে – এটুকুই আপনাদের নিকট আমার চাহিদা। আমার এই চাহিদা যে পূরণ করতেই হবে, তা এমনও নয়। আমার চাহিদার সঙ্গে অন্যদের চাহিদা মিলতে না ও পারে, কিন্তু তবুও এটাই আমার প্রত্যাশা। এই বিষয়ে যাদেরকে আমার সঙ্গে পাবো, আমি তাদেরকে সঙ্গে নিয়েই আমাদের হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা চালিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন, এই নোয়াখালী ক্লাবের মাধ্যমে আমরা নোয়াখালীবাসীর মধ্যে সম্প্রীতির সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করবো, আমাদের হারানো ঐতিহ্যকে পুনরুদ্ধার করবো, আমরা পরস্পরের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলবো। আমরা একে অপরের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ ছড়ানো থেকে বিরত থাকবো, অশ্লীলতা থেকে দূরে থাকবো।

কবির আহমেদ আরো বলেন, আমি আশা করবো এই নোয়াখালী ক্লাব যেন আমাদের নোয়াখালীবাসীদের সৌহার্দমূলক এক মিলনমেলা হিসাবে গড়ে উঠে। আমরা সকলে যেন একসাথে মিলেমিশে থাকতে পারি, একে অপরের হাসি-আনন্দের অংশীদার হতে পারি, কিংবা অপরের দুঃখে সহমর্মী হতে পারি, তেমনই এক প্লাটফর্ম হবে আমাদের এই নোয়াখালী ক্লাব লিমিটেড!

এই ক্লাবে যেন নোয়াখালীবাসী আমরা সবাই বিনা বাধায় যেতে পারি, আসতে পারি, হাসি-আনন্দে মেতে উঠতে পারি, একে অপরের বিপদে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসতে পারি, তেমনই প্লাটফর্ম হবে এই নোয়াখালী ক্লাব।

সবশেষে যারা নোয়াখালী ক্লাবের আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন তাদের সবার জন্য কবির আহমেদ শুভকামনা করেন।

উল্লেখ্য, কবির আহমেদ বর্তমানে বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স এসোসিয়েশন, যা ‘বাফা’ নামে সমধিক পরিচিত, তার প্রেসিডেন্ট। ইন্টারন্যাশনাল এয়ার এক্সপ্রেস এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ, যা দেশে কুরিয়ার সেবা প্রদান করে থাকে, সেই বাণিজ্যিক সংগঠনেরও বর্তমান প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিশ্বের ১২০টিরও অধিক সংখ্যক দেশের আন্তর্জাতিক ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং কোম্পানিগুলোর বাণিজ্যিক সংগঠন ‘ওয়ার্ল্ড ফ্রেইট গ্রুপ (ডাব্লিউএফজি)’-এর চেয়ারম্যান হিসাবে গত তিন মেয়াদ ধরে সফলতা ও দক্ষতার সহিত দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। এছাড়া, তিনি স্পেন-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মহাসচিব (সেক্রেটারি জেনারেল) হিসাবেও দায়িত্ব পালন করছেন। অতীতে তিনি জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। চাটখিল পাঁচগাঁও মাহবুব সরকারি কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাকাল থেকে এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার বদলকোট গ্রামে কবির আহমেদের পৈত্রিক বাড়ি। পারিবারিক কারণে চাটখিল এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার নিবিড় সংশ্লিষ্টতা আছে।